📌 সাইবার সিকিউরিটি আইন গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে নয়, বরং সাইবার জগতে গুজব ও হয়রানির শিকার জনগণকে রক্ষা করার জন্য তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। তিনি বলেছেন, সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী এবং সাইবার আইনের অপপ্রয়োগের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের উদ্বেগের জবাব দিতে প্রস্তাবিত পদক্ষেপ নিয়ে কাজ করছে
সাইবার সিকিউরিটি আইন গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে নয়, বরং সাইবার জগতের অপতথ্য, গুজব ও হয়রানির শিকার জনগণকে সুরক্ষিত রাখার লক্ষ্যে তৈরি করা হয়েছে। তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী রবিবার (৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে সাংবাদিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে এই কথা বলেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের গণমাধ্যমের পূর্ণ স্বাধীনতায় বিশ্বাসের কথা পুনরাবৃত্তি করেন এবং বলেন, সরকার গণমাধ্যমে কোনো হস্তক্ষেপ করবে না।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সাইবার সিকিউরিটি আইন জনগণের সুরক্ষার উদ্দেশ্যে, নয় গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের জন্য
- 📌 বর্তমান সরকার ১৭ বছর ধরে গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণকারী জাল থেকে মুক্তি দিতে চায়
- 📌 সাংবাদিকদের উদ্বেগের জবাবে: সাইবার আইনের অপপ্রয়োগে আদালতের অনুমতি নেওয়ার প্রস্তাব বিবেচনা করা হচ্ছে
- 📌 সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে হয়রানি ও আত্মহত্যার ঘটনা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী সাইবার নিরাপত্তার জরুরি দাবি তুলেন
- 📌 সাংবাদিক নেতাদের দাবিগুলো লিখিত আকারে জমা দেওয়ার আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী
📰 বিস্তারিত
তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার গণমাধ্যমের পূর্ণ স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। তিনি জানান, গত ১৭ বছর ধরে গণমাধ্যমকে বিভিন্ন এজেন্সির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করে একটি জালের মধ্যে আটকে রাখা হয়েছিল। বর্তমান সরকার সেই পথে চলবে না। বরং জনগণের বাকস্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের সব ধরনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।
সাইবার আইনের অপপ্রয়োগ নিয়ে সাংবাদিকদের উদ্বেগের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, নিবন্ধিত গণমাধ্যমে প্রকাশিত কোনো সংবাদে ভুলবশত সাইবার আইনের ব্যত্যয় ঘটলে, অভিযুক্ত সাংবাদিক বা মাধ্যমকে আইনের আওতায় আনার আগে আদালতের অনুমতি নেওয়ার একটি প্রস্তাব সাংবাদিক নেতারা দিয়েছেন। সরকার এই প্রস্তাবটি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করছে এবং এটি কীভাবে আইনে যুক্ত করা যায় তা নিয়ে কাজ চলছে।
বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ ও সাংবাদিকদের হেনস্তা বা আত্মহত্যার পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, সাইবার নিরাপত্তা সবার জন্যই জরুরি। এছাড়া, সাংবাদিক নেতাদের উত্থাপিত দাবিগুলো লিখিত আকারে জমা দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি, যাতে সরকার এসব বাস্তবায়নে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারে।
"সাইবার সিকিউরিটি আইন গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে নয়, বরং জনগণের সুরক্ষার জন্য তৈরি করা হয়েছে। সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী এবং কোনো হস্তক্ষেপ করবে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সচিবালয়, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ অক্টোবর, ১৭ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!