📌 জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক কর্মকর্তা মতিউর রহমান দাবি করেছেন, তার বিরুদ্ধে প্রকাশিত সব সংবাদ ফেক। তিনি বলেছেন, তার আইনজীবীর কাছে সব প্রমাণ রয়েছে। এদিন তার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল, কিন্তু উচ্চ আদালতে আবেদনের পর তা ১ নভেম্বর পর্যন্ত পিছিয়ে দেওয়া হয়
দুদক মামলায় কারাগার থেকে আদালতে হাজির হওয়ার সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এর সাবেক কর্মকর্তা মতিউর রহমান দাবি করেছেন, তার বিরুদ্ধে প্রকাশিত সব সংবাদ শতভাগ ফেক। তিনি বলেছেন, তার বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদগুলোর বিষয়ে প্রমাণ চাইলে তিনি তার আইনজীবীর কাছে থাকা প্রমাণগুলো দিতে পারবেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মতিউর রহমান দাবি করেছেন, তার বিরুদ্ধে প্রকাশিত সব সংবাদ ‘শতভাগ ফেক’ এবং তার আইনজীবীর কাছে সব প্রমাণ রয়েছে।
- 📌 ৫ কোটি টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল, কিন্তু অভিযোগ গঠনের আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আবেদনের পর তা ১ নভেম্বর পর্যন্ত পিছিয়ে দেওয়া হয়।
- 📌 দুদকের অনুসন্ধানে ৬৫ বিঘা জমি, আটটি ফ্ল্যাট, দুটি রিসোর্ট, তিনটি শিল্পপ্রতিষ্ঠান সহ মতিউর রহমানের পরিবারের সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়।
- 📌 ২০২৪ সালের কোরবানির ঈদে ১৫ লাখ টাকায় ছাগল কেনার ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচিত হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে দুদক মামলা দায়ের করা হয়।
- 📌 চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে, মতিউর রহমান ১ কোটি ২৪ লাখ ২৫ হাজার ২১১ টাকা সম্পদ গোপন করেছেন এবং ৫ কোটি ৪০ লাখ ৯৭ হাজার ৬৭২ টাকা জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন।
📰 বিস্তারিত
১৪ সেপ্টেম্বর সোমবার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় কারাগার থেকে আদালতে হাজির হওয়ার সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে মতিউর রহমান বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে যত নিউজ হয়েছে, শতভাগ ফেক। এই ফেক নিউজের রেজাল্ট কী আসে? প্রমাণ চাইলে শতভাগ প্রমাণ দিতে পারব। আমার আইনজীবীর কাছে সব প্রমাণ আছে।’
এদিন ৫ কোটি টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল। তবে অভিযোগ গঠনের আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আবেদনের পর সাক্ষ্যগ্রহণের দিন পিছিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ বিএম তারিকুল কবীর আগামী ১ নভেম্বর সাক্ষ্যগ্রহণের নতুন দিন ধার্য করেন।
গত ৫ জুলাই মামলাটির অভিযোগ গঠন বিষয়ে শুনানি শেষ হয়। পরে ৩ আগস্ট অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। চার্জশিটে বলা হয়েছে, মতিউর রহমান তার সম্পদ বিবরণীতে ১ কোটি ২৪ লাখ ২৫ হাজার ২১১ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন। এছাড়া সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে তিনি ৫ কোটি ৪০ লাখ ৯৭ হাজার ৬৭২ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন।
২০২৪ সালের কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে ১৫ লাখ টাকা দিয়ে একটি ছাগল কেনার বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় আসে। এরপর মুশফিকুর রহমান ইফাত নামের এক যুবকের বাবা হিসেবে মতিউর রহমানের নাম সামনে আসে। এরপর মতিউর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের সম্পদের তথ্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।
২০২৪ সালের ৪ জুন মতিউর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের অনুসন্ধানে দুদক মামলা দায়ের করে। অনুসন্ধানে তাদের নামে ৬৫ বিঘা জমি, আটটি ফ্ল্যাট, দুটি রিসোর্ট ও পিকনিক স্পট এবং তিনটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের তথ্য পাওয়া যায়। পরে তাদের ব্যাংক হিসাব, মোবাইল আর্থিক সেবার হিসাব এবং শেয়ারবাজারের বিও হিসাবও ক্রোক করা হয়।
"আমার বিরুদ্ধে যত নিউজ হয়েছে, শতভাগ ফেক। এই ফেক নিউজের রেজাল্ট কী আসে? প্রমাণ চাইলে শতভাগ প্রমাণ দিতে পারব। আমার আইনজীবীর কাছে সব প্রমাণ আছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মতিউর রহমান (এনবিআর সাবেক কর্মকর্তা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ কোটি টাকা (জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ), ১ নভেম্বর (সাক্ষ্যগ্রহণের নতুন দিন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!