📌 দিল্লির যন্তর মন্তরে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ চলাকালে পুলিশের বিরুদ্ধে তিন নারী সাংবাদিকের যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ অভিযোগগুলো ক্রাইম ব্রাঞ্চে স্থানান্তর করেছে। কংগ্রেসের রাহুল গান্ধী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে জবাব দিতে বলেছেন
দিল্লির যন্তর মন্তরে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে গত শনিবার বিক্ষোভ চলাকালে পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে তিন নারী সাংবাদিকের যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগগুলো অপরাধ তদন্ত শাখায় স্থানান্তর করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৩ নারী সাংবাদিক পুলিশের সহকারী কমিশনার (এসিপি) কর্তৃক যৌন হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন।
- 📌 একজন সাংবাদিক জানান, বিক্ষোভের সময় পুলিশ কর্মকর্তা তাঁকে আপত্তিকরভাবে স্পর্শ ও ধাক্কা দিয়েছিলেন।
- 📌 থানা অভিযোগ নথিভুক্ত করেনি, পুলিশ তা ক্রাইম ব্রাঞ্চে স্থানান্তর করেছে।
- 📌 কংগ্রেসের রাহুল গান্ধী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে জবাব দিতে বলেছেন।
- 📌 প্রেস কাউন্সিল অব ইন্ডিয়া পুলিশের আচরণকে ‘স্তম্ভিতকর’ ও ‘হতাশাজনক’ বলে উল্লেখ করেছে।
📰 বিস্তারিত
গত শনিবার যন্তর মন্তরে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ চলাকালে পুলিশের একজন সহকারী কমিশনার (এসিপি) তিন নারী সাংবাদিকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। সাংবাদিকদের একজন জানান, পুলিশ যখন বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছিল, তখন ওই কর্মকর্তা তাঁকে আপত্তিকরভাবে স্পর্শ ও ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিয়েছিলেন। তিনি আরও বলেন, ঘটনার পর তাঁরা ও অন্যান্য সাংবাদিকেরা মামলা করতে থানায় গিয়েছিলেন, কিন্তু পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে অভিযোগ নথিভুক্ত করেনি।
দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, তারা অভিযোগগুলো পেয়েছে এবং ‘সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে’ সেগুলো অপরাধ তদন্ত শাখায় (ক্রাইম ব্রাঞ্চ) স্থানান্তর করেছে। তবে সাংবাদিকদের অভিযোগের প্রতি দ্রুত প্রতিক্রিয়া না দেখায় পুলিশের আচরণকে ‘গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় স্বাভাবিক হিসেবে নেওয়ার সুযোগ নেই’ বলে সমালোচনা করেছে প্রেস কাউন্সিল অব ইন্ডিয়া (পিসিআই)।
কংগ্রেসের জ্যেষ্ঠ নেতা রাহুল গান্ধী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করে বলেছেন, দিল্লি পুলিশ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে কাজ করে, তাই অভিযোগের জবাব দিতে হবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে। তিনি বলেন, ‘এফআইআর দায়েরের দাবিতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সাংবাদিকরা বসে আছেন। পুলিশের মৌলিক দায়িত্ব মামলা নেওয়া। তারা সেটিও করেনি।’ তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, শুধু শনিবারেই যন্তর মন্তর থেকে শত শত মানুষকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং নারী আন্দোলনকারীদের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগ উঠেছে।
"গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় এ ধরনের আচরণকে স্বাভাবিক হিসেবে নেওয়ার সুযোগ নেই। সাংবাদিকদের কোনো ভয়ভীতি ছাড়া স্বাধীনভাবে কাজ করার ও বিভিন্ন দাবিতে জড়ো হওয়া মানুষের সংবাদ সংগ্রহের সুযোগ দিতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যন্তর মন্তর, দিল্লি, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জ্ঞানেশ কুমার (প্রধান নির্বাচন কমিশনার), রাহুল গান্ধী (কংগ্রেস নেতা), পুলিশের সহকারী কমিশনার (এসিপি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ (নারী সাংবাদিক)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!