📌 রংপুরের শ্যামাসুন্দর খাল পুনরুদ্ধার প্রকল্পে এক বছরে মাত্র ১৮% কাজ সম্পন্ন হয়েছে। পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ জুনের মধ্যে অবশিষ্ট ৮২% কাজ শেষের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। খালের অবৈধ দখল ও বর্জ্য ফেলার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ারও ঘোষণা দিয়েছেন তিনি
রংপুরের শ্যামাসুন্দর খাল পুনরুদ্ধার প্রকল্পে এক বছরে মাত্র ১৮ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বুধবার পরিদর্শন শেষে জানান, অবশিষ্ট ৮২ শতাংশ কাজ আগামী বছরের জুনের মধ্যে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে কাজ চলছে। তিনি বলেন, প্রকল্পের তদারকি করে নিশ্চিত করতে চান যে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 শ্যামাসুন্দর খাল পুনরুদ্ধার প্রকল্পে এক বছরে মাত্র ১৮ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে
- 📌 অবশিষ্ট ৮২ শতাংশ কাজ আগামী জুনের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে
- 📌 প্রকল্পে ১৪ কোটি ৭৩ লাখ টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে, যাতে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও রংপুর সিটি করপোরেশন যুক্ত
- 📌 খালের অবৈধ দখল উচ্ছেদে কোনো ব্যক্তি, দল বা মতের বিবেচনা করা হবে না
- 📌 খালে বর্জ্য ফেলা বন্ধে সিসি ক্যামেরা স্থাপন ও জরিমানার ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা
- 📌 প্রকল্প সম্পন্ন হলে খালের পাশে ওয়াকওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে
- 📌 তিস্তা মহাপরিকল্পনার সম্ভাব্যতা যাচাই শেষ পর্যায়ে, চীন ও মালয়েশিয়ার বিশেষজ্ঞদের মতামত নেওয়ার পরিকল্পনা
📰 বিস্তারিত
বুধবার বিকেল ৫টার দিকে রংপুর নগরের ডিসির মোড় এলাকায় শ্যামাসুন্দর খাল পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘এক বছরে প্রায় ১৮ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। এখনো ৮২ শতাংশ কাজ বাকি রয়েছে। আমি এ প্রকল্পের তদারকি করতে এসেছি। খালটির কাজ যেন আগামী জুনের মধ্যে সম্পন্ন করতে পারি, সে চেষ্টা করছি।’
প্রতিমন্ত্রী জানান, শ্যামাসুন্দর খাল পুনরুদ্ধার প্রকল্পে প্রায় ১৪ কোটি ৭৩ লাখ টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। প্রকল্পে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি রংপুর সিটি করপোরেশনও অংশগ্রহণ করছে। তিনি বলেন, খালের অবৈধ দখল উচ্ছেদের বিষয়ে কোনো ব্যক্তি, দল, মত বা ধর্মের বিবেচনা করা হবে না। তিনি বলেন, ‘এই প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি যত শক্তিশালী হোক না কেন, সেগুলো উচ্ছেদ করে দেব। প্রকল্প ব্যাহত হোক না, তা আমরা বরদাশত করব না।’
খালে বর্জ্য ফেলা বন্ধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সিসি ক্যামেরা স্থাপন ও জরিমানার ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, রাতে প্লাস্টিক বেঁধে খালে ময়লা-আবর্জনা ফেলা হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ড শনাক্ত করতে সিসি ক্যামেরার সহায়তা নেওয়া হবে। কোনো বাসাবাড়ি থেকে বর্জ্য ফেলা হলে সিটি করপোরেশন বা জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে জরিমানা করা হবে।
প্রকল্প সম্পন্ন হলে খালের পাশে ওয়াকওয়ে নির্মাণের বিষয়টিও বিবেচনা করা হচ্ছে। ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, ‘রংপুরের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা, শ্যামাসুন্দর খাল আবার প্রাণ ফিরে পাবে। এ জন্য খালের পাশে ওয়াকওয়ে নির্মাণের সম্ভাবনাও বিবেচনা করছি।’
তিস্তা মহাপরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি বলেন, সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এ কাজ শেষ করে বিস্তারিত প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) তৈরি করা হবে। এ ক্ষেত্রে চীন, নেদারল্যান্ডস ও মালয়েশিয়ার বিশেষজ্ঞদের মতামত নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি বলেন, ‘তিস্তা মহাপরিকল্পনা এমনভাবে এগিয়ে নিতে চাই যাতে দীর্ঘদিন ধরে এ অঞ্চলের মানুষের দুর্ভোগ কমানো সম্ভব হয়।’
"এক বছরে প্রায় ১৮ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। এখনো ৮২ শতাংশ কাজ বাকি রয়েছে। আমি এ প্রকল্পের তদারকি করতে এসেছি। খালটির কাজ যেন আগামী জুনের মধ্যে সম্পন্ন করতে পারি, সে চেষ্টা করছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রংপুর নগর, শ্যামাসুন্দর খাল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফরহাদ হোসেন আজাদ (পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮ শতাংশ (কাজ সম্পন্ন), ৮২ শতাংশ (কাজ বাকি), ১৪ কোটি ৭৩ লাখ টাকা (ব্যয়), ৫ টা (বিকেল)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!