📌 তেঁতুলিয়ায় শীতকালে পর্যটকদের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় স্থানীয় বাড়ির অব্যবহৃত রুমগুলো হোমস্টে হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ৫০০ থেকে ২ হাজার টাকার মধ্যে রুম ভাড়া দেওয়া হচ্ছে। প্রশাসন প্রশিক্ষণ ও পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে।
তেঁতুলিয়া চা-বাগানের সবুজ কার্পেটে মোড়ানো প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং কাঞ্চনজঙ্ঘার দৃশ্যের আকর্ষণে শীতকালে পর্যটকদের ভিড় বেড়ে যাচ্ছে। এই অঞ্চলে পর্যটন মৌসুম শুরু হলে স্থানীয় বাড়ির অব্যবহৃত রুমগুলো হোমস্টে হিসেবে পরিণত হচ্ছে, যা স্থানীয় অর্থনীতিকে নতুন মাত্রা দিচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 তেঁতুলিয়ায় শীতকালে পর্যটকদের সংখ্যা ৫-৬ গুণ বেড়ে যায়, ফলে হোমস্টে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে
- 📌 গাজীপুরের দর্শনার্থী শাকিল হোসেনের দল ৮ জন একসাথে একটি হোমস্টেতে থাকার অভিজ্ঞতা ভালো বলে মনে করছেন
- 📌 স্কুলশিক্ষক আসাদ বলেছেন, তাঁর বাড়ির অব্যবহৃত রুম পর্যটকদের ভাড়া দিয়ে নতুন অভিজ্ঞতা লাভ করছেন
- 📌 চা-বাগানের সৌন্দর্য ও কাঞ্চনজঙ্ঘার দৃশ্য পর্যটকদের আকর্ষণ করছে
- 📌 ৫০০ থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত রুম ভাড়া দেওয়া হচ্ছে
- 📌 প্রশাসন হোমস্টে পরিচালনার প্রশিক্ষণ ও গাইডলাইন দিতে চাইছে
📰 বিস্তারিত
তেঁতুলিয়া চা-বাগানের সবুজ চোখজুড়ানো দৃশ্য এবং কাঞ্চনজঙ্ঘার দৃশ্য পর্যটকদের আকর্ষণ করছে। শীতকালে এই অঞ্চলে পর্যটকদের সংখ্যা বেড়ে যায়। এই সময়ে আবাসিক হোটেল ও রিসোর্টের ধারণক্ষমতা অতিক্রম করে পর্যটকরা আসে। ফলে স্থানীয় বাড়ির অব্যবহৃত রুমগুলো হোমস্টে হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
গাজীপুরের দর্শনার্থী শাকিল হোসেনের দল কোনো আবাসিক হোটেলে সিট না পেয়ে একটি হোমস্টেতে থাকার অভিজ্ঞতা ভালো বলে মনে করছেন। তাঁরা ৮ জন একসাথে দুটি রুম নিয়ে থাকেন। শাকিল বলেছেন, “এই অভিজ্ঞতা আমাদের কাছে বেশ রোমাঞ্চকর ছিল।”
তেঁতুলিয়া ডাকবাংলোর পাশের স্কুলশিক্ষক আসাদ বলেছেন, “আমাদের বাড়ির দুটি রুম অব্যবহৃত থাকে। পর্যটন মৌসুমে তা পর্যটকদের ভাড়া দিই। এটি আমাদের নতুন অভিজ্ঞতা। পর্যটকেরা খুশি। আমাদের এলাকার অনেকে এখন তাঁদের অব্যবহৃত রুম পর্যটকদের ভাড়া দিচ্ছেন।”
চা-বাগানের অর্থনীতিতে হাজারো মানুষের কর্মসংস্থান রয়েছে। পঞ্চগড়ের হোয়াইট টি, গ্রিন টিসহ নানা ধরনের চায়ের সুনাম দেশ পেরিয়ে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়েছে। স্থানীয় মানুষের ভ্রমণের অভিজ্ঞতা থাকলেও হোমস্টে পরিচালনার অভিজ্ঞতা ও প্রশিক্ষণ নেই। ফলে পর্যটকদের সেবার মান, বাড়ির মালিক ও পর্যটকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে।
"হোমস্টে ডেটাবেইসের কাজ চলছে। হোমস্টে সেবাদাতাদের আবাসন, খাদ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে আমরা পর্যায়ক্রমে প্রশিক্ষণের পরিকল্পনা নিয়েছি"
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসাইন বলেছেন। তিনি বলেন, সরকারের সঠিক পরিকল্পনা, যুবক ও নারীদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে হাজারো মানুষের কর্মসংস্থান এবং পরিবেশবান্ধব পর্যটন গড়ে তুলতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: তেঁতুলিয়া, চা-বাগান, কাঞ্চনজঙ্ঘা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শাকিল হোসেন, স্কুলশিক্ষক আসাদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসাইন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০০ টাকা থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত রুম ভাড়া
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!