📅 ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে গর্ভবতী মায়েদের শিশু বিক্রির অন্ধকার লেনদেন: পুলিশ তদন্তে জড়িয়ে পড়েছে ৪টি ঘটনা

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে গর্ভবতী মায়েদের শিশু বিক্রির অন্ধকার লেনদেন: পুলিশ তদন্তে জড়িয়ে পড়েছে ৪টি ঘটনা

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় গত তিন বছরে চারটি শিশু বিক্রির ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সর্বশেষ ২ সেপ্টেম্বর জন্ম নেওয়া একটি নবজাতককে ৬০ হাজার টাকা দামে বিক্রি করা হয়। পুলিশ তদন্তে জড়িয়ে পড়েছে এই অন্ধকার লেনদেনের পিছনে জড়িত ব্যক্তিদের

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় গর্ভে থাকা অবস্থায় চারটি শিশু বিক্রির অন্ধকার লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, গত তিন বছরে এই এলাকায় মোট চারটি শিশুকে গর্ভবতী অবস্থায় বিক্রি করা হয়েছে। সর্বশেষ ২ সেপ্টেম্বর জন্ম নেওয়া একটি নবজাতককে ৬০ হাজার টাকা দামে বিক্রি করা হয়। পুলিশ তদন্তে এই ঘটনার পিছনে জড়িত ব্যক্তিদের সন্ধান করছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 কটিয়াদী উপজেলার উত্তর চরপুক্ষিয়া গ্রামে গর্ভে থাকা অবস্থায় চারটি শিশু বিক্রির ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সর্বশেষ ২ সেপ্টেম্বর জন্ম নেওয়া একটি নবজাতককে ৬০ হাজার টাকা দামে বিক্রি করা হয়।
  • 📌 জাকির মিয়া ও ফারজানা আক্তার দম্পতির নবজাতককে পাকুন্দিয়া উপজেলার মঠখোলা এলাকায় বিক্রি করা হয়। জাকির মিয়া দাবি করেন, তিনি এই লেনদেনের অজান্তে ছিলেন।
  • 📌 অভিযোগে জড়িত মঙ্গলা বেগম নামের এক নারীকে দালাল হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়েছে। স্থানীয়রা দাবি করেন, তিনি এই লেনদেনের পিছনে প্রধান ব্যক্তি।
  • 📌 অভিযোগের পর অভিযুক্ত পরিবারগুলো গ্রাম ছেড়ে চলে গেছে। স্থানীয়রা জানান, চারটি শিশুর মধ্যে দুটি ২ লাখ টাকা করে বিক্রি করা হয়েছে।
  • 📌 কটিয়াদী মডেল থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেছেন, অভিযোগের তদন্ত চলছে এবং এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করা হয়েছে।

📰 বিস্তারিত

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের উত্তর চরপুক্ষিয়া গ্রামে গর্ভে থাকা অবস্থায় চারটি শিশু বিক্রির ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। সর্বশেষ ২ সেপ্টেম্বর জন্ম নেওয়া জাকির মিয়া ও ফারজানা আক্তার দম্পতির নবজাতককে ৬০ হাজার টাকা দামে বিক্রি করা হয়। স্থানীয়রা জানান, এই ঘটনায় জড়িত মঙ্গলা বেগম নামের এক নারীকে দালাল হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

জাকির মিয়া দাবি করেন, তিনি এই লেনদেনের অজান্তে ছিলেন। তার স্ত্রী ফারজানা আক্তার দাবি করেন, তিনি সংসারের সংকটের কারণে এই লেনদেন করেছেন। তবে পরে তিনি থানায় অভিযোগ করেছেন। জাকির মিয়া জানান, তিনি জানতে পারেননি যে শিশুটিকে আরও বেশি টাকা দামে অন্যত্র বিক্রি করা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা জামাল উদ্দিন বলেন, ‘এই এলাকায় মাত্র তিন বছরের মধ্যে চারটি শিশু বিক্রির ঘটনা ঘটেছে। সবশেষ ২ সেপ্টেম্বর জাকিরের স্ত্রী ফারজানা তাঁর স্বামীকে না জানিয়ে নবজাতক বিক্রি করে দিয়েছেন।’ স্থানীয়রা দাবি করেন, প্রথমে বিক্রি করা শিশুগুলো পরে আরও বেশি দামে অন্যত্র বিক্রি করা হয়েছে।

"আমি তার বিচার চাই। সুস্থ বিবেক থাকলে কেউ নিজের সন্তান অন্যের হাতে তুলে দিতে পারে না।"

জাকির হোসেনের ছোট ভাই মোহাম্মদ রাসেল বলেছেন। তিনি জানান, তার ভাই মাদকাসক্ত হয়ে পড়েছেন এবং এই ঘটনায় তিনি তার বিচার চান।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কটিয়াদী উপজেলা, কিশোরগঞ্জ; উত্তর চরপুক্ষিয়া গ্রাম, জালালপুর ইউনিয়ন
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জাকির মিয়া, ফারজানা আক্তার, মঙ্গলা বেগম, জামাল উদ্দিন, মোহাম্মদ রাসেল, রফিকুল ইসলাম (ওসি)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০ হাজার টাকা (নবজাতক বিক্রির দাম), ২ লাখ টাকা (দুটি শিশু বিক্রির দাম), ২ সেপ্টেম্বর (শেষ ঘটনার তারিখ), ৬ সেপ্টেম্বর (অভিযোগ দায়েরের তারিখ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖