📅 ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:০০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

জাতীয় সংসদে পাস হয় জীবনকালীন সম্পত্তি ভোগাধিকার আইন: দাতা মৃত্যুর আগ পর্যন্ত সম্পত্তি ব্যবহার করতে পারবেন

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: ডাঃ মোঃ শফিকুর রহমান ডাঃ মোঃ শফিকুর রহমান
জাতীয় সংসদে পাস হয় জীবনকালীন সম্পত্তি ভোগাধিকার আইন: দাতা মৃত্যুর আগ পর্যন্ত সম্পত্তি ব্যবহার করতে পারবেন

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জাতীয় সংসদে ১৮৮২ সালের সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের সংশোধনী বিল পাস হয়। এই বিল অনুযায়ী পিতা-মাতা বা পিতামহ-মাতামহ তাদের সন্তান বা নাতি-নাতনিকে সম্পত্তি দান করার পর দাতা জীবিত থাকা পর্যন্ত সেই সম্পত্তি ব্যবহার করতে পারবেন। বিরোধীদলীয় নেতারা আইনটি কুরআন-সুন্নাহ বিরোধী বলে আপত্তি জানিয়েছেন

জাতীয় সংসদে আজ রোববার ১৮৮২ সালের সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের সংশোধনী বিল পাস হয়। এই বিল অনুযায়ী পিতা-মাতা বা পিতামহ-মাতামহ তাদের সন্তান বা নাতি-নাতনিকে (অথবা বিপরীতক্রমে) সম্পত্তি দান করার পর দাতা নিজে জীবিত থাকা পর্যন্ত সেই সম্পত্তি ভোগ করতে পারবেন। আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বিলটি সংসদে পাসের জন্য উত্থাপন করেন। বিলের ওপর আলোচনা ও সংশোধনী প্রস্তাবগুলো নিষ্পত্তি শেষে বিলটি পাস হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৮৮২ সালের দ্যা ট্রান্সফার অব প্রোপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল সংসদে পাস হয়, যা দাতাকে জীবিত থাকা পর্যন্ত দানকৃত সম্পত্তি ব্যবহার করার অধিকার দেয়।
  • 📌 পিতা-মাতা বা পিতামহ-মাতামহ তাদের সন্তান বা নাতি-নাতনিকে (অথবা স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে) সম্পত্তি দান করার পর দাতা জীবিত থাকা পর্যন্ত সেই সম্পত্তি ভোগ করতে পারবেন।
  • 📌 বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেন, এই আইন কুরআনের মূলনীতি ও শরিয়াহর সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
  • 📌 জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য নাজিবুর রহমান দাবি করেন, নির্বাচনের আগে বিএনপি কুরআন-সুন্নাহ বিরোধী কোনো আইন পাস করবে না বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।
  • 📌 আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেন, এই আইন হেবা বা অন্য কোনো সম্পত্তি হস্তান্তরের ওপর প্রভাব ফেলবে না। এটি সামাজিক বাস্তবতার কথা বিবেচনা করে প্রণীত।
  • 📌 সংসদে আরও ১০টি সাংসদীয় কমিটি গঠন ও ১টি কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে।

📰 বিস্তারিত

আজ রোববার জাতীয় সংসদে ১৮৮২ সালের দ্যা ট্রান্সফার অব প্রোপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল পাস হয়। এই বিলের মাধ্যমে দাতা নিজের জীবনকাল পর্যন্ত দানকৃত সম্পত্তি ব্যবহার করার অধিকার সংরক্ষিত রাখা হয়েছে। আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে বলেন, বিদ্যমান আইনে সম্পত্তি হস্তান্তরের পদ্ধতি সম্পর্কে বিধান থাকলেও দাতার জীবনকাল পর্যন্ত সম্পত্তির ভোগাধিকার সংরক্ষণ করে দান করার বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট বিধান ছিল না। তিনি বলেন, এই বিধান সব ধর্মাবলম্বীদের ক্ষেত্রে সমভাবে প্রযোজ্য হবে এবং প্রচলিত সাধারণ দান, মুসলিম আইনের অধীন হেবা বা আইন দ্বারা স্বীকৃত অন্য কোনো প্রকার সম্পত্তি হস্তান্তরের ওপর কোনো প্রভাব পড়বে না।

বিল পাসের আলোচনায় বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেন, আইনের উদ্দেশ্য নিয়ে তার কোনো প্রশ্ন নেই, তবে এটি কুরআনের মূলনীতি ও শরিয়াহর সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তিনি উল্লেখ করেন, এই আইন সমাজে ব্যাপক উচ্ছৃঙ্খলা ও বিশৃঙ্খলা তৈরির আশঙ্কা রয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য নাজিবুর রহমান বলেন, নির্বাচনের আগে বিএনপি কুরআন-সুন্নাহ বিরোধী কোনো আইন পাস করবে না বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, কিন্তু তারা এই আইন পাস করতে যাচ্ছে। তিনি দাবি করেন, এই আইন ইসলামিক স্কলারদের আপত্তির মুখোমুখি হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য মাসুদ পারভেজ বলেন, সকল সন্তান পিতা-মাতার সঙ্গে একই আচরণ করছেন না। তিনি বলেন, গুটিকয়েক অপরাধীর সঙ্গে আমাদের মূল চিন্তা ও বিশ্বাসের সাংঘর্ষিক আইন পাস করা যাবে না। শেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য রাশেদুল ইসলাম বলেন, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে একটি নিয়ম থাকলেও, অধিকাংশ সংসদ সদস্য এই আইন পাসের সময় বিরোধিতা করবেন বা চুপ থাকবেন। তিনি বলেন, ইসলামিক উত্তরাধিকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক একটি কাঠামো তৈরি হলে তা মেনে নেওয়া যাবে না।

ময়মনসিংহ-৬ আসনের সংসদ সদস্য কামরুল হাসান বলেন, এই আইন সংশোধন করতে গিয়ে মুসলিম পারিবারিক আইনে হাত দেওয়া হয়েছে। তিনি দাবি করেন, মানবাধিকারের কথা বলে কৌশলে এই আইন পাস করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, এই আইন সকল ধর্মের জন্য প্রযোজ্য হবে বলে যে বিধান যুক্ত করা হয়েছে, তাতে তাদের চরম আপত্তি রয়েছে। স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা পিতা-মাতার কথা বিবেচনা করে এই বিল আনার জন্য সরকারকে ধন্যবাদ জানান।

"আমরা বিশ্বাস করি-এই আইন অগণিত পিতা-মাতার শান্তিতে শেষ নিশ্বাস ফেলতে সহায়তা করবে। এই আইন সমাজের চাহিদা পূরণ করবে।"

আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান জবাব দেন, এই আইন হেবা বা অন্যভাবে সম্পত্তি হস্তান্তরের ওপর প্রভাব ফেলবে না। তিনি বলেন, মুসলিম ল’কে টাচ করা হয়নি। তিনি ইসলামিক ব্যাংকিং প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ইসলামিক আইনে সুদ নয়, মুনাফা নেওয়া হয়। তিনি উল্লেখ করেন, একাধিক মুসলিম দেশের উদাহরণ দিয়ে বলেন, এই আইন মুসলিম পারিবারিক আইন ১৯৬১ এর তুলনায় ইসলামের সঙ্গে অসাংঘর্ষিক।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: জাতীয় সংসদ, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান, বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান, জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য নাজিবুর রহমান, চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য মাসুদ পারভেজ, শেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য রাশেদুল ইসলাম, ময়মনসিংহ-৬ আসনের সংসদ সদস্য কামরুল হাসান, স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮৮২ (বিলের বছর), ৭০ (সংবিধানের অনুচ্ছেদ), ৬ (ময়মনসিংহ আসন), ১০ (সাংসদীয় কমিটি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖