📅 ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:১৯ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নোয়াখালীতে ভুল চিকিৎসায় শিশু মৃত্যুবরণ: হাসপাতাল বন্ধ, প্যারামেডিকসের বিরুদ্ধে অভিযোগ

নোয়াখালীতে ভুল চিকিৎসায় শিশু মৃত্যুবরণ: হাসপাতাল বন্ধ, প্যারামেডিকসের বিরুদ্ধে অভিযোগ

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নোয়াখালীর দত্তেরহাট ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় ১৩ বছর বয়সী শিশু মো. মুসলিমের মৃত্যু ঘটে। প্যারামেডিকস আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে অ্যানেসথেসিয়া দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। হাসপাতাল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং ঘটনাটি পুলিশের নজরে এসেছে

নোয়াখালীর একটি চক্ষু হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় ১৩ বছর বয়সী শিশু মো. মুসলিমের মৃত্যু ঘটে। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ঘটনাটি ঘটে। শিশুটি লক্ষ্মীপুর জেলার কমলনগর উপজেলার চরবসু গ্রামের বাসিন্দা। শিশুর মৃত্যুর অভিযোগে হাসপাতালের প্যারামেডিকস আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে এবং হাসপাতালটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 নোয়াখালীর দত্তেরহাট ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় ১৩ বছর বয়সী শিশু মো. মুসলিমের মৃত্যু ঘটে
  • 📌 শিশুটি চোখে আঘাত পেয়ে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, কিন্তু অ্যানেসথেসিয়া দেওয়ার পর মৃত্যুবরণ করে
  • 📌 হাসপাতালের প্যারামেডিকস আবুল হোসেন অভিযোগ নাকচ করে দেন, বলেন মৃত্যুর কোনো আশঙ্কা ছিল না
  • 📌 নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত অবস্থায় পান, মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে
  • 📌 সুধারাম থানার পুলিশ ঘটনাটি নজরে নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে
  • 📌 নোয়াখালী সিভিল সার্জন হাসপাতাল বন্ধ করে দেন এবং ময়নাতদন্তের পর সত্যতা যাচাই করা হবে

📰 বিস্তারিত

লক্ষ্মীপুর জেলার কমলনগর উপজেলার চরবসু গ্রামের মাহফুজুর রহমানের ছেলে মো. মুসলিম (১৩) শনিবার বিকেল ৬টায় বাড়ির পাশে খেলার সময় লাঠির অংশ চোখে লাগে। তার বাবা-মা তাকে সিএনজিযোগে নোয়াখালীর দত্তেরহাট ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালে কর্তব্যরত প্যারামেডিকস আবুল হোসেন শিশুটির চোখে অ্যানেসথেসিয়া দেন। অ্যানেসথেসিয়া দেওয়ার পর শিশু বমি করতে শুরু করলে তাকে নোয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে রেফার করা হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে প্যারামেডিকস আবুল হোসেন বলেন, ‘চোখের ওপরের ও নিচের পাতায় লোকাল অ্যানেসথেসিয়ার ড্রপ দেওয়া হয়েছিল। চিকিৎসকের মতে, এ ধরনের অ্যানেসথেসিয়ার কারণে মৃত্যুর কোনো আশঙ্কা নেই।’ নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. রাজীব আহমেদ চৌধুরী বলেন, ‘মৃত অবস্থায় শিশুটিকে আমাদের হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। মরদেহ মর্গে রাখা আছে। বিষয়টি সুধারাম থানার পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।’

সুধারাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম জানান, ‘নিহতের স্বজনেরা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করে বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করেন। মরদেহ নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। ঘটনাস্থল লক্ষ্মীপুরের কমলনগর এলাকায় হওয়ায় সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’ নোয়াখালী সিভিল সার্জন ডা. আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘নিহতের স্বজনদের অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার পরপরই আমি দত্তেরহাট ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতাল পরিদর্শন করি। প্রাথমিকভাবে হাসপাতালটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। নিহতের স্বজনদের লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।’

"চোখের ওপরের ও নিচের পাতায় লোকাল অ্যানেসথেসিয়ার ড্রপ দেওয়া হয়েছিল। চিকিৎসকের মতে, এ ধরনের অ্যানেসথেসিয়ার কারণে মৃত্যুর কোনো আশঙ্কা নেই।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নোয়াখালী জেলা, দত্তেরহাট ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতাল
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. মুসলিম (১৩), আবুল হোসেন (প্যারামেডিকস), ডা. আনোয়ার হোসেন (সিভিল সার্জন), মো. নজরুল ইসলাম (ওসি)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩ বছর বয়সী শিশু, ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল, ৯৯৯ (জরুরি সেবা নম্বর)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖