📌 গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা খবিরুল আলমের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে ভাইরাল ভিডিও প্রকাশের পর তাকে শোকজ দেওয়া হয়েছে। সেবাগ্রহীতা রাসেল মোল্লা দাবি করেছেন, তিনি ২ হাজার টাকা দিতে বাধ্য হয়েছিলেন। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বলেছেন, তদন্ত চলছে এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে
গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা খবিরুল আলমের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিও ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। ভিডিওতে দেখা যায়, কর্মকর্তা নিজের চেয়ারে বসে একজন সেবাগ্রহীতার কাছ থেকে টাকা গ্রহণ করছেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে এবং তদন্ত চলছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা খবিরুল আলমকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে শোকজ দেওয়া হয়েছে এবং তদন্ত চলছে।
- 📌 রাসেল মোল্লা (বাহরাইনপ্রবাসী) দাবি করেছেন, তিনি ৫ হাজার টাকা চাপা দিতে বাধ্য হয়েছিলেন, পরে ২ হাজার টাকা দিয়েছিলেন।
- 📌 ভিডিওতে দেখা যায়, কর্মকর্তা নতুন ভোটার হওয়ার জন্য সেবা নিতে আসা রাসেলের কাছ থেকে টাকা নিচ্ছেন।
- 📌 অন্যান্য সেবাগ্রহীতারা দাবি করেছেন, নির্বাচন কার্যালয়ে টাকা ছাড়া কোনো সেবা পাওয়া যায় না।
- 📌 জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শেখ মুহাম্মদ জালাল উদ্দিন বলেছেন, শোকজের জবাব সন্তোষজনক না হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
📰 বিস্তারিত
গত ১০ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা খবিরুল আলমের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভিডিওতে দেখা যায়, কর্মকর্তা নিজের চেয়ারে বসে একজন ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা গ্রহণ করছেন। অভিযোগের মুখে সেবাগ্রহীতা রাসেল মোল্লা ফেসবুকে বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি জানান, তিনি বাহরাইনপ্রবাসী এবং নতুন ভোটার হওয়ার জন্য নির্বাচন কার্যালয়ে গিয়েছিলেন। কর্মকর্তা খবিরুল আলম তার কাছে কাজ করে দেওয়ার জন্য ৫ হাজার টাকা দাবি করেন। পরে অনুরোধ করে তিনি ২ হাজার টাকা দিয়েছিলেন।
রাসেল মোল্লা আরও দাবি করেছেন, তিনি ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত ছিলেন এবং নির্বাচন কর্মকর্তাকে এই বিষয় জানান। কিন্তু তারপরও তাকে নানা অজুহাতে তিন-চার দিন কার্যালয়ে ঘোরানো হয়। টাকা দেওয়ার পর তার ভোটার হওয়ার কাজ সম্পন্ন করা হয়। তিনি আরও অভিযোগ করেছেন, শুধু তিনি নন, ওই কার্যালয়ে টাকা ছাড়া কোনো সেবা পাওয়া যায় না। টাকা না দিলে সেবাগ্রহীতাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়।
ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় কম্পিউটার দোকানের মালিকদেরও দালালচক্রের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ করা হয়েছে। সেবাগ্রহীতারা দাবি করেছেন, টাকা দিলে দ্রুত সেবা পাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। এ ধরনের কাজে ৫ হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।
"আমি ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত ছিলেন। নির্বাচন কর্মকর্তাকে জানালেও তাকে নানা অজুহাতে তিন-চার দিন কার্যালয়ে ঘোরানো হয়। পরে টাকা দিলে কাজ সম্পন্ন করা হয়।"
রাসেল মোল্লা বলেন, "আমি প্রবাসী এবং রেমিট্যান্স পাঠানো ব্যক্তি। এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত করে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গোয়ালন্দ উপজেলা, রাজবাড়ী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: খবিরুল আলম (গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা), রাসেল মোল্লা (সেবাগ্রহীতা), শেখ মুহাম্মদ জালাল উদ্দিন (জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ হাজার টাকা (ঘুষ), ৫ হাজার টাকা (দাবি), ১ লাখ টাকা (সর্বোচ্চ ঘুষ), ১০ সেপ্টেম্বর (ভিডিও প্রকাশের তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!