📌 মাদারগঞ্জের জামিনুর ইসলাম (৩২) সহপাঠী শিশু মরিয়মকে ধর্ষণ করে হত্যা করে ঘরের মেঝেতে মরদেহ মাটিচাপা দিয়েছেন। পুলিশের হাতে আটক জামিনুর স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। ফরিদপুরের পদ্মা নদীতে ২৩ দিনের ব্যবধানে অজ্ঞাত দুই নারী মরদেহ উদ্ধার হলেও পরিচয় মেলেনি
মাদারগঞ্জে একটি নিরীহ শিশুকে ধর্ষণ করে হত্যা করে তার মরদেহ ঘরের মেঝেতে মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত জামিনুর ইসলাম (৩২) পুলিশের হাতে আটক হওয়ার পর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। শিশু মরিয়মের বাবা সর্বোচ্চ শাস্তি চাইছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মাদারগঞ্জের জামিনুর ইসলাম (৩২) সহপাঠী শিশু মরিয়মকে ধর্ষণ করে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেন
- 📌 হত্যাকারীর স্ত্রী সবুজা (২৫)সহ জামিনুরকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং মরদেহ মাটিচাপা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়
- 📌 পুলিশের হাতে আটক জামিনুর আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন: "শিশুটিকে ধর্ষণ করে মাটিচাপা দিয়েছি"
- 📌 শিশু মরিয়মের বাবা সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি চাইছেন
- 📌 ফরিদপুরের পদ্মা নদীতে ২৩ দিনের ব্যবধানে অজ্ঞাত দুই নারী মরদেহ উদ্ধার হলেও পরিচয় মেলেনি
📰 বিস্তারিত
মাদারগঞ্জ উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী শিশু মরিয়ম গত বৃহস্পতিবার বিদ্যালয় থেকে সহপাঠীকে খুঁজতে জামিনুর ইসলামের বাড়িতে গিয়েছিলেন। জামিনুরের বাড়িতে শুধু তিনি ছিলেন। এই সুযোগে জামিনুর শিশুটিকে ধর্ষণ করে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। পরে ঘরের মেঝেতে গর্ত করে মরদেহ মাটিচাপা দেন। শিশুর মরদেহ শনিবার রাতে জামিনুরের বসতঘরের মেঝেতে মাটিচাপা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের হাতে আটক জামিনুর ইসলাম আদালতে সোপর্দ করা হলে তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। জামিনুর জানিয়েছেন, শিশু মরিয়ম প্রতিদিন বিদ্যালয়ে যাওয়ার সময় তার মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে যেতেন। বিদ্যালয় ছুটির পর আসার পথে তারা জামিনুরের বাড়িতে খেলাধুলা করতেন। জামিনুরের স্ত্রী সবুজা (২৫)সহ দুজনকে রাতেই গ্রেপ্তার করা হয় এবং পরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
শিশু মরিয়মের বাবা মামলা দাখিল করে সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি চাইছেন। তিনি বলেছেন, ‘আমার একমাত্র শিশুকন্যা হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি চাই।’
"আমার একমাত্র শিশুকন্যা হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি চাই"
অপরদিকে, ফরিদপুরের পদ্মা নদীর কবিরপুর চর এলাকায় নৌ-পুলিশ অজ্ঞাত এক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে। এই ঘটনাটি ঘটেছে মাদারগঞ্জের ঘটনার ২৩ দিন আগে। তবে পচনের কারণে পরিচয় শনাক্তে জটিলতা হচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, নদী থেকে উদ্ধারকৃত দুটি অজ্ঞাত নারী মরদেহের পরিচয় মেলেনি।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মাদারগঞ্জ উপজেলা, জামালপুর; পদ্মা নদী, ফরিদপুরের কবিরপুর চর এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জামিনুর ইসলাম (৩২), শিশু মরিয়ম, সবুজা (২৫), সহকারী পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩২ বছর (জামিনুর ইসলাম), ২৫ বছর (সবুজা), ২৩ দিন (পদ্মা নদীতে মরদেহ উদ্ধারের ব্যবধান)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!