📌 সৌদি আরবে কর্মরত বিএনপির এক সক্রিয় নেতা কাবা শরিফের সামনে দাঁড়িয়ে দল ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি নিজের ফেসবুক ভিডিওতে রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর কারণ তুলে ধরেন। বিএনপির স্থানীয় নেতারা বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন
সৌদি আরবে কর্মরত বিএনপির এক সক্রিয় নেতা কাবা শরিফের সামনে দাঁড়িয়ে দল ত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। মো. সাদ্দাম হাওলাদার নামের ওই ব্যক্তি বিএনপির জিয়া সাইবার ফোর্সের বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা শাখার সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। গত সোমবার নিজের ফেসবুক আইডিতে প্রকাশিত ভিডিওতে তিনি দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত সব পদ ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা জানান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিএনপির জিয়া সাইবার ফোর্সের আগৈলঝাড়া উপজেলা শাখার সহসভাপতি মো. সাদ্দাম হাওলাদার রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন
- 📌 তিনি কাবা শরিফকে সাক্ষী রেখে নিজের ফেসবুক ভিডিওতে এই ঘোষণা দেন
- 📌 পরিবারের প্রায় ৯০ শতাংশ সদস্য বিএনপির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও তিনি দল ত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন
- 📌 রাজনীতির মাধ্যমে জনগণের সেবা করতে না পারায় তিনি নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার কথা জানান
- 📌 বিএনপির স্থানীয় নেতারা বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন দলটির এক সক্রিয় নেতা। মো. সাদ্দাম হাওলাদার নামের ওই ব্যক্তি বর্তমানে সৌদি আরবে প্রবাসী হিসেবে কর্মরত। তিনি বিএনপির জিয়া সাইবার ফোর্সের বরিশাল জেলার আগৈলঝাড়া উপজেলা শাখার সহসভাপতি ছিলেন। গত সোমবার নিজের ফেসবুক আইডিতে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় তিনি দল ত্যাগের ঘোষণা দেন। ভিডিওতে তিনি কাবা শরিফকে সাক্ষী রেখে এই ঘোষণা দেন বলে উল্লেখ করেন।
সাদ্দাম হাওলাদার তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে জানান, তার বাবা ও চাচাসহ পরিবারের প্রায় ৯০ শতাংশ সদস্য দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তিনি নিজেও দীর্ঘকাল দলটির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। তবে বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তিনি আর রাজনীতি চালিয়ে যেতে পারছেন না বলে উল্লেখ করেন। তিনি স্পষ্ট করেন যে, বিএনপির প্রতি তার কোনো অভিযোগ নেই। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি দলটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে জানান। একই সঙ্গে তিনি তারেক রহমান ও বিএনপির প্রতি তার ভালোবাসার কথাও উল্লেখ করেন।
তিনি আরও লেখেন, ‘আমি কোনো বড় রাজনীতিবিদ বা ত্যাগী নেতা-কর্মী নই।’ তার রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর পেছনে কোনো বিরোধ বা ব্যক্তিগত ক্ষোভ কাজ করেনি বলেও তিনি উল্লেখ করেন। রাজনীতি ছিল তার আবেগ ও মনের খোরাক। তবে জনগণের সেবা করার প্রত্যাশা পূরণ না হওয়ায় তিনি নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান। রাজনীতির বাইরে মানবসেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
"আমি কোনো বড় রাজনীতিবিদ বা ত্যাগী নেতা-কর্মী নই। রাজনীতি ছিল আমার আবেগ ও মনের খোরাক। জনগণের সেবা করার প্রত্যাশা থাকলেও রাজনীতির মাধ্যমে তা সম্ভব হয়নি। তাই সম্মানের সঙ্গে বাংলাদেশের রাজনীতি থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।"
এ বিষয়ে আগৈলঝাড়া উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব মোল্লা বশির আহমেদ পান্না বলেন, বিষয়টি তার জানা নেই। তিনি আরও জানান, সাদ্দাম হাওলাদার কর্মসূত্রে দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবে রয়েছেন। কারও সঙ্গে কোনো বিরোধ বা ক্ষোভ থেকে তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে। তিনি বলেন, সাদ্দাম লিখিতভাবে কোনো পদত্যাগপত্র না দিয়ে ফেসবুকে ভিডিও দিয়ে কেন এ ধরনের ঘোষণা দিয়েছেন, সেটিও খোঁজ নিয়ে দেখা হবে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সৌদি আরবের পবিত্র কাবা শরিফ এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. সাদ্দাম হাওলাদার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯০ শতাংশ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!