📌 খাগড়াছড়ির সদর উপজেলায় দুর্লভ হিমালয়ান গন্ধগোকুলকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। মৃত প্রাণীর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বন বিভাগ তদন্ত শুরু করে। বন কর্মকর্তারা বলেছেন, শিকারীদের চিহ্নিত করতে এলাকাবাসীদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে
খাগড়াছড়ি সদর উপজেলায় দুর্লভ ও বিপন্ন প্রজাতির একটি হিমালয়ান গন্ধগোকুলকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। মৃত প্রাণীর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বন বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্ত শুরু করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার কমলছড়ি ইউনিয়নের নতুন পাড়ায় পিটিয়ে মারা গেছে একটি হিমালয়ান গন্ধগোকুল।
- 📌 বন বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে শিকারীদের চিহ্নিত করতে এলাকাবাসীদের জিজ্ঞাসাবাদ করছেন।
- 📌 বিপন্ন প্রজাতি হিমালয়ান গন্ধগোকুল বাংলাদেশের বন্য প্রাণী আইনে সংরক্ষিত।
- 📌 মো. আনোয়ার হোসাইন (বীজিতলা রেঞ্জ কর্মকর্তা) বলেছেন, শিকারীদের সরাসরি পাওয়া যায়নি, তবে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধের জন্য এলাকাবাসীদের সচেতন করা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
গত বৃহস্পতিবার খাগড়াছড়ি সদর উপজেলার কমলছড়ি ইউনিয়নের নতুন পাড়ায় একটি হিমালয়ান গন্ধগোকুলকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। মৃত প্রাণীর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বন বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। বীজিতলা রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসাইন জানান, ‘গত বৃহস্পতিবার প্রাণীটিকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এরপর ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে আমরা জানতে পারি। বিষয়টি নজরে আসার পর আমরা কমলছড়ি নতুন পাড়ায় গিয়ে স্থানীয় মানুষের সঙ্গে কথা বলেছি। তবে যাঁরা শিকারের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত, তাঁদের পাইনি।’
বন্য প্রাণী গবেষকদের মতে, হিমালয়ান গন্ধগোকুল বা হিমালয়ী বাঘডাশ একটি বিপন্ন ও বিরল প্রজাতি। এরা হিমালয় অঞ্চলের দেশ বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, ভুটান, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশের চিরসবুজ বনে পাওয়া যায়। মুখে মুখোশের মতো দাগ থাকায় এদের ‘মুখোশধারী গন্ধগোকুল’ও বলা হয়। এ প্রজাতি নিশাচর ও লাজুক প্রকৃতির। তারা গাছের ডালে থেকে রাতে ফলমূল, ইঁদুর ও পাখি শিকার করে। বনের বাস্তুসংস্থান ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এটি বড় ভূমিকা পালন করে।
মো. আনোয়ার হোসাইন বলেন, ‘হিমালয়ান গন্ধগোকুল একটি দুর্লভ প্রাণী। এটি বাংলাদেশের বন্য প্রাণী আইনে সংরক্ষিত প্রজাতি।’
"গত বৃহস্পতিবার প্রাণীটিকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এরপর এটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে আমরা জানতে পারি। বিষয়টি নজরে আসার পর আমরা কমলছড়ি নতুন পাড়ায় গিয়ে স্থানীয় মানুষের সঙ্গে কথা বলেছি। তবে যাঁরা শিকারের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত, তাঁদের পাইনি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা, কমলছড়ি ইউনিয়ন (নতুন পাড়া)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আনোয়ার হোসাইন (বীজিতলা রেঞ্জ কর্মকর্তা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ (হত্যা করা হিমালয়ান গন্ধগোকুলের সংখ্যা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!