📌 চুয়াডাঙ্গা আদালত ৮৯৯ অ্যাম্পুল বুপ্রেনরফাইন উদ্ধারের মামলায় আসামি জালাল মালিথাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা দিয়েছে। মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনের অধীনে দোষী সাব্যস্ত করা হয় আসামিকে।
চুয়াডাঙ্গা বিশেষ দায়রা জজ আদালত ৪ অক্টোবর রবিবার যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দিয়েছে মাদকদ্রব্য হেফাজতে রাখার মামলায়। ৫১ বছর বয়সী আসামি জালাল মালিথাকে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনের অধীনে দোষী সাব্যস্ত করে বিচারক শিমুল কুমার বিশ্বাস যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা প্রদানের রায় ঘোষণা করেন। জরিমানার অনাদায়ে আরও এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশও দেন আদালত।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায় ৮৯৯ অ্যাম্পুল বুপ্রেনরফাইন ইনজেকশন উদ্ধারের মামলায় আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
- 📌 আসামি জালাল মালিথা (৫১) পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা এবং জরিমানার অনাদায়ে এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ড
- 📌 মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) ধারার ৮(ক) অনুযায়ী আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়
- 📌 মামলায় অভিযোগপত্র দাখিল করেন তৎকালীন উপপরিদর্শক সাহারা ইয়াসমিন
- 📌 বাস তল্লাশিতে ২০২১ সালের ২৮ মার্চ ৮৯৯ অ্যাম্পুল মাদক উদ্ধার করা হয়
📰 বিস্তারিত
চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার রেলপাড়া মহল্লার মৃত আলতাফ হোসেন মালিথার ছেলে জালাল মালিথা (৫১) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দোষী সাব্যস্ত হন। রবিবার দুপুরে বিচার চলাকালে আদালতের বিচারক শিমুল কুমার বিশ্বাস আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদানের রায় ঘোষণা করেন। আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন এবং রায় ঘোষণার পর বিচারকের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়।
২০২১ সালের ২৮ মার্চ সন্ধ্যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি দল চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার একাডেমি মোড়ে অভিযান চালায়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফিরোজ হোসেনের নেতৃত্বে কুষ্টিয়া থেকে চুয়াডাঙ্গা যাত্রী বাস ‘সোনারতরী এক্সপ্রেস’ তল্লাশি চালানো হয়। আসামি জালাল মালিথার গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে তাঁকে আটক করা হয়। তাঁর হাতে থাকা ব্যাগ থেকে ৮৯৯ অ্যাম্পুল বুপ্রেনরফাইন ইনজেকশন উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ছিল প্রায় দুই লাখ ছয় হাজার সত্তর টাকা।
মামলায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক আব্দুল্লাহ আল মামুন বাদী হয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে উপপরিদর্শক সাহারা ইয়াসমিন আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। বিচার চলাকালে চারজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ এবং তথ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) ধারার ৮(ক) অনুযায়ী আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। আদালত জব্দ করা মাদকদ্রব্য রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশও দিয়েছে।
"আসামি জালাল মালিথা অবৈধভাবে মাদকদ্রব্য হেফাজতে রাখা ও বিক্রির উদ্দেশ্যে সংরক্ষণ করেছেন। এ কারণে তিনি মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনের অধীনে দোষী সাব্যস্ত হন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা, একাডেমি মোড়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জালাল মালিথা (৫১), বিচারক শিমুল কুমার বিশ্বাস, উপপরিদর্শক সাহারা ইয়াসমিন, পরিদর্শক আব্দুল্লাহ আল মামুন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮৯৯ অ্যাম্পুল বুপ্রেনরফাইন, ৫১ বছর বয়স, ৪ অক্টোবর, ২৮ মার্চ ২০২১
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!