📅 ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:৩০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গাজীপুরে প্রেমের বিরোধে নারীর খণ্ডিত মরদেহ স্যুটকেসে ভরে খালে ফেলা, তিনজন গ্রেপ্তার

গাজীপুরে প্রেমের বিরোধে নারীর খণ্ডিত মরদেহ স্যুটকেসে ভরে খালে ফেলা, তিনজন গ্রেপ্তার

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গাজীপুরের জয়দেবপুরে কারখানায় কাজ করা ডলি আক্তার (৩০) প্রেমের বিরোধে হত্যা করা হয়। তার খণ্ডিত মরদেহ স্যুটকেস ও প্লাস্টিকের বস্তায় ভরে খালে ফেলা হয়। পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে এবং হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত প্রকাশ করেছে।

গাজীপুরের জয়দেবপুরে একটি হত্যাকাণ্ডের রহস্যময় ঘটনায় পুলিশের তদন্তের ফলাফল প্রকাশ পেয়েছে। গত শুক্রবার বিকেলে খালের পানিতে উদ্ধার করা নারীর খণ্ডিত মরদেহের পরিচয় মিলেছে ডলি আক্তার (৩০) হিসেবে। প্রেমের সম্পর্ক ও আগের বিয়ের বিষয়ে বিরোধের জেরে এই নারীকে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে গাজীপুর পিবিআই।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গাজীপুরের জয়দেবপুর থানার খাল থেকে উদ্ধার করা ডলি আক্তারের (৩০) খণ্ডিত মরদেহের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে।
  • 📌 প্রেমের বিরোধে হত্যার অভিযোগে মিশন ইসলাম (২২), তার মা বানু আক্তার (৪৩) ও সহযোগী মিজানুর রহমান মিল্টন (২৪) গ্রেপ্তার।
  • 📌 হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত বটি, দা, মোবাইল ফোন ও জুতা উদ্ধার করা হয়েছে।
  • 📌 হত্যাকারীরা মরদেহটি স্যুটকেস ও প্লাস্টিকের বস্তায় ভরে খালে ফেলে দিয়েছিলেন।
  • 📌 আসামিরা হত্যার দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।

📰 বিস্তারিত

গাজীপুর পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার মো. রকিবুল আক্তার সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, ডলি আক্তার ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা থানার বাসিন্দা। তিনি গাজীপুরের বানিয়ারচালার একটি কারখানায় কাজ করতেন এবং একই এলাকার ভাড়া বাসায় থাকতেন। ডলি আক্তার ও মিশন ইসলাম একই কারখানায় কাজের সুবাদে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

গত ৮ সেপ্টেম্বর রাতে মিশনের ভাড়া বাসায় ডলি আক্তার আসেন। সেখানে সবাই একসঙ্গে রাতের খাবার খেয়ে মিশন ও ডলি এক কক্ষে এবং বানু আক্তার পাশের কক্ষে ঘুমাতে যান। রাত ২টার দিকে মিশন ডলিকে ঘুম ও অ্যালার্জির ওষুধ খাওয়ান। ঘুমিয়ে গেলে গলায় লুঙ্গি পেঁচিয়ে এবং বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরদিন সকালে মরদেহটি দুই খণ্ড করে স্যুটকেসে ও পলিথিনে মুড়িয়ে প্লাস্টিকের বস্তায় রাখা হয়।

পুলিশ জানান, পরে বাসা পরিবর্তনের কথা বলে সহযোগী মিল্টনকে ডেকে আনেন মিশন। তারা স্যুটকেস ও বস্তা নিয়ে অটোরিকশায় করে রাজেন্দ্রপুর যান। সেখান থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে ভবানীপুর ব্রিজ এলাকায় গিয়ে স্যুটকেস ও বস্তা খালের পানিতে ফেলে দেন।

"মরদেহটি পচে যাওয়ায় পরিচয় শনাক্ত করা কঠিন হয়। পরিচয় শনাক্তের পর হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। আসামিরা হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।"

গ্রেপ্তার তিনজন হলেন: মিশন ইসলাম (২২), বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ থানার সৈয়দপুর পূর্বপাড়া গ্রামের বাসিন্দা; তার মা বানু আক্তার (৪৩); এবং সহযোগী মিজানুর রহমান মিল্টন (২৪), গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ থানার বুড়াবুড়ি গ্রামের বাসিন্দা।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: গাজীপুর জেলা, জয়দেবপুর থানা, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক পাশের খাল
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডলি আক্তার (৩০), মিশন ইসলাম (২২), বানু আক্তার (৪৩), মিজানুর রহমান মিল্টন (২৪), পুলিশ সুপার মো. রকিবুল আক্তার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ (ডলির বয়স), ২২ (মিশনের বয়স), ৪৩ (বানু আক্তারের বয়স), ২৪ (মিল্টনের বয়স), ৮ (সেপ্টেম্বর), ২ (টার), ১৬৪ (ধারা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖