📅 ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৫৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

১৭ বছর পর বিচার: আলমডাঙ্গা ঝন্টু হত্যা মামলায় দু’জন যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

১৭ বছর পর বিচার: আলমডাঙ্গা ঝন্টু হত্যা মামলায় দু’জন যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

📷 ছবি: নয়া দিগন্ত

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Naya Diganta ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চুয়াডাঙ্গা জেলা আদালত ১৭ বছর পর আলমডাঙ্গা ঝন্টু হত্যা মামলায় দু’জন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা দিয়েছে। মামলায় নিহত ঝন্টুর বাবা ২০০৯ সালে মামলা দায়ের করেন

চুয়াডাঙ্গা জেলা ও শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল ১৭ বছর পর আলমডাঙ্গা ঝন্টু হত্যা মামলায় দু’জন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা প্রদান করেছে। বিচারক মো: মোক্তাগীর আলম বুধবার (২৮ অক্টোবর) রায় ঘোষণা করেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **১৭ বছর পর রায়**: আলমডাঙ্গা ঝন্টু হত্যা মামলায় দু’জন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা প্রদান
  • 📌 **দু’জন আসামি**: ইসমাইল হোসেন ও আবুল কালাম আজাদ — উভয়কেই শালিকা গ্রামের বাসিন্দা
  • 📌 **জরিমানার পরিমাণ**: প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো দুই মাস কারাদণ্ড
  • 📌 **মামলার সময়কাল**: ২০০৯ সালের ২০ এপ্রিল হত্যা ঘটনার পর ১৭ বছর পর বিচার শেষ
  • 📌 **সাক্ষ্য সংখ্যা**: মামলায় ২০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে রায়

📰 বিস্তারিত

চুয়াডাঙ্গা জেলা ও দায়রা জজ এবং শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো: মোক্তাগীর আলম বুধবার (২৮ অক্টোবর) রায় ঘোষণা করেন। মামলায় দু’জন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা প্রদান করা হয়েছে। জরিমানার পরিমাণ অনাদায়ে প্রত্যেককে আরো দুই মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মামলায় নিহত ঝন্টুর বাবা জাহা বক্স মণ্ডল ২০০৯ সালের ২০ এপ্রিল আলমডাঙ্গা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় ইসমাইল হোসেনকে ও অজ্ঞাত পরিচয় আরো দুই থেকে তিনজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছিল। তবে বিচারে দু’জন আসামির নাম উঠে আসে — আলমডাঙ্গার শালিকা গ্রামের সোলায়মান আলীর ছেলে ইসমাইল হোসেন ও মরহুম আবু ছদ্দিনের ছেলে আবুল কালাম আজাদ।

মামলার তদন্তে জানা যায়, ঝন্টু ২০০৯ সালের ১৯ এপ্রিল রাত সাড়ে ৭টায় মোবাইলফোনে ইসমাইল হোসেনের কল পেয়ে টাকা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। পরদিন গ্রামের একটি ধানক্ষেতে তার লাশ পাওয়া যায়। তদন্ত কর্মকর্তা ২০০৯ সালের ২৮ ডিসেম্বর তাদের দু’জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেন। পরে তাদের দু’জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন (চার্জশিট) দাখিল করা হয়।

শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট আ স ম আব্দুর রউফ বলেন, “২০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছেন। জরিমানা অনাদায়ে তাদের আরো দুই মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট, পরিবারটি ন্যায়বিচার পেয়েছে।”

"২০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছেন। জরিমানা অনাদায়ে তাদের আরো দুই মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: আলমডাঙ্গা, চুয়াডাঙ্গা জেলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিচারক মো: মোক্তাগীর আলম, ইসমাইল হোসেন, আবুল কালাম আজাদ, জাহা বক্স মণ্ডল, অ্যাডভোকেট আ স ম আব্দুর রউফ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ বছর, ২ জন আসামি, ২০ জন সাক্ষী, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, ২০০৯ সালের ২০ এপ্রিল

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖