📌 রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার যুবদল নেতা শাহীন আলমের বিরুদ্ধে ঋণ পরিশোধ না করার কারণে পাঁচটি মামলায় আদালত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছে। পুলিশের অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না। শাহীন আলম দাবি করেন, তিনি অর্ধেক টাকা আদালতে জমা দিয়েছেন।
রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার যুবদল নেতা শাহীন আলমের বিরুদ্ধে ঋণ পরিশোধ না করার কারণে পাঁচটি মামলায় আদালত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করেছে। সাজা থাকা সত্ত্বেও তিনি প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন এবং পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করতে ব্যর্থ হচ্ছে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক প্রভাবের দাবি উঠেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 শাহীন আলমের বিরুদ্ধে ঋণ পরিশোধ না করার কারণে পাঁচটি মামলায় আদালত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করেছে
- 📌 প্রথম মামলায় (সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১) শাহীন আলমকে **১ বছর কারাদণ্ড** ও **২১ লাখ ৮৬ হাজার ২৪১ টাকা** অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে
- 📌 দ্বিতীয় মামলায় (যোগ্ম মহানগর দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালত) **১ বছর কারাদণ্ড** ও **২০ লাখ টাকা** অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে
- 📌 তৃতীয় মামলায় (জেলা যোগ্ম জজ প্রথম আদালত) **৬ মাস কারাদণ্ড** ও **৫ লাখ ৮০ হাজার ৩৪১ টাকা** অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে
- 📌 চতুর্থ মামলায় (রাজশাহীর অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত-৪) **৬ মাস কারাদণ্ড** ও **২ লাখ ৩১ হাজার ৩৮৬ টাকা** অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে
- 📌 পঞ্চম মামলায় (মোহনপুর থানার হত্যাচেষ্টার মামলা) **২ বছর কারাদণ্ড** দেওয়া হয়েছে
- 📌 পুলিশের দাবি, শাহীন আলমকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে, কিন্তু রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না
- 📌 শাহীন আলম দাবি করেন, তিনি অর্ধেক টাকা আদালতে জমা দিয়েছেন এবং জামিনে আছেন
- 📌 মোহনপুর থানার ওসি মিজানুর রহমানের সাথে শাহীন আলমের দেখা গেছে, কিন্তু পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করতে ব্যর্থ হয়েছে
📰 বিস্তারিত
রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার কেশরহাট পৌর যুবদলের আহ্বায়ক শাহীন আলমের বিরুদ্ধে ঋণ পরিশোধ না করার কারণে পাঁচটি মামলায় আদালত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করেছে। এই মামলাগুলো ইসলামী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ কর্তৃক দায়ের করা হয়েছে। শাহীন আলমের বিরুদ্ধে প্রথম মামলায় রাজশাহীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১-এর বিচারক শাহীন আলমকে **১ বছর কারাদণ্ড** ও **২১ লাখ ৮৬ হাজার ২৪১ টাকা** অর্থদণ্ড প্রদান করেছেন।
যোগ্ম মহানগর দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের আরেকটি মামলায় (মামলা নম্বর ২৯৮/১৮) শাহীন আলমের **১ বছর কারাদণ্ড** ও **২০ লাখ টাকা** অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জেলা যোগ্ম জজ প্রথম আদালতের আরেকটি মামলায় (মামলা নম্বর ৮১৮/২০) শাহীন আলমের **৬ মাস কারাদণ্ড** ও **৫ লাখ ৮০ হাজার ৩৪১ টাকা** অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। রাজশাহীর অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত-৪-এর একটি মামলায় (মামলা নম্বর ৮০৫/২০) শাহীন আলমের **৬ মাস কারাদণ্ড** ও **২ লাখ ৩১ হাজার ৩৮৬ টাকা** অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মোহনপুর থানার একটি হত্যাচেষ্টার মামলায় শাহীন আলমের **২ বছর কারাদণ্ড** দেওয়া হয়েছে। এই সাজা থাকা সত্ত্বেও শাহীন আলম প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। ৪ সেপ্টেম্বর মোহনপুর থানার ওসি মিজানুর রহমানের পাশে তাঁকে দেখা গেছে। অভিযোগ উঠেছে যে, রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে পুলিশ শাহীন আলমকে গ্রেপ্তার করছে না।
মোহনপুর থানায় শাহীন আলমের দেখা গেছে ওসির টেবিলে আড্ডা দিতে এবং চা খেতে। ওসি মিজানুর রহমান জানান, পুলিশ শাহীন আলমকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছে। কিন্তু রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হচ্ছে না। শাহীন আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানা যায়, তিনি দাবি করেন যে, ব্যাংকের পাওনা টাকার অর্ধেক তিনি আদালতে জমা দিয়েছেন। তিনি জামিনে আছেন কি না জানতে চাইলে বিষয়টি এড়িয়ে যান।
"আমরা শাহীনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছি। এ বিষয়ে যুবদল নেতা শাহীন আলমের সঙ্গেও মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হয়। তিনি দাবি করেন, ব্যাংকের পাওনা টাকার অর্ধেক তিনি আদালতে জমা দিয়েছেন। তাই এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ না করার অনুরোধ জানান।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহী, মোহনপুর উপজেলা, কেশরহাট পৌর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শাহীন আলম (যুবদল নেতা), মিজানুর রহমান (মোহনপুর থানার ওসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫টি মামলা, ১+২+৬+৬+২=২১ মাস কারাদণ্ড, সর্বমোট ৫০ লাখ টাকার অধিক অর্থদণ্ড
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!