📅 ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:০০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্তদের পেনশন আত্মসাত তদন্তে নতুন কমিটি: ৬ কোটি টাকার জালিয়াতির পিছনে কর্মকর্তাদের দায় নিরূপণে ১০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা

সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্তদের পেনশন আত্মসাত তদন্তে নতুন কমিটি: ৬ কোটি টাকার জালিয়াতির পিছনে কর্মকর্তাদের দায় নিরূপণে ১০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্যদের পেনশন আত্মসাতের ঘটনায় ইএফটি চালুর পর থেকে অস্বাভাবিক বকেয়া পেনশন লেনদেন তদন্তে নতুন তিন সদস্যের কমিটি গঠিত হয়েছে। ২৬ পেনশনভোগীর নামে ৩৪৬টি বকেয়া বিল তৈরি করে ৬ কোটি ৬৮ লাখ টাকা আত্মসাতের ঘটনায় কর্মকর্তাদের দায় নিরূপণে কমিটিকে ১০ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে

সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্যদের পেনশন আত্মসাতের ঘটনায় সরকারি অর্থের অস্বাভাবিক লেনদেন তদন্তে নতুন করে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) চালুর পর থেকে অস্বাভাবিক বকেয়া পেনশন বিলের ঘটনাগুলো যাচাই করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায় নিরূপণে এই কমিটি গঠিত হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৬ কোটি ৬৮ লাখ ৭০ হাজার ৯২৮ টাকা আত্মসাতের ঘটনায় ২৬ পেনশনভোগীর নামে ৩৪৬টি বকেয়া বিল তৈরি করা হয়েছিল।
  • 📌 ২৪ আগস্ট গঠিত প্রথম তদন্ত কমিটির সুপারিশে নতুন কমিটি গঠিত হয়েছে, যেখানে সাবেক সদস্য মো. মফিজুর রহমানকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
  • 📌 নতুন কমিটির আহ্বায়ক একে এম হাছিবুর রহমান এবং সদস্য হিসেবে মোছা. বিউটি খাতুনমো. আরিফুর রহমান নিয়োগ করা হয়েছে।
  • 📌 ১০ কর্মদিবসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন সিজিডিএফের কাছে জমা দিতে বলা হয়েছে।
  • 📌 মফিজুর রহমান ২০২১ থেকে ২০২৫ সালের ৪ আগস্ট পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করছিলেন, তাই স্বার্থের সংঘাতের প্রশ্ন উঠেছে।

📰 বিস্তারিত

সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্যদের পেনশন আত্মসাতের ঘটনায় কন্ট্রোলার জেনারেল ডিফেন্স ফাইন্যান্স (সিজিডিএফ) কার্যালয়ের এক অফিস আদেশে নতুন কমিটি গঠনের কথা ঘোষণা করা হয়েছে। আদেশে বলা হয়েছে, গত ২৪ আগস্ট গঠিত প্রথম তদন্ত কমিটির প্রাথমিক প্রতিবেদনে বিষয়টি আরও যাচাইয়ের প্রয়োজন বলে উল্লেখ করা হয়েছিল। এরপর নতুন কমিটি গঠনের মাধ্যমে পুরো ঘটনাটি পূর্ণাঙ্গভাবে তদন্ত করা হবে।

প্রথম তদন্ত কমিটিতে সদস্য হিসেবে ছিলেন মো. মফিজুর রহমান, যিনি ২০২১ থেকে ২০২৫ সালের ৪ আগস্ট পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করছিলেন। তবে নতুন কমিটিতে তাঁকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। কারণ, তাঁর দায়িত্ব পালনের সময়কাল তদন্তের আওতাধীন সময়ের প্রায় ১৩ মাস জুড়ে ছিল, যা স্বার্থের সংঘাতের প্রশ্ন উঠিয়ে দিয়েছে।

নতুন কমিটির কার্যপরিধিতে বলা হয়েছে, সিসিডিএফ (পেনশন ও ফান্ড) কার্যালয়ে ইএফটি কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর থেকে আজ পর্যন্ত যেসব পেনশনভোগীর নামে অস্বাভাবিক বকেয়া পেনশন দেওয়া হয়েছে, সেগুলো চিহ্নিত করতে হবে। একই সঙ্গে পাওনা না থাকা সত্ত্বেও যেসব পেনশন বিল পরিশোধ করা হয়েছে, সেগুলো চিহ্নিত করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়দায়িত্ব নিরূপণ করতে হবে।

প্রথম আলোর অনুসন্ধানে দেখা গেছে, অনুমোদনহীন বকেয়া বিল তৈরি করে পেনশনভোগীদের হিসাবে অর্থ পাঠানো হতো। পরে কমিশন রেখে বাকি টাকা কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবে ফেরত নেওয়া হতো। ভুয়া ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে সেই অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত এসেছে বলে নথিতে সমন্বয় করা হয়েছে।

"সিসিডিএফ কার্যালয়ে পেনশনের বাইরে অবসরপ্রাপ্ত সদস্যদের ব্যাংক হিসাবে বিপুল অর্থ পাঠানোর তথ্য উঠে আসে। প্রাথমিক তদন্তে ২৬ পেনশনভোগীর নামে ৩৪৬টি বকেয়া পেনশন বিল তৈরি করে ৬ কোটি ৬৮ লাখ টাকা সরানোর তথ্য পাওয়া যায়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্যদের পেনশন কার্যালয়, সিজিডিএফ কার্যালয়
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: একে এম হাছিবুর রহমান, মোছা. বিউটি খাতুন, মো. আরিফুর রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ কোটি ৬৮ লাখ ৭০ হাজার ৯২৮ টাকা, ২৬ পেনশনভোগী, ৩৪৬টি বকেয়া বিল, ১০ কর্মদিবস

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖