📌 পাবনার বিশেষ জজ আদালত এক ব্যাংক কর্মকর্তাকে জালিয়াতি ঋণ থেকে আত্মসাৎকৃত ৯ লাখ ২৪ হাজার ৮ টাকা ফেরত দিতে এবং ৫ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেছেন। মামলায় অন্য দুই কর্মকর্তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে
পাবনা জেলার একটি অর্থ আত্মসাৎ মামলায় বিশেষ জজ আদালত ৫ বছরের কারাদণ্ড এবং আত্মসাৎকৃত অর্থ ফেরত দিতে নির্দেশ দিয়েছেন। বুধবার (২৮ অক্টোবর) পাবনার বিশেষ জজ আদালতের বিচারক আবু সালেহ্ মো. সালাহ্উদ্দিন খাঁ সিনিয়র কেন্দ্র ব্যবস্থাপক সৈয়দ আব্দুল্লাহ আল মামুনকে এই সাজা প্রদান করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পাবনার বিশেষ জজ আদালত সৈয়দ আব্দুল্লাহ আল মামুনকে ৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন জালিয়াতি ঋণ থেকে আত্মসাৎ টাকার মামলায়
- 📌 আদালত আত্মসাৎকৃত ৯ লাখ ২৪ হাজার ৮ টাকা ফেরত দিতে নির্দেশ দিয়েছে
- 📌 মামলায় অন্য দুই কর্মকর্তা সৈয়দ নজরুল ইসলাম ও আনোয়ার হোসেনকে খালাস দেওয়া হয়েছে
- 📌 মামলা দায়ের হয়েছিল ২০১৯ সালের ২৪ জানুয়ারি সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ থানায়
📰 বিস্তারিত
বিশেষ জজ আদালতের বিচারক আবু সালেহ্ মো. সালাহ্উদ্দিন খাঁ দীর্ঘ শুনানির পর রায় দিয়েছেন। মামলায় অভিযোগ ছিল, সিনিয়র কেন্দ্র ব্যবস্থাপক সৈয়দ আব্দুল্লাহ আল মামুন, সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং শাখা ব্যবস্থাপক আনোয়ার হোসেন ২০০৯ সালের আগস্ট থেকে ২০১৪ সালের এপ্রিল পর্যন্ত জালিয়াতি ঋণ বিতরণ করে টাকা আদায় করতেন। এই টাকাগুলো কালেকশন শিটে অন্তর্ভুক্ত না করে ব্যাংকে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করতেন তারা।
দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত পাবনা জেলা কার্যালয়ের তৎকালীন উপসহকারী পরিচালক সাইদুর রহমান বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছিলেন। সাক্ষীদের সাক্ষ্য ও প্রমাণ যাচাই করে আদালত সৈয়দ আব্দুল্লাহ আল মামুনকে দোষী সাব্যস্ত করে সাজা প্রদান করেছে। অন্যদুজ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের মামলা থেকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
"২০০৯ সালের আগস্ট থেকে ২০১৪ সালের এপ্রিল পর্যন্ত তারা পরস্পর যোগসাজশে জালিয়াতি ঋণ বিতরণ করে টাকা আদায় করতেন এবং কালেকশন শিটে অন্তর্ভুক্ত না করে ব্যাংকে জমা না দিয়ে আত্মসাৎ করতেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পাবনা জেলা, সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ থানা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সৈয়দ আব্দুল্লাহ আল মামুন, বিচারক আবু সালেহ্ মো. সালাহ্উদ্দিন খাঁ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ বছর কারাদণ্ড, ৯ লাখ ২৪ হাজার ৮ টাকা আত্মসাৎ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!