📌 আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম গুমের আসামিদের সন্দেহজনক কার্যকলাপ ও নিরাপত্তা বিষয়ে সতর্ক করেছেন। তিনি বলেছেন, গুম প্রতিরোধ আইন প্রণীত হলে বিচার প্রক্রিয়ায় ত্বরান্বিত হবে
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম গত রোববার নিজ কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে গুমের আসামিদের সন্দেহজনক কার্যকলাপ ও নিরাপত্তা বিষয়ে সতর্কতা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, গুমের শিকার ৫৫টি পরিবারের সদস্যরা জবানবন্দি দিলে কিছু আসামির তৎপরতা বেড়েছে এবং তারা নাশকতামূলক ঘটনা ঘটাতে পারে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, গুমের আসামিদের সন্দেহজনক কার্যকলাপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে এবং তারা যে কোনো নাশকতামূলক ঘটনা ঘটাতে পারে।
- 📌 গুমের শিকার ৫৫টি পরিবারের সদস্যরা জবানবন্দি দিলে আসামিদের তৎপরতা বেড়েছে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর।
- 📌 তিনি বলেছেন, গুমের সঙ্গে জড়িত আসামিরা অত্যন্ত শক্তিশালী এবং সরকারের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছেন।
- 📌 গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন প্রণীত হলে গুমের বিচারে গতি পাবে বলে আশাবাদ প্রকাশ করেছেন চিফ প্রসিকিউটর।
- 📌 গুমকে স্বতন্ত্র, জামিন অযোগ্য ও আপস-অযোগ্য ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। গুমের সাধারণ অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ৫০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেছেন, গুমের শিকার প্রতিটি পরিবারের প্রতি লক্ষ রাখা প্রয়োজন যাতে তাদের নিরাপত্তা বাড়ানো যায়। তিনি বলেন, যাঁদের বিরুদ্ধে এখন বিচার চলছে, তাঁদের বিষয়ে প্রশাসনের লক্ষ রাখা প্রয়োজন। গুমের শিকার ৫৫টি পরিবারের সদস্যরা চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে গুমের অভিযোগের তদন্ত শুরু হওয়ার পর থেকে আসামিদের তৎপরতা বেড়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
আমিনুল ইসলাম আরও বলেন, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন প্রণীত হলে গুমের বিচারে গতি পাবে। এই আইনে গুমকে একটি স্বতন্ত্র, জামিন অযোগ্য ও আপস-অযোগ্য ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। গুমের সাধারণ অপরাধের জন্য অন্যূন তিন বছর থেকে সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অতিরিক্ত সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, গুমের সঙ্গে জড়িত আসামিরা অত্যন্ত শক্তিশালী এবং তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সরকারের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছেন। তিনি বলেন, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন প্রণীত হলে গুমের বিচারে গতি পাবে বলে আশাবাদ প্রকাশ করেছেন।
"এই পরিবারগুলোর (গুমের শিকার) অভিযোগের তদন্ত যখনই শুরু হয়েছে, কিছু কিছু অপরাধীদের তৎপরতাও বেড়েছে। যাঁদের বিরুদ্ধে এখন বিচার চলছে, তাঁদের বিষয়ে প্রশাসনের লক্ষ রাখা প্রয়োজন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আমিনুল ইসলাম (চিফ প্রসিকিউটর)
- 👥 উল্লেখযোগ্য ব্যক্তি: গুমের শিকার ৫৫টি পরিবারের সদস্য
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৫টি পরিবার, ৫০ লাখ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!