📌 ব্রাজিলের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ফ্লাভিও বলসোনারো ও তার পরিবার ব্রাজিলের নির্বাচন পরাজয় ও সুপ্রিম কোর্টের পাসপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশের বিরুদ্ধে পালিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি যাচ্ছেন। মার্কিন সরকার তাদের প্রবেশের ভিসা অনুমোদন করেছে
ব্রাজিলের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ফ্লাভিও বলসোনারো ও তার পরিবার ব্রাজিলের নির্বাচন পরাজয় ও সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের বিরুদ্ধে পালিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি যাচ্ছেন। স্থানীয় সময় বুধবার (২৮ অক্টোবর) তাঁদের বহনকারী বিমানটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার মায়ামি ওপা-লক্কা বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। মার্কিন সরকার তাদের প্রবেশের ভিসা অনুমোদন করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ব্রাজিলের নির্বাচনে পরাজিত হয়ে ফ্লাভিও বলসোনারো ও তার পরিবার (স্ত্রী ও দুই মেয়ে) ব্রাজিল ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি যাচ্ছেন।
- 📌 ব্রাজিলের রাজধানী ব্রাসিলিয়া থেকে সড়কপথে ১৯ ঘণ্টার দূরত্বে অবস্থিত আর্জেন্টিনার তানক্রেদো নেভেস আন্তর্জাতিক সেতু দিয়ে তারা আর্জেন্টিনায় প্রবেশ করেন।
- 📌 ইকুয়েডরের গুয়ায়াকিলে একটি ব্যক্তিগত গালফস্ট্রিম জি৪০০ উড়োজাহাজে সওয়ার হয়ে তারা যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে যাত্রা করেন।
- 📌 মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফ্লাভিওর যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার বিষয়ে সমর্থন জানিয়েছেন।
- 📌 ব্রাজিলের বর্তমান প্রেসিডেন্ট লুলা দা সিলভার অভিযোগ করেছেন, ওয়াশিংটন ফ্লাভিওর পরিবারকে আবার ক্ষমতায় ফেরাতে সহায়তা করছে।
- 📌 ফ্লাভিওর বাবা জাইর বলসোনারো ২০২২ সালে নির্বাচন পরাজয় মেনে না নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান এবং পরে ২৭ বছরের কারাদণ্ড পান।
📰 বিস্তারিত
ব্রাজিলের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ফ্লাভিও বলসোনারো ও তার পরিবার (স্ত্রী ও দুই মেয়ে) ব্রাজিলের নির্বাচন পরাজয় ও সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের বিরুদ্ধে পালিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি যাচ্ছেন। স্থানীয় সময় বুধবার (২৮ অক্টোবর) তাঁদের বহনকারী বিমানটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার মায়ামি ওপা-লক্কা বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। মার্কিন সরকার তাদের প্রবেশের ভিসা অনুমোদন করেছে।
মঙ্গলবার রাতে আর্জেন্টিনায় প্রবেশ করেন ফ্লাভিও ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা। ব্রাজিলের রাজধানী ব্রাসিলিয়া থেকে সড়কপথে প্রায় ১৯ ঘণ্টার দূরত্বে অবস্থিত তানক্রেদো নেভেস আন্তর্জাতিক সেতু দিয়ে তাঁরা আর্জেন্টিনায় প্রবেশ করেন। গত ২৫ অক্টোবর ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বামপন্থী বর্তমান প্রেসিডেন্ট লুলা দা সিলভার কাছে পরাজিত হন ফ্লাভিও। পরে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে পাসপোর্ট জমা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন তিনি।
আর্জেন্টিনার অভিবাসন বিভাগ জানায়, দেশটিতে প্রবেশের পর ফ্লাভিও ও তাঁর পরিবার বুয়েনস এইরেসভিত্তিক প্রতিষ্ঠান বায়রেস ফ্লাই পরিচালিত একটি ব্যক্তিগত বিমানে ইকুয়েডরের গুয়ায়াকিলের উদ্দেশে রওনা হন। ফ্লাইট-ট্র্যাকিং সংস্থা ফ্লাইটঅ্যাওয়ারের তথ্য অনুযায়ী, গালফস্ট্রিম জি৪০০ উড়োজাহাজটি স্থানীয় সময় বুধবার ভোরে গুয়ায়াকিলে অবতরণ করে। পরে সেটি মায়ামির ওপা-লক্কা বিমানবন্দরের উদ্দেশে যাত্রা করে। তবে ইকুয়েডরে কীভাবে প্রবেশ করেছেন ফ্লাভিও, তা স্পষ্ট নয়।
ব্রাজিল-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ফ্লাভিওর যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার ঘটনা দুই দেশের সম্পর্কে নতুন করে উত্তেজনা বাড়াতে পারে। লুলা অভিযোগ করেছেন, বলসোনারো পরিবারকে আবার ক্ষমতায় ফেরাতে ওয়াশিংটন তাদের সঙ্গে যোগসাজশ করছে।
রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্বাচনের আগে বলসোনারো পরিবারকে ক্ষমতায় ফেরানোর লক্ষ্যে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে তৎপরতা চলেছিল। ট্রাম্প এর আগে ফ্লাভিওর বাবা ও ব্রাজিলের সাবেক প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারোকে বিচারিক নিপীড়নের শিকার বলে দাবি করেছিলেন। ২০২২ সালে লুলার কাছে পরাজয় মেনে না নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে চলে গিয়েছিলেন জাইর বলসোনারো। পরে দেশে ফিরলে ব্রাসিলিয়ায় সরকারি ভবনে তাঁর সমর্থকদের হামলা এবং অভ্যুত্থানচেষ্টার ষড়যন্ত্রের অভিযোগে ২৭ বছরের কারাদণ্ড পান তিনি।
"আমি কখনো দেশ ছেড়ে যাওয়ার কথা ভাবিনি। পাসপোর্ট জমা দিয়ে এই প্রহসনের বিরুদ্ধে লড়ব।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ব্রাজিল (ব্রাসিলিয়া), আর্জেন্টিনা (বুয়েনস এইরেস), ইকুয়েডর (গুয়ায়াকিল), মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (মায়ামি)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফ্লাভিও বলসোনারো, লুলা দা সিলভার, ডোনাল্ড ট্রাম্প, জাইর বলসোনারো
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ অক্টোবর, ১৯ ঘণ্টা, ২৫ অক্টোবর, ৪০০ (গালফস্ট্রিম জি৪০০ বিমান), ২৭ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!