📅 ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চট্টগ্রামে নির্বাচনী গুলিবর্ষণ ও জোড়া খুন মামলায় সন্ত্রাসী ডেভিড ইমনের ৭ দিনের রিমান্ড আদেশ

চট্টগ্রামে নির্বাচনী গুলিবর্ষণ ও জোড়া খুন মামলায় সন্ত্রাসী ডেভিড ইমনের ৭ দিনের রিমান্ড আদেশ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চট্টগ্রামে বিএনপির প্রার্থী এরশাদ উল্লাহর নির্বাচনী প্রচারণায় গুলিতে একজন নিহত ও বাকলিয়া থানায় জোড়া খুন মামলায় সন্ত্রাসী ডেভিড ইমনের ৭ দিনের রিমান্ড আদালত মঞ্জুর করেছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ইমন বড় সাজ্জাদের অনুসারী হিসেবে পরিচিত এবং তার বিরুদ্ধে অন্তত ১৫টি মামলা রয়েছে

চট্টগ্রামে বিএনপির প্রার্থী এরশাদ উল্লাহর নির্বাচনী প্রচারণায় গুলিতে একজন নিহত এবং বাকলিয়া থানায় জোড়া খুন মামলায় সন্ত্রাসী ডেভিড ইমনের ৭ দিনের রিমান্ড আদেশ দিয়েছে আদালত। বুধবার পৃথক শুনানির পর চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ জারি করেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৭ দিনের রিমান্ড: বাকলিয়া জোড়া খুন ও বায়েজিদ বোস্তামী নির্বাচনী গুলিবর্ষণ মামলায় ডেভিড ইমনের রিমান্ড মঞ্জুর
  • 📌 ২ জন নিহত: বাকলিয়া থানায় গাড়িতে গুলি করে বখতিয়ার হোসেন ও আবদুল্লাহ আল রিফাত নিহত
  • 📌 ১ জন গুলিবিদ্ধ: এরশাদ উল্লাহ পায়ে গুলিবিদ্ধ হন, সঙ্গী সরোয়ার হোসেন বাবলা নিহত
  • 📌 ১৫টি মামলা: ইমনের বিরুদ্ধে অন্তত ১৫টি মামলা রয়েছে, তিনি বড় সাজ্জাদের অনুসারী
  • 📌 ৫০ জন শুটার: বড় সাজ্জাদের বাহিনীতে অন্তত ৫০ জন শুটার ও সহযোগী সক্রিয়

📰 বিস্তারিত

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এস এম আলাউদ্দিন মাহমুদ ও মো. আলমগীর হোসেন বুধবার দুটি পৃথক মামলায় মোবারক হোসেন ওরফে ডেভিড ইমনের রিমান্ড আদেশ দেন। নগর পুলিশের উপকমিশনার (প্রসিকিউশন) মোহাম্মদ হাসান ইকবাল চৌধুরী জানান, বায়েজিদ বোস্তামী থানার নির্বাচনী প্রচারণায় গুলিতে সরোয়ার হোসেন বাবলা হত্যা মামলায় ইমনের দুই দিন এবং বাকলিয়া থানার জোড়া খুনের মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়েছে।

২০২৫ সালের ৩০ মার্চ রাতে বাকলিয়া অ্যাকসেস রোডে একটি প্রাইভেট কার লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। ওই গাড়িতে থাকা সন্ত্রাসী সরোয়ার হোসেন বেঁচে গেলেও তাঁর দুই সহযোগী বখতিয়ার হোসেন ও আবদুল্লাহ আল রিফাত নিহত হন। এ ঘটনায় করা হত্যা মামলার আসামি ডেভিড ইমন।

২০২৫ সালের ৫ নভেম্বর সন্ধ্যায় বায়েজিদ বোস্তামী থানার হাজীপাড়া এলাকায় চট্টগ্রাম–৮ আসনের বিএনপির প্রার্থী ও বর্তমান সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহর নির্বাচনী জনসংযোগে গুলি চালানো হয়। এরশাদ উল্লাহ পায়ে গুলিবিদ্ধ হন। তাঁর সঙ্গে থাকা সরোয়ার হোসেন বাবলাকে মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়। এই মামলারও আসামি ইমন।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৯ জুলাই যশোর থেকে ইমন ও তাঁর তিন সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়। ইমন পলাতক সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী ওরফে বড় সাজ্জাদের অনুসারী হিসেবে পরিচিত। তাঁর বিরুদ্ধে অন্তত ১৫টি মামলা রয়েছে। পুলিশ কর্মকর্তারা বলেন, বিদেশে পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের হয়ে চট্টগ্রামে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় নেতৃত্ব দেওয়া দুজনের একজন ইমন। অন্যজন মোহাম্মদ রায়হান।

"ব্যবসায়ী, প্রবাসী ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে নিয়মিত চাঁদা দাবির জন্য ইমন বেশি ফোন করতেন"

ইমন চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চননগর এলাকার বাসিন্দা। তিনি দুই ভাই ও দুই বোনের মধ্যে সবার বড়। তাঁর বাবা মো. মুসা প্রবাসী ছিলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী ওরফে বড় সাজ্জাদের দলে যুক্ত হন ইমন। বড় সাজ্জাদের অন্যতম সহযোগী সাজ্জাদ হোসেন ওরফে ছোট সাজ্জাদ গত বছরের ১৫ মার্চ ঢাকায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর ইমন বড় সাজ্জাদের অন্যতম সহযোগী হয়ে ওঠেন।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চট্টগ্রাম (বাকলিয়া, বায়েজিদ বোস্তামী, ফটিকছড়ি)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডেভিড ইমন, এরশাদ উল্লাহ, সরোয়ার হোসেন বাবলা, বখতিয়ার হোসেন, আবদুল্লাহ আল রিফাত
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ দিনের রিমান্ড, ১৫টি মামলা, ৫০ জন শুটার, ২০২৫ সালের ৩০ মার্চ ও ৫ নভেম্বর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖