📌 পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে গুলিতে নিহত বাংলাদেশি রমজান আলী (৫২) এর লাশ দেশে আনা হয়েছে। তিনি মা-বাবার কবরের পাশে দাফন করা হয়। মৃত্যুর আগে দেশে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন রমজান, কিন্তু হামলায় তার সেই সুযোগ হারিয়ে যায়
পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত বাংলাদেশি রমজান আলী (৫২) এর লাশ গত শুক্রবার চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে দেশীয় কবরস্থানে মা-বাবার কবরের পাশে দাফন করা হয়েছে। রমজান পাকিস্তানে কর্মরত থাকাকালীন গুলিতে মৃত্যুবরণ করেন। তার পরিবার জানায়, মৃত্যুর কিছুদিন আগে তিনি দেশে ফেরার প্রক্রিয়া শুরু করেছিলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে গুলিতে নিহত বাংলাদেশি রমজান আলী (৫২) এর লাশ গত শুক্রবার সীতাকুণ্ডে দেশে আনা হয় এবং মা-বাবার কবরের পাশে দাফন করা হয়
- 📌 রমজান পিশিন জেলার জিয়ারত ক্রস এলাকায় কাস্টম হাউসে নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কাজ করতেন এবং গত ৩১ আগস্টের হামলায় নিহত হন
- 📌 মৃত্যুর পাঁচ দিন আগে তিনি বোন মঞ্জুরা বেগমকে বলেছিলেন, ‘আতঙ্কে আছি, দেশে চলে যাব’
- 📌 রমজান ১৯৮৯ সালে ১৮ বছর বয়সে পাকিস্তানে চলে যান এবং একাই থাকতেন
- 📌 পাকিস্তানের বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মকর্তারা রমজানের লাশ দেশে পাঠানোর জন্য অনাপত্তিপত্র পেয়ে রাতেই লাশ পাঠানোর ব্যবস্থা করেন
📰 বিস্তারিত
রমজান আলী পাকিস্তানের বেলুচিস্তানের পিশিন জেলার জিয়ারত ক্রস এলাকায় কাস্টম হাউসে নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত ৩১ আগস্ট রাতে সেখানে সমন্বিত সন্ত্রাসী হামলায় ছয়জন নিহত হন, যার মধ্যে পাঁচজন নিরাপত্তাকর্মী ও একজন কাস্টমস কর্মকর্তা ছিলেন। পাল্টা অভিযানে ১০ হামলাকারী নিহত হয়। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডনও এই তথ্য প্রকাশ করেছে।
রমজানের পরিবারের সদস্যরা জানান, তিনি ১৯৮৯ সালে ১৮ বছর বয়সে পাকিস্তানে চলে যান এবং একাই থাকতেন। মৃত্যুর কিছুদিন আগে তিনি দেশে ফেরার প্রক্রিয়া শুরু করেছিলেন। তার ছোট বোন মঞ্জুরা বেগম প্রথম আলোকে বলেন, রমজান মৃত্যুর পাঁচ দিন আগে তার সঙ্গে কথা বলেছিলেন এবং বলেছিলেন, ‘আমার ভাই বলেন, “বোন, এখানে কয়েক দিন ধরে ভয়ংকর গোলাগুলি হচ্ছে। থেমে থেমে গুলি চলে। আতঙ্কে আছি, থাকব না এখানে, দেশে চলে যাব”।’
গত বৃহস্পতিবার রাতে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে রমজানের লাশ পাকিস্তান থেকে ঢাকায় আনা হয় এবং পরে অ্যাম্বুলেন্সে করে সীতাকুণ্ডের বাড়িতে নেওয়া হয়। মঞ্জুরা বেগম বলেন, ‘পাকিস্তানে বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তাদের পরিশ্রমে ভাইকে শেষবারের মতো দেখার সুযোগ হয়েছে, তাঁদের কাছে আমরা কৃতজ্ঞ’।
"বোন, এখানে কয়েক দিন ধরে ভয়ংকর গোলাগুলি হচ্ছে। থেমে থেমে গুলি চলে। আতঙ্কে আছি, থাকব না এখানে, দেশে চলে যাব।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম (দাফন), ঢাকা (লাশ আনা), পিশিন জেলা, বেলুচিস্তান, পাকিস্তান
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রমজান আলী (৫২), মঞ্জুরা বেগম, বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মকর্তা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫২ বছর বয়স, ৩১ আগস্ট (হামলার তারিখ), ১০ জন হামলাকারী, ১৮ বছর (পাকিস্তানে যাওয়ার বয়স)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!