📌 ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) গুলিস্তানের ফুলবাড়িয়া সুপারমার্কেট সংলগ্ন ফুটপাত থেকে শতাধিক অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করেছে। অভিযানে মালামাল জব্দের পাশাপাশি আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়েছে
ঢাকার গুলিস্তান এলাকায় ফুটপাত দখলকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) আজ বুধবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ফুলবাড়িয়া সুপারমার্কেট সংলগ্ন ফুটপাত থেকে শতাধিক অবৈধ দোকান ও অবকাঠামো উচ্ছেদ করেছে। অভিযানে পে-লোডারসহ ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে দখলমুক্তকরণের কাজ সম্পন্ন করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **শতাধিক দোকান উচ্ছেদ**: ফুলবাড়িয়া সুপারমার্কেট সংলগ্ন ফুটপাত থেকে শতাধিক অবৈধ দোকান গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।
- 📌 **মালামাল জব্দ**: উচ্ছেদকৃত দোকান থেকে মালামাল ও সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
- 📌 **কঠোর আইনগত ব্যবস্থা**: নিয়ম ভঙ্গকারী হকারদের গ্রেপ্তার ও মালামাল জব্দের পাশাপাশি আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
- 📌 **অভিযানে অংশগ্রহণ**: ডিএসসিসির চারজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে শতাধিক কর্মী ও পুলিশের ছয় প্লাটুন সদস্য অংশ নেন।
- 📌 **রাস্তা পরিষ্কার রাখার লক্ষ্য**: গুলিস্তান থেকে সদরঘাট পর্যন্ত পুরো রাস্তা দখলমুক্ত রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
📰 বিস্তারিত
অভিযান পরিচালনা করেন ডিএসসিসির প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রেজাউল করিম। তিনি বলেন, ফুটপাত ও রাস্তা পরিষ্কার রাখতে সিটি করপোরেশনের নিয়মিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। হকারদের জন্য নির্দিষ্ট ফুটপাত, নৈশকালীন মার্কেট ও হলিডে মার্কেট নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে মূল সড়কে কোনোভাবেই হকার বসতে দেওয়া হবে না।
ডিএসসিসির প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম গণমাধ্যমকে বলেন, হকারদের সতর্ক করে বলা হয়েছে, রাস্তা ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া ছাড়া উপায় নেই। তিনি আরও উল্লেখ করেন, নিয়ম ভঙ্গকারী হকারদের মালামাল জব্দের পাশাপাশি প্রয়োজনে গ্রেপ্তার করা হবে। দখলমুক্তকরণ অভিযান চলমান প্রক্রিয়া হিসেবে অব্যাহত থাকবে।
অভিযানে অংশগ্রহণকারী অন্যান্য কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জোনায়েদ কবীর সোহাগ, সম্পত্তি কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাছিবা খান এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (সিনিয়র সহকারী সচিব) মো. আমিনুল ইসলাম।
"রাস্তা ও ফুটপাত পরিষ্কার রাখতে নিয়মিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। হকারদের কেবল নির্ধারিত স্থানেই বসতে দেওয়া হবে। মূল সড়কে কোনোভাবেই হকার বসতে দেওয়া হবে না।"
অভিযান চলাকালীন হকার সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক করা হয়েছে। তবে উচ্ছেদের পরও অনেকে আবার ফুটপাত দখল করতে শুরু করেছেন। এ কারণে প্রশাসক বলেছেন, আইনগত ব্যবস্থা ছাড়া দখলমুক্তকরণের কোনো উপায় নেই।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গুলিস্তান, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আবদুস সালাম, মো. রেজাউল করিম, জোনায়েদ কবীর সোহাগ, হাছিবা খান, মো. আমিনুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: শতাধিক দোকান, পুলিশের ছয় প্লাটুন সদস্য
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!