📌 স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কর্মীদের অযোগ্য ঘোষণার ইসির প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছে জামায়াত। দলটির দাবি, এমন প্রস্তাব অসাংবিধানিক ও বৈষম্যমূলক। নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব নিয়োগ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে দলটি
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কর্মীদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের অযোগ্য ঘোষণার ইসির প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছে জামায়াতে ইসলামী। দলটির দাবি, এমন প্রস্তাব অসাংবিধানিক ও বৈষম্যমূলক। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব সামসুল আলমের নিয়োগ বাতিলের দাবি জানিয়েছে জামায়াত।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কর্মীদের অযোগ্য ঘোষণার ইসির প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছে জামায়াত
- 📌 দলটির দাবি, প্রস্তাবটি অসাংবিধানিক ও বৈষম্যমূলক
- 📌 নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব সামসুল আলমের নিয়োগ বাতিল চেয়েছে জামায়াত
- 📌 স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পদধারী ও প্রশাসকদেরও অযোগ্য ঘোষণার দাবি দলটির
- 📌 জামায়াতের নেতারা নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে ৯ দফা দাবি তুলে ধরেন
📰 বিস্তারিত
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কর্মীদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের অযোগ্য ঘোষণার ইসির প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছে জামায়াতে ইসলামী। দলটির দাবি, এমন প্রস্তাব অসাংবিধানিক ও বৈষম্যমূলক। নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব সামসুল আলমের নিয়োগ বাতিলের দাবিও জানিয়েছে জামায়াত। দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরা সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন, কিন্তু ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না — এমন বৈষম্যমূলক প্রস্তাব গ্রহণযোগ্য নয়।’
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পদধারী এবং বিভিন্ন স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত প্রশাসকদেরও নির্বাচনে অংশগ্রহণের অযোগ্য ঘোষণার দাবি জানিয়েছে জামায়াত। দলটির নেতারা নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে ৯ দফা দাবি তুলে ধরেন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ইসির প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন, কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ, আনোয়ারুল ইসলাম সরকার ও ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
জামায়াত নেতা মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘ক্ষমতায় দলীয় সরকার থাকায় নির্বাচন কমিশনের ওপর চাপ রয়েছে। ইসির অসহায়ত্ব স্পষ্ট।’ তিনি আরও বলেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচনী আইন সংশোধন করে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কর্মীদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের অযোগ্য ঘোষণা করার প্রস্তাব গ্রহণযোগ্য নয়।’
‘সুদীর্ঘকাল থেকে বাংলাদেশে সকল নির্বাচনে তারা অংশ নিতে পারে, রাজনীতি করতে পারে, ভোট দিতে পারে। ইভেন সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও এমপিওভুক্ত অনেক প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকেরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। রহস্যজনক কারণে কমিশন নিজেরাই একটা বৈঠক করে সরকারের কাছে সুপারিশ পাঠিয়েছেন এমপিওভুক্ত কোনো শিক্ষক স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নির্বাচন কমিশন ভবন, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিয়া গোলাম পরওয়ার (জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেল)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ দফা দাবি, বৈঠকের সময়কাল ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!