📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:০৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কলকাতার ধর্মতলায় সাংবাদিকদের ওপর হামলা: ১৪ গ্রেপ্তার, ৭০ শনাক্ত — মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর গুন্ডা দমন আইনে হুঁশিয়ারি

কলকাতার ধর্মতলায় সাংবাদিকদের ওপর হামলা: ১৪ গ্রেপ্তার, ৭০ শনাক্ত — মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর গুন্ডা দমন আইনে হুঁশিয়ারি

📷 ছবি: দেশজোগ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কলকাতার ধর্মতলায় সিজেপি ও বাম ছাত্রসংগঠনের মিছিলে সাংবাদিকদের ওপর হামলা — ৬ জন আহত। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী গুন্ডা দমন আইনে ব্যবস্থার ঘোষণা। ৭০ জন শনাক্ত, ১৪ গ্রেপ্তার। অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রের বিরুদ্ধে ১৮টি মামলা।

কলকাতার ধর্মতলায় প্রতিবাদ মিছিল থেকে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়েছেন, পুলিশ এ পর্যন্ত ৭০ জনকে শনাক্ত ও ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে — গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের দুই দিনের পুলিশ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। গত শুক্রবার বিকেলে ধর্মতলার ডরিনা ক্রসিং এলাকায় বাম ছাত্রসংগঠন ও ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) উদ্যোগে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে মিছিল বের হলে সেখান থেকে একদল ব্যক্তি সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালায় — বোতল নিক্ষেপে ছয়জন সাংবাদিক আহত হন।

🔴 মূল পয়েন্ত

  • 📌 মুখ্যমন্ত্রী: শুভেন্দু অধিকারী — রোববার (২৬ জুলাই) পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামের সোনাচূড়ায় প্রধানমন্ত্রী মোদির 'মন কি বাত' শোনার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা।
  • 📌 গ্রেপ্তার: ১৪ জন; শনাক্ত: ৭০ জন; আদালত ২ দিনের পুলিশ হেফাজত।
  • 📌 ঘটনা: গত শুক্রবার বিকেলে — ধর্মতলার ডরিনা ক্রসিং, কলকাতা।
  • 📌 মিছিলের উদ্যোক্তা: বাম ছাত্রসংগঠন ও ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) — শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে।
  • 📌 হামলা: একদল ব্যক্তি সাংবাদিকদের ওপর বোতল নিক্ষেপ — ৬ জন সাংবাদিক আহত।
  • 📌 মামলা: ৭টি — কলকাতার বিভিন্ন থানায়; আহত সাংবাদিকেরা অধিকাংশ মামলা করেছেন; ১টি পুলিশ স্বপ্রণোদিত।
  • 📌 শুভেন্দুর দাবি: গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা ছাত্র নন; বিদেশি শক্তি, জামায়াতি ও মৌলবাদী গোষ্ঠীর সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে; সিজেপির কোনো সম্পর্ক নেই।
  • 📌 আইনি ব্যবস্থা: গুন্ডা দমন আইনে ব্যবস্থা; পূর্বে ৫ জনের নাম উল্লেখ।
  • 📌 তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ: হামলাকারীরা তৃণমূলের কেউ নন।
  • 📌 অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র: মোদির বিকৃত ছবি প্রদর্শনের অভিযোগে ১৮টি মামলা; বিজেপি নেত্রী কেয়া ঘোষ মামলা করে গ্রেপ্তারের দাবি।

📰 বিস্তারিত

কলকাতার ধর্মতলায় প্রতিবাদ মিছিল থেকে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়েছেন, পুলিশ এ পর্যন্ত ৭০ জনকে শনাক্ত ও ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে — গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের দুই দিনের পুলিশ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। রোববার (২৬ জুলাই) পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামের সোনাচূড়ায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির 'মন কি বাত' অনুষ্ঠান শোনার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন শুভেন্দু অধিকারী — তিনি বলেন, গত শুক্রবার ধর্মতলার ঘটনায় চিহ্নিত ব্যক্তিদের বিষয়ে তদন্ত চলছে। তাঁদের সঙ্গে বিদেশি শক্তি, জামায়াতি ও মৌলবাদী গোষ্ঠীর সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে। তবে তাঁর দাবি, এ ঘটনায় ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) কোনো সম্পর্ক নেই — গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা ছাত্র নন।

গত শুক্রবার বিকেলে কলকাতার ধর্মতলার ডরিনা ক্রসিং এলাকায় বাম ছাত্রসংগঠন ও ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) উদ্যোগে ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে একটি প্রতিবাদ মিছিল বের হয়। মিছিলটি ডরিনা ক্রসিংয়ে পৌঁছালে সেখান থেকে একদল ব্যক্তি সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে — বোতল নিক্ষেপের ঘটনায় ছয়জন সাংবাদিক আহত হন। এ ঘটনায় কলকাতার বিভিন্ন থানায় সাতটি মামলা হয়েছে — আহত সাংবাদিকেরা অধিকাংশ মামলা করেছেন, একটি মামলা পুলিশ স্বপ্রণোদিত হয়ে করেছে।

⚖️ গুন্ডা দমন আইন ও শ্রীলেখা মিত্র

মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে গুন্ডা দমন আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে — এর আগেও তিনি এ ঘটনায় জড়িত বলে অভিযোগ থাকা পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছিলেন। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা কুণাল ঘোষ বলেছেন, যাঁরা হামলায় জড়িত, তাঁরা তৃণমূলের কেউ নন — এ ঘটনার দায় দলের ওপর চাপানো ঠিক নয়।

এদিকে ধর্মতলার ওই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি বিকৃত ছবি প্রদর্শনের অভিযোগে অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ১৮টি মামলা করা হয়েছে — বিজেপির নেতা-কর্মীরা তাঁর গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন। বিজেপি নেত্রী কেয়া ঘোষ একটি মামলা করার পর বলেন, "শ্রীলেখা মিত্রকে গ্রেপ্তার না করা পর্যন্ত আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব।"

"গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা ছাত্র নন। তাঁদের সঙ্গে বিদেশি শক্তি, জামায়াতি ও মৌলবাদী গোষ্ঠীর সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে। তবে এ ঘটনায় ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) কোনো সম্পর্ক নেই।" — শুভেন্দু অধিকারী, মুখ্যমন্ত্রী, পশ্চিমবঙ্গ

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • মুখ্যমন্ত্রী: শুভেন্দু অধিকারী
  • ঘটনা: গত শুক্রবার বিকেলে — ডরিনা ক্রসিং, ধর্মতলা, কলকাতা
  • মিছিলের উদ্যোক্তা: বাম ছাত্রসংগঠন ও ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)
  • দাবি: শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ
  • হামলা: সাংবাদিকদের ওপর বোতল নিক্ষেপ — ৬ জন আহত
  • গ্রেপ্তার: ১৪ জন; শনাক্ত: ৭০ জন; ২ দিনের পুলিশ হেফাজত
  • মামলা: ৭টি — বিভিন্ন থানায় (৬ সাংবাদিক + ১ পুলিশ স্বপ্রণোদিত)
  • আইন: গুন্ডা দমন আইনে ব্যবস্থা; পূর্বে ৫ জনের নাম
  • তৃণমূল নেতা: কুণাল ঘোষ — হামলাকারীরা তৃণমূলের নন
  • অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র: মোদির বিকৃত ছবি প্রদর্শনে ১৮টি মামলা
  • বিজেপি নেত্রী: কেয়া ঘোষ — গ্রেপ্তারের দাবি
  • মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য স্থান: নন্দীগ্রামের সোনাচূড়া, পূর্ব মেদিনীপুর — 'মন কি বাত' শোনার পর
  • সূত্র: প্রথম আলো, ভারত বিভাগ
যাচাই অবস্থা: ✓ যাচাইকৃত (নির্ভরতা স্কোর: 90%)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖