📅 ৪ অক্টোবর ২০২৬, ৬:৫৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বিএনপি ২০০৬-এর মতো একদলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রস্তাব: হাসনাতের সতর্কবার্তা ও সরকারের প্রতিক্রিয়া

বিএনপি ২০০৬-এর মতো একদলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রস্তাব: হাসনাতের সতর্কবার্তা ও সরকারের প্রতিক্রিয়া

📷 ছবি: Bangladesh Times

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বাংলাদেশ টাইমস ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ ২০০৬ সালের মতো একদলীয় নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রস্তাব তুলে ধরেন। তিনি আইএমএফ চাপে ব্যাংক রেজুলেশনের ১৮(ক) ধারা বাতিলের ও বেসরকারি খাতের ঋণ সংকটের সমালোচনা করেন। সরকারের প্রতিনিধি সাইফুল আলম মিলন বিরোধীদলের প্রস্তাবের ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানান

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও বিরোধীদলীয় এমপি হাসনাত আবদুল্লাহ ২০০৬ সালের মতো একদলীয় নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রস্তাব তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, বিএনপি নতুন ফর্মুলা নিয়ে এগিয়ে যাবে এবং ধর্মীয় কার্ড ব্যবহার করে এই প্রস্তাবকে জনসমর্থন পেতে চায়। রোববার (৪ অক্টোবর) জাতীয় সংসদের অর্থ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে তিনি এই মন্তব্য করেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বিএনপি ২০০৬ সালের মতো একদলীয় নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রস্তাব করেছে বলে অভিযোগ করেন হাসনাত আবদুল্লাহ
  • 📌 হাসনাত বলেন, সরকার ব্যাংক খাতকে অলিগার্ক মাফিয়াদের হাতে তুলে দিতে যাচ্ছে, যা ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের আমলের মতো
  • 📌 আইএমএফ চাপে ব্যাংক রেজুলেশনের ১৮(ক) ধারা বাতিল করা হয়েছে, যা হাসনাত সমালোচনা করেছেন
  • 📌 ২০ হাজার কোটি টাকা রুগ্ন শিল্পকে ঋণ দেওয়ার বিষয়ে হাসনাত রাজনৈতিক প্রভাবের শঙ্কা প্রকাশ করেন
  • 📌 বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ কমে কর্মসংস্থান সংকুচিত হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি
  • 📌 হাসনাত গণভোট নিয়ে বিএনপির দ্বিমুখী অবস্থানকে জনগণের আস্থা হারানোর কারণ বলে অভিযোগ করেন
  • 📌 সরকারের সংবিধান সংশোধন কমিটিকে ‘আমরা মামুরা সংশোধন কমিটি’ বলে সমালোচনা করেন
  • 📌 অর্থমন্ত্রণালয় বিষয়ক সাংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সাইফুল আলম মিলন বলেন, সরকার বিরোধীদলের প্রস্তাবগুলোর ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে

📰 বিস্তারিত

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ রোববার (৪ অক্টোবর) জাতীয় সংসদের অর্থ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে এক সাক্ষাৎকারে বলেন, বিএনপি ২০০৬ সালের মতো একদলীয় নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের নতুন ফর্মুলা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, এই প্রস্তাবের পিছনে ধর্মীয় কার্ড ব্যবহার করা হবে বলে অভিযোগ করেন। হাসনাত আরও বলেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের আমলে ব্যাংক খাতকে অলিগার্ক মাফিয়াদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল এবং বিএনপি সরকারও এখন ব্যাংক খাতকে আবারও তাদের হাতে তুলে দিতে যাচ্ছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

ব্যাংক রেজুলেশনের ১৮(ক) ধারা আইএমএফ চাপে বাতিল করা হয়েছে বলে সমালোচনা করেন হাসনাত। তিনি বলেন, ২০ হাজার কোটি টাকা রুগ্ন শিল্পকে ঋণ দেওয়ার বিষয়ে বৈঠকে আপত্তি জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মাধ্যমে ঋণ বিতরণের ফলে রাজনৈতিক প্রভাবের শঙ্কা রয়েছে এবং বিএনপিবান্ধব প্রতিষ্ঠানকে সুবিধা দেওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেন। হাসনাত আরও বলেন, বেসরকারি খাতে রেকর্ড পরিমাণে ঋণপ্রবাহ কমে গেছে, ফলে কর্মসংস্থান সংকুচিত হচ্ছে।

হাসনাত ঋণখেলাপিরা যাতে নতুন করে ঋণ নিতে না পারে, সে ব্যাপারে কঠোর হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি গণভোট নিয়ে বিএনপির দ্বিমুখী অবস্থানকে জনগণের আস্থা হারানোর কারণ বলে অভিযোগ করেন। এছাড়াও, তিনি বর্তমান সংবিধান সংশোধন কমিটিকে ‘আমরা মামুরা সংশোধন কমিটি’ বলে সমালোচনা করেন।

অর্থমন্ত্রণালয় বিষয়ক সাংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সাইফুল আলম মিলন বলেন, বিরোধীদলের প্রস্তাবগুলোর বিষয়ে অর্থমন্ত্রী তথা সরকার ইতিবাচকভাবে নিয়েছেন। তিনি বলেন, পরবর্তী বৈঠকে এসব প্রস্তাবের ওপর আলোচনা হবে। তিনি আরও বলেন, নোট অব ডিসেন্টসহ জুলাই সনদে সরকারের যা আছে, সেগুলোসহ সংসদে আসা হোক।

"ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের আমলের মতো বিএনপি সরকারও ব্যাংক খাতকে নতুন করে আবারও অলিগার্ক মাফিয়াদের হাতে তুলে দিতে যায়"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: জাতীয় সংসদ, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হাসনাত আবদুল্লাহ, সাইফুল আলম মিলন, অর্থমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০০৬ (বছর), ১৮(ক) (ধারা), ২০ হাজার কোটি টাকা (ঋণ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖