📌 নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় পরিবারের সদস্যদের নগ্ন ভিডিও আন্তর্জাতিক পর্নো সাইটে বিক্রির অভিযোগে গিয়াস উদ্দিন মিয়া (৪০) আটক করা হয়েছে। এনএসআই ও পুলিশের যৌথ অভিযানে তাকে আটক করা হয়
নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় পরিবারের সদস্যদের নগ্ন ভিডিও তৈরি করে আন্তর্জাতিক পর্নোগ্রাফি সাইটে বিক্রির অভিযোগে গিয়াস উদ্দিন মিয়া (৪০) আটক করা হয়েছে। এনএসআই ও পুলিশের যৌথ অভিযানে শুক্রবার (৬ নভেম্বর) তার বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গাজীপুর জেলার বাসিন্দা গিয়াস উদ্দিন মিয়া (৪০) তার পরিবারের সদস্যদের নগ্ন ভিডিও তৈরি করে বিক্রির অভিযোগে আটক করা হয়েছে।
- 📌 পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল পৌর এলাকায় গোয়েন্দা ও পুলিশের যৌথ অভিযানে তাকে আটক করা হয়।
- 📌 গিয়াস উদ্দিনের স্ত্রী, মেয়ে, শালী এবং ভাগ্নির নগ্ন ভিডিও আন্তর্জাতিক পর্নো সাইটে বিক্রি করা হতো।
- 📌 তার বিরুদ্ধে ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সন্দেহজনক লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে।
- 📌 পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহেদ আল মামুন জানান, অন্য কেউ যদি জড়িত থাকে, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।
📰 বিস্তারিত
গিয়াস উদ্দিন মিয়া (৪০) গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ থানার ঘোনাপাড়া এলাকার বাবুল মিয়ার ছেলে। নরসিংদীর মাধবদী থানার ভগীরথপুর এলাকায় তিনি তার পরিবারের সদস্যদের নগ্ন ভিডিও তৈরি করতেন। পরবর্তীতে এসব অশ্লীল ভিডিও মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে আন্তর্জাতিক পর্নোগ্রাফি সাইটে বিক্রি করতেন। গোয়েন্দারা তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সন্দেহজনক লেনদেনের প্রমাণ পেয়েছে।
প্রশাসনের নজরদারি এড়াতে গিয়াস উদ্দিনের পরিবার মাধবদী থানার ভগীরথপুর এলাকা ছেড়ে পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল পৌরসভার পাইকসা এলাকায় চলে আসার পরিকল্পনা করেছিল। পরে তারা মঞ্জুর মোর্শেদ লিটন নামের এক ব্যক্তির নবনির্মিত ভবনে বাসা বদল করেন। গোপন সূত্রে এই তথ্য পাওয়ার পর এনএসআই একটি দল পাঠায় এবং তাদের মালামাল বহনকারী গাড়ির ওপর নজরদারি শুরু করে।
পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহেদ আল মামুন জানান, গিয়াস উদ্দিনকে আটক করার পর এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। তিনি আরও বলেন, যদি অন্য কেউ এই চক্রে জড়িত থাকে, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।
"উক্ত ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত থাকলে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পলাশ উপজেলা, নরসিংদী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গিয়াস উদ্দিন মিয়া (৪০), শাহেদ আল মামুন (ওসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!