📌 তাহসিফ সাউরির হত্যার মামলায় আদালত জামানত নামঞ্জুর করে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বলেছেন, শেখ হাসিনার পালানোর ভিডিও ছাড়া তার গোপন পালানোর পথ অজানা থাকত। আসামি জামানতের দাবিতে দাবি করেছেন, তাহসিফের সঙ্গে তাদের কোনো বিরোধ ছিল না
বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা কে এম তাহসিফ সাউরির হত্যার মামলায় জামানতের শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ঢাকা মহানগর পিপি ওমর ফারুক ফারুকী বলেছেন, শেখ হাসিনার দেশত্যাগের ভিডিও ছাড়া তার পালানোর পথ অজানা থাকত। তিনি উল্লেখ করেছেন, তাহসিফের সাহসিকতার ভিডিও ছাড়া শেখ হাসিনার পালানোর ঘটনাটি রহস্যবাদী থেকে যায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মঞ্জুরুল ইসলাম জামানত নামঞ্জুর করে তাহসিফ হত্যার মামলার আসামি জেরিকা তাসনিম দিশাকে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।
- 📌 রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী দাবি করেছেন, তাহসিফের ভিডিও ছাড়া শেখ হাসিনার পালানোর পথ অজানা থাকত এবং তার মৃত্যুর পেছনে ষড়যন্ত্রের সম্ভাবনা রয়েছে।
- 📌 আসামি দিশা ও দ্বীপের সঙ্গে তাহসিফের সম্পর্ক নিয়ে তদন্ত চলছে; রাষ্ট্রপক্ষ আরও সাত দিনের রিমান্ড চেয়েছে।
- 📌 আসামির পক্ষের আইনজীবী ইমাম হোসেন জাবেদ দাবি করেছেন, তাহসিফ ও দিশার মধ্যে কোনো বিরোধ ছিল না এবং রাত ১২টার পর তাদের কোনো যোগসূত্র ছিল না।
- 📌 তাহসিফের মৃত্যুর আগের রাতে তিনি দিশাকে নিরাপদে বাসায় পৌঁছে দিয়েছিলেন বলে দাবি করেছেন আসামির পক্ষ।
📰 বিস্তারিত
মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মঞ্জুরুল ইসলাম আদেশ দেন। আদালতে শুনানিকালে রিমান্ডের সপক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করতে গিয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশত্যাগের ভিডিও তাহসিফ ক্যামেরাবন্দী করেছিলেন। তিনি এই ভিডিও ছাড়া শেখ হাসিনার পালানোর পথ অজানা থাকত। তাহসিফের মৃত্যুর পেছনে ষড়যন্ত্রের সম্ভাবনা রয়েছে বলে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী দাবি করেছেন।
তাহসিফের মৃত্যুর আগের রাতে তিনি দিশা ও দ্বীপের সঙ্গে ছিলেন। ওই রাতে দিশাকে নিয়ে তাহসিফ ‘নেস্ট বার অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট’ ও ‘সিপি ফাইভ স্টার’ রেস্তোরাঁয় যান। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততা পাওয়ায় তাদের গ্রেপ্তার করে প্রথম দফায় রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল। তবে রাষ্ট্রপক্ষের দাবি, আসামি এখনো অনেক তথ্য গোপন করছেন। ঘটনার রহস্য উন্মোচনে দিশাকে আরও সাত দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জোর আবেদন জানান পিপি ওমর ফারুক ফারুকী।
অসামির পক্ষের আইনজীবী ইমাম হোসেন জাবেদ দাবি করেছেন, তাহসিফ ও দিশা পূর্বপরিচিত ছিলেন। ঘটনার দিন রাতে রেস্তোরাঁয় সময় কাটানোর পর রাত ১২টার দিকে তাহসিফ নিজেই দিশাকে নিরাপদে বাসায় নামিয়ে দিয়ে যান। তিনি দাবি করেছেন, যদি তাদের মধ্যে কোনো বিরোধ বা সম্পর্কের টানাপোড়েন থাকত, তাহসিফ নিজে গিয়ে তাঁকে বাসায় পৌঁছে দিতেন না। আসামিপক্ষের আইনজীবী আরও উল্লেখ করেছেন, মামলার বাদীর এজাহার অনুযায়ী রাত ১টার দিকে তাহসিফকে ফোনে বাসায় ফেরার তাগিদ দিলে তিনি আধা ঘণ্টার মধ্যে ফিরছেন বলে পরিবারকে জানিয়েছিলেন। সিসিটিভি ফুটেজে শুধু একসঙ্গে দেখার বাইরে রাত ১২টার পর দিশার সঙ্গে তাহসিফের আর কোনো যোগসূত্র ছিল না বলে দাবি করেছেন তিনি।
"তাহসিফের ভিডিও ছাড়া শেখ হাসিনার পালানোর পথ অজানা থাকত। এই ভিডিও ফাঁসের জেরে কোনো ষড়যন্ত্রমূলক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে তিনি হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন কি না, নাকি এর পেছনে কোনো প্রেমঘটিত কারণ রয়েছে—সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (মেট্রোপলিটন আদালত), তুরাগ নদী (রাজাবাড়ী ঘাট), টঙ্গী (মাজার বস্তি)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কে এম তাহসিফ সাউরি, জেরিকা তাসনিম দিশা, ঢাকা মহানগর পিপি ওমর ফারুক ফারুকী, ম্যাজিস্ট্রেট মঞ্জুরুল ইসলাম, ইমাম হোসেন জাবেদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ০৫ নভেম্বর, ২০২৬; ০৭:৫৫ এএম; ৩০ অক্টোবর; ২৭ অক্টোবর; ২৮ অক্টোবর; ১২ টা; ১ টা; ৩ দিনের রিমান্ড
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!