📅 ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

৫৭ হাজার কোটি ঋণ পরিশোধে ঝুঁকি কমাতে আইএমএফ-বিশ্বব্যাংক দেন বন্ড পুনঃক্রয় পরামর্শ

৫৭ হাজার কোটি ঋণ পরিশোধে ঝুঁকি কমাতে আইএমএফ-বিশ্বব্যাংক দেন বন্ড পুনঃক্রয় পরামর্শ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চলতি অর্থবছরে ৫৭ হাজার কোটি টাকার সরকারি বন্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার ঝুঁকি কমাতে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক বন্ড পুনঃক্রয় ও বড় বন্ড চালুর পরামর্শ দিয়েছে। ১২০টি বন্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ১০-১৫টি বড় বন্ড চালু করার পরিকল্পনা করা হয়েছে

চলতি অর্থবছরে সরকারি বন্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার ঝুঁকি কমাতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও বিশ্বব্যাংক তৎপরতা শুরু করার পরামর্শ দিয়েছে। সরকারকে ৫৭ হাজার কোটি টাকার বন্ড পরিশোধ করতে হবে, যা প্রায় ৫০০ কোটি ডলার। এই পরিশোধের চাপ কমানোর জন্য সংস্থা দুটি বন্ড পুনঃক্রয় ও বাজারের পুনর্গঠনের পরিকল্পনা প্রস্তাব করেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চলতি অর্থবছরে ৫৭ হাজার ৩০০ কোটি টাকার সরকারি বন্ডের মেয়াদ শেষ হবে, যা প্রায় ৫০০ কোটি ডলার
  • 📌 আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক পরামর্শ দিয়েছে ১২০টি বন্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ১০-১৫টি বড় বন্ড চালু করা
  • 📌 বন্ড পুনঃক্রয় কার্যক্রম শুরু করতে হবে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই, প্রতিযোগিতামূলক উল্টো নিলামের মাধ্যমে
  • 📌 ২৩৭টি বন্ডের বাজারকে ৯ হাজার কোটি টাকার বড় বন্ডে রূপান্তর করার পরিকল্পনা
  • 📌 ২০২৪ অর্থবছরে সরকারি বন্ডের সরাসরি লেনদেন ১ লাখ ৭০ হাজার ৫০০ কোটি টাকা, যা ২০২২-এ ছিল ২ লাখ ৫ হাজার ৩০০ কোটি টাকা

📰 বিস্তারিত

আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের একটি মিশন গত মাসে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুরোধে ‘দায় ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম: স্থানীয় মুদ্রার বন্ড বাজারের উন্নয়ন’ শীর্ষক কারিগরি সহায়তা প্রতিবেদন তৈরি করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একই সময়ে ১২০টি বন্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণে সরকারের পুনঃঅর্থায়ন ঝুঁকি বাড়ছে। এতে সরকারকে নতুন করে বিপুল ঋণ নিতে হতে পারে।

বিশ্বব্যাংক ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘আইএমএফ-বিশ্বব্যাংকের পরামর্শ কাগজেই পড়ে থাকবে যদি সরকার তা গ্রহণ না করে। কত টাকার বন্ডের পুনঃক্রয় লাগবে এবং সংস্থা দুটি তা-ও অর্থায়ন করবে কি না, তা আলোচনাযোগ্য।’

বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের পরামর্শ অনুযায়ী, বন্ড পুনঃক্রয় করা হবে প্রতিযোগিতামূলক উল্টো নিলামের মাধ্যমে। এতে বিনিয়োগকারীরা সরকারকে বন্ড বিক্রির প্রস্তাব দেবেন এবং সরকার গ্রহণযোগ্য দামে প্রয়োজনীয় বন্ড কিনে নেবে।

২০২৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সরকারের ২৩৭টি বন্ড চালু ছিল, প্রতিটি বন্ডের গড় আকার ছিল প্রায় ১ হাজার ৯৪০ কোটি টাকা। তবে বড় বেঞ্চমার্ক বন্ডের লক্ষ্যমাত্রা ৯ হাজার কোটি টাকা। আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের মতে, অধিক বন্ডের কারণে বাজার খণ্ডিত হয়েছে এবং বন্ডের দ্বিতীয় পর্যায়ের বাজারেও প্রভাব পড়েছে।

"একই সময়ে অনেক বন্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণে সরকারের পুনঃঅর্থায়ন ঝুঁকি বাড়ছে। এতে সরকারকে আবার নতুন ঋণ নিতে হতে পারে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অরিন্দম রায় (আইএমএফ), জসোল্ট বাঙ্গো (বিশ্বব্যাংক), জাহিদ হোসেন (বিশ্বব্যাংক ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৭ হাজার ৩০০ কোটি টাকা (বন্ড পরিশোধ), ৫০০ কোটি ডলার, ১২০টি বন্ড, ১০-১৫টি বড় বন্ড, ২৩৭টি বন্ড, ১ লাখ ৭০ হাজার ৫০০ কোটি টাকা (২০২৪ অর্থবছরে লেনদেন)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖