📌 যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের স্টেট সিনেটের ৫ নম্বর আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শেখ মুজাহিদুর রহমান। তিনি ডেমোক্র্যাটিক পার্টির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ৩৫ হাজার ভোট পেয়ে জয়ী হন। কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য হিসেবে তিনি ইতিহাস রচন করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের স্টেট সিনেটের ৫ নম্বর আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শেখ মুজাহিদুর রহমান। ডেমোক্র্যাটিক পার্টির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে তিনি জর্জিয়া স্টেট সিনেটর পদে পুনরায় নির্বাচিত হন। নির্বাচনী ফলাফলে তার নামে ৩৫ হাজার ভোট দেখানো হয়েছে। শেখ রহমান, যিনি সাধারণত শেখ রহমান নামে পরিচিত, এই অর্জনে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীদের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জর্জিয়া স্টেট সিনেটের ৫ নম্বর আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন শেখ মুজাহিদুর রহমান
- 📌 ৩৫ হাজার ভোট পেয়ে তিনি ডেমোক্র্যাটিক পার্টির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে জয়ী হন
- 📌 ১৯৮১ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রে থাকা শেখ রহমান জর্জিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবসায় প্রশাসনে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন
- 📌 ২০১৮ সাল থেকে তিনি জর্জিয়া স্টেট সিনেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন
- 📌 কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা নজিবুর রহমানের ছেলে শেখ রহমান
- 📌 গত ১৯ মে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রাথমিক নির্বাচনে রবিন ম্যাককয়কে পরাজিত করে তিনি মনোনয়ন নিশ্চিত করেন
- 📌 ৬ হাজার ১৮৮ ভোট পেয়ে তিনি প্রাথমিক নির্বাচনে জয়ী হন
📰 বিস্তারিত
শেখ মুজাহিদুর রহমানের বাড়ি বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জ জেলার বাজিতপুর উপজেলার সরারচর গ্রামে। তিনি কিশোরগঞ্জ-৫ (বাজিতপুর-নিকলী) আসনের সংসদ সদস্য শেখ মজিবুর রহমান ইকবালের বড় ভাই। শেখ রহমানের বাবা নজিবুর রহমান ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের আগরতলায় ‘জয় বাংলা যুব শিবির’-এর ক্যাম্প সুপারভাইজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। শেখ রহমানের এই অর্জনে পরিবারের সদস্যরা বিশেষভাবে আনন্দিত। তার মা সৈয়দা হাজেরা খাতুন বলেছেন, ‘আমার ছেলে একদিন আমেরিকার রাষ্ট্রপতি হবে’।
শেখ রহমানের ছোট ভাই ও সংসদ সদস্য শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল জানান, বড় ভাইয়ের এই বিজয়ে পরিবার আনন্দিত। তারা শেখ রহমানের দেশে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন। মাসের শেষ দিকে তার বাংলাদেশে আসার কথা রয়েছে। শেখ রহমানের ভাতিজা শেখ রাফিদ রহমান বলেছেন, একজন বাংলাদেশি মুসলিম হিসেবে এই অর্জনের পথ সহজ ছিল না। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, ভবিষ্যতে শেখ রহমান আরও বড় দায়িত্বে উন্নীত হয়ে দেশের মুখ উজ্জ্বল করবেন।
শেখ মুজাহিদুর রহমান ১৯৮১ সালে উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান। তিনি জর্জিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবসায় প্রশাসনে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তিনি তিন ভাই ও চার বোনের মধ্যে দ্বিতীয়। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের নির্বাচনেও তিনি রিপাবলিকান প্রার্থী লিসা ব্যাবেজকে পরাজিত করে জর্জিয়া স্টেট সিনেটের ৫ নম্বর আসনে নির্বাচিত হয়েছিলেন।
"আমার ছেলে একদিন আমেরিকার রাষ্ট্রপতি হবে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জর্জিয়া অঙ্গরাজ্য (যুক্তরাষ্ট্র), কিশোরগঞ্জ (বাংলাদেশ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শেখ মুজাহিদুর রহমান, সৈয়দা হাজেরা খাতুন, শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল, শেখ রাফিদ রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৫ হাজার (ভোট), ৬ হাজার ১৮৮ (প্রাথমিক নির্বাচনে ভোট), ৫ নম্বর (অসন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!