📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৭:৪২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মেজর (অব.) সাজ্জাদুলের জবানবন্দি: জিয়াউল আহসানের নেতৃত্বে ১১ জুলাই ২০১১-এ ৩ জন হত্যা

মেজর (অব.) সাজ্জাদুলের জবানবন্দি: জিয়াউল আহসানের নেতৃত্বে ১১ জুলাই ২০১১-এ ৩ জন হত্যা

📷 ছবি: দেশজোগ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ মেজর (অব.) সাজ্জাদুল ইসলামের জবানবন্দি — ১১ জুলাই ২০১১ রাতে টঙ্গীর সেতুতে জিয়াউল আহসানের নেতৃত্বে ৩ জনকে হত্যা। ট্রাইব্যুনাল-২-এ আশরাফ কায়সার ২৭তম সাক্ষী।

সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের নেতৃত্বে এক রাতে তিনজনকে হত্যা করা হয়েছিল বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেছেন মেজর (অব.) খোন্দকার মোহাম্মদ সাজ্জাদুল ইসলাম। আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে শতাধিক মানুষকে গুম ও খুনের ঘটনায় জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাজ্জাদুল ইসলাম আজ রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ জবানবন্দি দেন। এ মামলার একমাত্র আসামি জিয়াউল আহসান কারাগারে আছেন — আজ তাঁকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 জবানবন্দিকারী: মেজর (অব.) খোন্দকার মোহাম্মদ সাজ্জাদুল ইসলাম।
  • 📌 ট্রাইব্যুনাল: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ — রোববার।
  • 📌 আসামি: জিয়াউল আহসান (সাবেক সেনা কর্মকর্তা) — শতাধিক গুম ও খুনের অভিযোগ; একমাত্র আসামি; কারাগারে।
  • 📌 অপারেশনের তারিখ: ১১ জুলাই ২০১১, রাত।
  • 📌 স্থান: টঙ্গীর আহসান উল্লাহ মাস্টার ফ্লাইওভার অতিক্রম করে ৪০-৪৫ মিনিট চলার পর একটি সেতু।
  • 📌 যানবাহন: র্যাবের ৪টি গাড়ি।
  • 📌 হত্যাকাণ্ড: চোখ-হাত বাঁধা বন্দীকে গাড়ি থেকে নামিয়ে জিয়াউল রেলিংয়ের সঙ্গে ঠেকিয়ে মাথার পেছন দিয়ে গুলি; রেলিংয়ের ওপর দিয়ে নিচে ফেলা — এভাবে সে রাতে আরও ২ জন।
  • 📌 মোট হত্যা: ৩ জন (এক রাতে)।
  • 📌 সাজ্জাদুলের অবস্থান: কয়েক ঘণ্টা আগে র্যাবে যোগদানের পর ঘটনা দেখে হতবিহ্বল।

📰 বিস্তারিত

সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের নেতৃত্বে এক রাতে তিনজনকে হত্যা করা হয়েছিল বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেছেন মেজর (অব.) খোন্দকার মোহাম্মদ সাজ্জাদুল ইসলাম। আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে শতাধিক মানুষকে গুম ও খুনের ঘটনায় জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাজ্জাদুল ইসলাম আজ রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ জবানবন্দি দেন। এ মামলার একমাত্র আসামি জিয়াউল আহসান কারাগারে আছেন — আজ তাঁকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

জবানবন্দিতে সাজ্জাদুল ইসলাম বলেন, ২০১১ সালের ১১ জুলাই রাতে তাঁরা একটি অপারেশনে যান। সেই রাতে র্যাবের চারটি গাড়ি টঙ্গীর আহসান উল্লাহ মাস্টার ফ্লাইওভার পার হয়ে ৪০ থেকে ৪৫ মিনিট চলে। পরে গাড়িগুলো একটি সেতুর ওপর দাঁড়ায় — তখন চোখ-হাত বাঁধা একজন বন্দীকে গাড়ি থেকে নামানো হয়। জিয়াউল আহসান সেই বন্দীকে ধরে নিয়ে সেতুর রেলিংয়ের সঙ্গে ঠেকিয়ে মাথার পেছন দিক থেকে গুলি করে। পরে রেলিংয়ের ওপর দিয়ে সেই বন্দীকে নিচে ফেলে দেন জিয়াউল। কয়েক ঘণ্টা আগে র্যাবে যোগদান করার পর এমন ঘটনা দেখে তিনি হতবিহ্বল হয়ে পড়েন। এভাবে সে রাতে আরও দুজনকে হত্যা করা হয়।

⚖️ ট্রাইব্যুনাল-২-এর অন্য মামলা

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে করা মামলায় ২৭তম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন লেখক ও গণমাধ্যমকর্মী আশরাফ কায়সার। ট্রাইব্যুনাল-২-এ আজ দেওয়া জবানবন্দিতে আশরাফ কায়সার বলেন, ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনগুলো ফ্যাসিবাদী ও সহিংস চরিত্র ফুটিয়ে তোলে — গণতান্ত্রিক রাজনীতির জন্য এটি একটি ভয়াবহ ঘটনা। এ ধরনের ফ্যাসিবাদী শক্তি এবং গণতন্ত্র ও মানবাধিকার একসঙ্গে চলতে পারে না।

আশরাফ কায়সার বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে হতাহতদের দায়ভার পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তো বটেই, তাদের সুপ্রিম কমান্ডার তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইজিপি, র্যাবের প্রধানের দায় রয়েছে। এ মামলার আসামিসহ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের সব স্তরের নেতাদের দায় রয়েছে। মামলার অন্য আসামিরা হলেন সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল এবং ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান — এ মামলার সব আসামিই পলাতক।

"২০১১ সালের ১১ জুলাই রাতে র্যাবের চারটি গাড়ি টঙ্গীর আহসান উল্লাহ মাস্টার ফ্লাইওভার পার হয়ে ৪০-৪৫ মিনিট চলে। একটি সেতুর ওপর চোখ-হাত বাঁধা বন্দীকে জিয়াউল আহসান রেলিংয়ের সঙ্গে ঠেকিয়ে মাথার পেছন দিয়ে গুলি করে, নিচে ফেলে দেন — এভাবে সে রাতে আরও দুজনকে হত্যা করা হয়।" — মেজর (অব.) সাজ্জাদুল ইসলাম, জবানবন্দি

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • ট্রাইব্যুনাল: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১
  • জবানবন্দিকারী: মেজর (অব.) খোন্দকার মোহাম্মদ সাজ্জাদুল ইসলাম
  • আসামি: জিয়াউল আহসান (সাবেক সেনা কর্মকর্তা) — একমাত্র আসামি, কারাগারে
  • অভিযোগ: শতাধিক গুম ও খুন — মানবতাবিরোধী অপরাধ
  • অপারেশন তারিখ: ১১ জুলাই ২০১১, রাত
  • স্থান: টঙ্গীর আহসান উল্লাহ মাস্টার ফ্লাইওভার অতিক্রম করে ৪০-৪৫ মিনিট দূরে সেতু
  • গাড়ি: র্যাবের ৪টি
  • হত্যাকাণ্ড: ৩ জন (চোখ-হাত বাঁধা, রেলিংয়ে ঠেকিয়ে গুলি, নিচে ফেলা)
  • ট্রাইব্যুনাল-২ মামলা: জুলাই গণ-অভ্যুত্থান — ২৭তম সাক্ষী আশরাফ কায়সার (লেখক ও গণমাধ্যমকর্মী)
  • আসামি: ওবায়দুল কাদের, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, মোহাম্মদ আলী আরাফাত, শেখ ফজলে শামস পরশ, মাইনুল হোসেন খান নিখিল, সাদ্দাম হোসেন, শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান — সব পলাতক
  • সূত্র: প্রথম আলো
যাচাই অবস্থা: ✓ যাচাইকৃত (নির্ভরতা স্কোর: 90%)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖