📌 বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে অপহৃত সাড়ে চার মাসের শিশু মারুফা জান্নাত মাহিকে চট্টগ্রামের বন্দর এলাকা থেকে উদ্ধার করেছে র্যাব। অপহরণের অভিযোগে এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার বিবরণে জানা যায়, দুই লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছিল
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে অপহৃত সাড়ে চার মাসের শিশু মারুফা জান্নাত মাহিকে চট্টগ্রাম নগরের বন্দর থানা এলাকা থেকে উদ্ধার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। এ ঘটনায় শিশুটিকে অপহরণের অভিযোগে এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অপহৃত শিশু মারুফা জান্নাত মাহি (সাড়ে চার মাস) চট্টগ্রামের বন্দর এলাকা থেকে উদ্ধার
- 📌 অভিযুক্ত দম্পতি: মো. আলম ওরফে নুরুল আলম (৩০) ও তাঁর স্ত্রী ত্রিশা ওরফে মারিয়া ওরফে সানজিদা আক্তার তিশা (২৫)
- 📌 ঘটনার সময়কাল: ২১ আগস্ট থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত
- 📌 মুক্তিপণ হিসেবে দুই লাখ টাকা দাবি ও হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছিল
- 📌 ঘটনায় নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার দক্ষিণ হালামীপাড়া গ্রামের মো. রশিদ উল্লাহ ও ইয়াসমিন আক্তার দম্পতির মেয়ে মারুফা জান্নাত মাহি গত ২১ আগস্ট তাঁর মা-বাবার সঙ্গে নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের ইসলামপুর এলাকায় মারুফার ফুফু খালেদা বেগম ও ফুফা শফি উল্লাহর বাড়িতে বেড়াতে যান। সেখানে অভিযুক্ত নুরুল আলম ও তাঁর স্ত্রী ত্রিশার সঙ্গে তাঁদের পরিচয় হয়। পরদিন বিকেল ৫টার দিকে ত্রিশা পাশের ঘরে মোবাইল ফোন চার্জ দেওয়ার কথা বলে শিশুটিকে কোলে নিয়ে বের হন। দীর্ঘ সময় পার হলেও তিনি আর ফিরে আসেননি।
পরিবারের সদস্য ও স্বজনেরা খোঁজাখুঁজি করেও শিশুসহ ওই দম্পতির কোনো সন্ধান পাননি। র্যাবের তথ্যমতে, ২৬ আগস্ট দুটি মোবাইল নম্বর থেকে শিশুটির মায়ের কাছে ফোন করে দুই লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। টাকা না দিলে শিশুটিকে মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১-২ জনকে আসামি করে ২৬ আগস্ট নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।
"গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম নগরের বন্দর এলাকায় অভিযান চালিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় মামলার এজাহারভুক্ত ৩ ও ৪ নম্বর আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।"
র্যাব-৭-এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম নগরের বন্দর এলাকায় অভিযান চালিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় মামলার এজাহারভুক্ত ৩ ও ৪ নম্বর আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের এবং উদ্ধার হওয়া শিশুটিকে নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম নগরের বন্দর এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মারুফা জান্নাত মাহি (শিশু), মো. আলম ওরফে নুরুল আলম, ত্রিশা ওরফে মারিয়া
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: দুই লাখ টাকা (মুক্তিপণ), ৩১ আগস্ট রাত ১১টা (উদ্ধার সময়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!