📅 ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৯ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ব্যাংক অ্যাপে ১০ হাজার টাকা ঋণ: জরুরি বিল পরিশোধে সুদমুক্ত সুবিধা

ব্যাংক অ্যাপে ১০ হাজার টাকা ঋণ: জরুরি বিল পরিশোধে সুদমুক্ত সুবিধা

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশ ব্যাংক জরুরি বিল পরিশোধে ব্যাংক অ্যাপে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা ঋণ চালু করেছে। এই ঋণে সুদ নেওয়া হবে না, তবে মেয়াদ ও পরিমাণ অনুযায়ী ফি দিতে হবে। ৩০ দিনের মেয়াদে সর্বোচ্চ ১৩০ টাকা ফি দিতে হবে

বাংলাদেশ ব্যাংক জরুরি বিল বা প্রয়োজনীয় ফি পরিশোধে ব্যাংক অ্যাপের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা ঋণ চালু করেছে। এই ঋণ ব্যবস্থা ‘ই-পেমেন্ট ক্রেডিট’ নামে পরিচিত এবং এটি গ্রাহকদের সাময়িক অর্থসংকট মেটাতে ডিজিটাল লেনদেনকে আরও সহজতর করতে উদ্দেশ্য করা হয়েছে। তবে এই ঋণের অর্থ নগদে তোলা বা অন্য হিসাবে স্থানান্তর করা যাবে না — শুধুমাত্র নির্ধারিত সেবা প্রদানকারীকে সরাসরি বিল বা ফি পরিশোধে ব্যবহার করতে হবে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ নেওয়া যাবে ব্যাংক অ্যাপে জরুরি বিল পরিশোধে।
  • 📌 সুদমুক্ত ঋণ, তবে মেয়াদ ও পরিমাণ অনুযায়ী ফি দিতে হবে।
  • 📌 ৩০ দিনের মেয়াদে সর্বোচ্চ ১৩০ টাকা ফি দিতে হবে ১০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে।
  • 📌 ৫০ থেকে ২৫০ টাকা ঋণে ৭ দিনের মেয়াদে সর্বোচ্চ ৩ টাকা ফি, ৩০ দিনের মেয়াদে ৬ টাকা ফি।
  • 📌 ৭, ১৫ ও ৩০ দিন — এই তিনটি মেয়াদে ঋণ নেওয়া যাবে।
  • 📌 ইউটিলিটি বিল, মোবাইল রিচার্জ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা সহ বিভিন্ন সরকারি ফি পরিশোধে এই ঋণ ব্যবহার করা যাবে।
  • 📌 নির্ধারিত সময়ে ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হলে দৈনিক জরিমানা নেওয়া যাবে, তবে সর্বোচ্চ ৩০ দিনের মেয়াদের ফি থেকে বেশি হবে না।

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশ ব্যাংক গত রোববার ‘ই-পেমেন্ট ক্রেডিট’ নামে নতুন একটি ঋণ ব্যবস্থা চালু করেছে। এই ব্যবস্থায় গ্রাহকরা ব্যাংক অ্যাপের মাধ্যমে জরুরি বিল বা প্রয়োজনীয় ফি পরিশোধের জন্য সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা ঋণ নিতে পারবেন। তবে এই ঋণের অর্থ সরাসরি নির্ধারিত সেবা প্রদানকারীকে পরিশোধে ব্যবহার করতে হবে — নগদে তোলা বা অন্য হিসাবে স্থানান্তর করা যাবে না। ঋণ ব্যবস্থাটি গ্রাহকদের সাময়িক অর্থসংকট মেটাতে এবং ডিজিটাল লেনদেনকে আরও জনপ্রিয় করতে উদ্দেশ্য করা হয়েছে।

ঋণের মেয়াদ তিনটি — ৭, ১৫ এবং ৩০ দিন। ঋণের পরিমাণ অনুযায়ী ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, ৫০ থেকে ২৫০ টাকা ঋণ নিলে ৭ দিনের মেয়াদে সর্বোচ্চ ৩ টাকা, ১৫ দিনের মেয়াদে ৪ টাকা এবং ৩০ দিনের মেয়াদে ৬ টাকা ফি দিতে হবে। অন্যদিকে, ৭ হাজার ১ টাকা থেকে ১০ হাজার টাকা ঋণ নিলে ৩০ দিনের মেয়াদে সর্বোচ্চ ১৩০ টাকা ফি দিতে হবে। ঋণের মূল টাকা ও ফি একসঙ্গে পরিশোধ করতে হবে।

গ্রাহক চাইলে নির্ধারিত সময়ের আগেই ঋণ পরিশোধ করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে কোনো সুদ, প্রিপেমেন্ট বা ফোরক্লোজার ফি নেওয়া যাবে না। তবে নির্ধারিত সময়ে ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হলে অতিরিক্ত সময়ের জন্য দৈনিক ভিত্তিতে জরিমানা বা ফি নেওয়া যাবে। এই জরিমানা ৩০ দিনের মেয়াদের জন্য নির্ধারিত দৈনিক ফির বেশি হতে পারবে না।

এই ঋণ ব্যবস্থা ব্যবহার করা যাবে ইউটিলিটি বিল, মোবাইল রিচার্জ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা, আমানতের কিস্তি, বিমা প্রিমিয়াম, টোল ও টিকিট, কর এবং বিভিন্ন সরকারি ফি পরিশোধে।

"গ্রাহকের সাময়িক অর্থসংকট মেটানো এবং ডিজিটাল লেনদেন বাড়ানো এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ (ব্যাংক অ্যাপে)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাংলাদেশ ব্যাংক, গ্রাহকদের
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ হাজার টাকা (ম্যাক্সিমাম ঋণ), ৭/১৫/৩০ দিন (মেয়াদ), ১৩০ টাকা (ম্যাক্সিমাম ফি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖