📌 পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া থানায় পুলিশ গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে হরিণের মাংস পাচারের অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে। উদ্ধার করা হয় প্রায় ২০ কেজি হরিণের মাংস
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া থানায় পুলিশের গোপন অভিযানে হরিণের মাংস পাচারের অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার সন্ধ্যা ৭টায় বহেরাতলা এলাকায় মোটরসাইকেলে যাত্রারত সন্দেহভাজনদের আটক করা হয়। অভিযান পরিচালনা করে প্রায় ২০ কেজি হরিণের মাংস উদ্ধার করা হয়, যা পাচারের উদ্দেশ্যে ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া থানায় বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে গ্রেপ্তার ২ জন: সোহাগ হোসেন (৪০) ও মিরাজুল ইসলাম (৩৮)
- 📌 মোটরসাইকেলে যাত্রারত অবস্থায় গ্রেপ্তার; ব্যাগে উদ্ধার ২০ কেজি হরিণের মাংস
- 📌 অভিযান পরিচালনা: মঠবাড়িয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. হৃদয় চাকলাদার
- 📌 ঘটনাস্থলে সাক্ষীদের সামনে মাংস জব্দ; মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে
📰 বিস্তারিত
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া থানার পৌরসভার বহেরাতলা এলাকায় বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে পুলিশের একটি দল গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান পরিচালনা করেন উপপরিদর্শক (এসআই) মো. হৃদয় চাকলাদার। অভিযানকালে মোটরসাইকেলে যাত্রারত সন্দেহভাজন দুজনকে আটক করা হয়। তাদের সঙ্গে থাকা ব্যাগে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ২০ কেজি হরিণের মাংস উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে উদ্ধারকৃত মাংস জব্দ করে দুজনকে থানায় নেওয়া হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের পরিচয় জানা যায়, সোহাগ হোসেন বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার কাঁঠালতলী গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে এবং মিরাজুল ইসলাম বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার মাছকাটা গ্রামের মো. শাহজাহানের ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এই দুজনকে হরিণের মাংস পাচারের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মঠবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মোটরসাইকেলে করে হরিণের মাংস পাচারের সময় তাদের হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে এবং গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে বলেও তিনি জানান।
"মোটরসাইকেলে করে হরিণের মাংস পাচারের সময় তাদের হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পিরোজপুর, মঠবাড়িয়া থানা, বহেরাতলা এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সোহাগ হোসেন (৪০), মিরাজুল ইসলাম (৩৮), উপপরিদর্শক (এসআই) মো. হৃদয় চাকলাদার, ওসি রবিউল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ কেজি (হরিণের মাংস), ২ জন (গ্রেপ্তার), ৪০ বছর (সোহাগ হোসেন), ৩৮ বছর (মিরাজুল ইসলাম)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!