📅 ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৯ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নিখোঁজ শিশুদের পরিবার: 'কেউ ফিরিয়ে দিলে সব দেবো' — কান্নায় ভেঙে পড়লেন স্বজনরা

নিখোঁজ শিশুদের পরিবার: 'কেউ ফিরিয়ে দিলে সব দেবো' — কান্নায় ভেঙে পড়লেন স্বজনরা

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রাজধানীর একটি সংবাদ সম্মেলনে নিখোঁজ শিশুদের পরিবারগণ কান্নায় ভেঙে পড়লেন। তারা সরকারের প্রতি সহযোগিতার আবেদন জানিয়ে বললেন, 'কেউ ফিরিয়ে দিলে আমার সব সম্পদ দেবো'। পুলিশের অকার্যকর পদক্ষেপ ও রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ উঠল সম্মেলনে

রাজধানীর একটি সংবাদ সম্মেলনে নিখোঁজ শিশুদের পরিবারগণ কান্নায় ভেঙে পড়লেন। তারা সন্তানদের সন্ধান পেতে সরকারের প্রতি কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়ে বললেন, 'মৃত্যুর আগে শুধু একবার আমার ছেলেকে দেখতে চাই'। সংবাদ সম্মেলনটি 'নিখোঁজ শিশুদের পরিবারবর্গ' ও 'জিরো মিসিং চিলড্রেন ফাউন্ডেশন' এর যৌথ উদ্যোগে আজ রোববার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে অনুষ্ঠিত হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সাড়ে আট বছর আগে লালবাগ থানার নিকটে নিখোঁজ হওয়া সকাল আহমেদের বাবা ইসমাঈল হোসেন বললেন, 'ছেলের খোঁজ করতে গিয়ে সারা জীবনের সঞ্চয় প্রায় শেষ হয়ে গেছে'।
  • 📌 মো. তামিমের বাবা নজরুল ইসলাম জানান, '১৬ মাস হয়ে গেছে, বাবা ডাক শুনি না'। তিনি বলেন, ২৫ লাখ টাকা খরচ হলেও সন্তানকে ফিরিয়ে পাওয়ার কোনো আশা নেই।
  • 📌 চাঁদপুরের শাহরাস্তি থেকে পাঁচ বছর আগে নিখোঁজ হওয়া মেয়ের বাবা অভিযোগ করেন, 'পুলিশের আচরণ ছিল যেন আমিই আসামি'।
  • 📌 ঢাকার ধামরাই থেকে ৩৩৩ দিন ধরে নিখোঁজ গণেশ মণ্ডলের মা বলেন, 'পুলিশ সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পরীক্ষা করেনি'।
  • 📌 মিরপুরে নিজ বাসায় নিখোঁজ হওয়া ইব্রাহিমের বাবা মো. রানা মিয়া অভিযোগ করেন, 'পুলিশ আমার ছেলের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ গুরুত্ব দেয়নি'।
  • 📌 বনানী থেকে আট দিন আগে নিখোঁজ হওয়া সাইবারা মায়ের কথায়, 'থানায় গেলে পুলিশ প্রথমে সহযোগিতা করতে চায়নি'।
  • 📌 ৩৯ দিন ধরে নিখোঁজ মোহাম্মদ আলীর বাবা বলেন, 'থানা থেকে সাহায্য পাইনি, মুন এলার্ট থেকে বেশি সাহায্য পেয়েছি'।

📰 বিস্তারিত

সকাল আহমেদের বাবা ইসমাঈল হোসেন লালবাগ থানায় জিডি করলেও প্রশাসনিক সহযোগিতা পাননি। তিনি অভিযোগ করেন, 'বিএনপি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকায় এমনটা হয়েছে'। পেশায় ঠিকাদার এই বাবা জানান, 'মুন এলার্টের সহযোগিতা পেলেও লালবাগ থানা থেকে তেমন সহযোগিতা পাননি'। তিনি সরকারের পক্ষ থেকে সংগঠনটিকে সহযোগিতা করার আবেদন জানান।

মো. তামিমের বাবা নজরুল ইসলাম ২০২২ সালে পুলিশের চাকরি থেকে অবসর নেন। তিনি বলেন, 'নিজে পুলিশের সদস্য হয়েও পুলিশের কাছ থেকে সম্মান বা সহযোগিতা পাননি'। তিনি জানান, 'থানায় গেলে এমন আচরণ করা হতো, যেন তিনিই কোনো অপরাধ করেছেন'।

চাঁদপুরের শাহরাস্তি থেকে নিখোঁজ হওয়া মেয়ের বাবা বলেন, 'জিডি করার এক মাস পরও পুলিশ কোনো উদ্যোগ নেয়নি'। তিনি অভিযোগ করেন, 'এসপিকে প্রশ্ন করার পর এলাকায় গণহারে গ্রেপ্তার শুরু হয়'। তিনি বলেন, 'বাংলাদেশে তখন যদি মুন এলার্ট থাকত, হয়তো মেয়েকে উদ্ধার করতে পারতাম'।

গণেশ মণ্ডলের মা বলেন, 'সন্তান হারানোর পর জীবনের আনন্দ শেষ হয়ে গেছে'। তিনি অভিযোগ করেন, 'পুলিশ সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পরীক্ষা করার কথা বললেও তা করা হয়নি'।

মিরপুরে নিখোঁজ হওয়া ইব্রাহিমের বাবা মো. রানা মিয়া বলেন, 'বাজারে সিসি ক্যামেরার ফুটেজে একজন মহিলা আমার ছেলেকে কোলে নিয়ে দৌড়ে বের হচ্ছিল'। তিনি বলেন, 'ওই নারীর ছবি স্পষ্ট করার অনুরোধ করলেও পুলিশ গুরুত্ব দেয়নি'।

বনানী থেকে নিখোঁজ হওয়া সাইবারা মায়ের কথায়, 'থানায় গেলে পুলিশ প্রথমে সহযোগিতা করতে চায়নি'। তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন।

৩৯ দিন ধরে নিখোঁজ মোহাম্মদ আলীর বাবা বলেন, 'মসজিদে কোরআন পড়তে যাওয়ার কথা বলে বের হওয়ার পর থেকে নিখোঁজ ছেলে'। তিনি বলেন, 'থানা থেকে যে সাহায্য পাই নাই, তার চেয়ে বেশি সাহায্য পেয়েছি মুন এলার্ট থেকে'।

"মৃত্যুর আগে শুধু একবার আমার ছেলেকে দেখতে চাই। একবার দেখে মরতে চাই।"
"১৬ মাস হয়ে গেছে, বাবা ডাক শুনি না। একমাত্র ছেলেকে কেউ ফিরিয়ে দিলে নিজের যা সম্পদ আছে, সব দিয়ে দেবেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (লালবাগ, মিরপুর, ধামরাই, বনানী), চাঁদপুরের শাহরাস্তি
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইসমাঈল হোসেন, নজরুল ইসলাম, মো. রানা মিয়া, গণেশ মণ্ডলের মা, সাইবারা মায়েরা, মোহাম্মদ আলীর বাবা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ বছর (সকাল আহমেদ), ১৬ মাস (তামিম), ২৫ লাখ টাকা (তামিমের খরচ), ৩৩৩ দিন (গণেশ মণ্ডল), ৭ তলা (মহাখালী হাসপাতাল), ৩৯ দিন (মোহাম্মদ আলী)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖