📌 চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৪০ ভরি সোনা ছিনতাইয়ের অভিযোগে পুলিশ সদস্য জাকির হোসেনসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলায় বাদী সালেহ সুলতান জানান, সোনা পাচারের চেষ্টা ছিল। সাড়ে ২০ ভরি সোনা উদ্ধার করা হয়েছে, বাকি সোনা খুঁজতে পুলিশ তৎপর
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৪০ ভরি সোনা ছিনতাইয়ের মামলায় পুলিশ সদস্য জাকির হোসেনসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার মামলা করার পরই রাতেই গ্রেপ্তার করা হয় তাদের। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে একজন পুলিশ সদস্য ছিলেন। বাদী সালেহ সুলতানের দাবি, সোনা পাচারের উদ্দেশ্যে সোনা সীমান্ত দিয়ে নিয়ে যাওয়া হতো।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৪০ ভরি সোনা ছিনতাইয়ের মামলায় পুলিশ সদস্য জাকির হোসেনসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
- 📌 গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে একজন পুলিশ সদস্য ছিলেন, তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর পুলিশ ফাঁড়ির অধীন কর্মরত ছিলেন।
- 📌 মোহাম্মদ আলীর কাছ থেকে সাড়ে ২০ ভরি সোনা উদ্ধার করা হয়েছে, বাকি সোনা খুঁজতে পুলিশ তৎপর।
- 📌 বাদী সালেহ সুলতান জানান, সোনা পাচারের চেষ্টা ছিল এবং সোনা রাজশাহী থেকে সীমান্ত দিয়ে নিয়ে যাওয়া হতো।
- 📌 মামলায় চারজন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে, তাদের মধ্যে একজন অজ্ঞাত পরিচয়।
📰 বিস্তারিত
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানায় শনিবার মামলা করার পরই রাতেই পুলিশ সদস্য জাকির হোসেন ও মোহাম্মদ আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত জাকির হোসেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর পুলিশ ফাঁড়ির অধীন অফিসার্স মেসে কর্মরত ছিলেন। তার বাড়ি রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার দেবীপুর গ্রামে। অন্যজন মোহাম্মদ আলীর বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের চক আলমপুর গ্রামে, বর্তমানে তিনি চরজোতপুর মহল্লায় বাস করেন।
মামলায় বাদী সালেহ সুলতান জানান, তিনি পেশায় ট্রাভেল এজেন্ট ও ধানচালের মজুত ব্যবসায়ী। তিনি গত ৪ আগস্ট ও ৬ আগস্ট রাজশাহীর সাহেব বাজারের স্বর্ণপট্টিতে অবস্থিত ব্রাদার্স জুয়েলার্স থেকে ২০ ভরি করে মোট ৪০ ভরি সোনা কিনে বাড়িতে মজুত করেছিলেন। ৭ আগস্ট তিনি ভারতে যান। তার দুলাভাই মোহাম্মদ আলীকে সোনা নিয়ে চাচা নজরুল ইসলামের কাছে পৌঁছে দিতে বলেছিলেন। ৮ আগস্ট বেলা তিনটার দিকে নজরুল ইসলামের কাছ থেকে সোনা ছিনিয়ে নেওয়া হয়।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একরামুল হোসেইন বলেন, মামলা করার পর রাতেই জাকির হোসেন ও মোহাম্মদ আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়। মোহাম্মদ আলীর কাছ থেকে সাড়ে ২০ ভরি সোনা উদ্ধার করা হয়েছে। বাদীর সোনা ব্যবসায়ী পরিচয় যাচাই করা হচ্ছে। ওসি জানান, বাদী সালেহ সুলতান প্রথম আলোকে বলেছেন, ‘আমার এক খালাতো ভাই সোনা ব্যবসায়ী। তাঁর হয়ে সোনা কেনাবেচা করার প্রত্যয়ন তিনি আমাকে দিয়েছেন। বৈধভাবে সোনা বেচাকেনা করার কাগজপত্র পুলিশকে দেখাব।’
"আমার এক খালাতো ভাই সোনা ব্যবসায়ী। তাঁর হয়ে সোনা কেনাবেচা করার প্রত্যয়ন তিনি আমাকে দিয়েছেন। বৈধভাবে সোনা বেচাকেনা করার কাগজপত্র পুলিশকে দেখাব।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা, চরজোতপুর মহল্লা, রাজশাহী (দুর্গাপুর উপজেলা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জাকির হোসেন (পুলিশ সদস্য), মোহাম্মদ আলী, সালেহ সুলতান (বাদী), একরামুল হোসেইন (ওসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০ ভরি সোনা, ২ জন গ্রেপ্তার, ২০ ভরি সোনা উদ্ধার, ৪ আগস্ট ও ৬ আগস্ট সোনা কেনা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!