📌 মাদারীপুর পৌরসভা নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা না হলেও সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীরা শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পোস্টার-ব্যানার টাঙিয়ে পরিবেশের ক্ষতি করছে। পরিবেশবাদীরা প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন
মাদারীপুরে পৌরসভা নির্বাচনের কোনো তফসিল ঘোষণা না হলেও সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীরা শহরের পরিবেশকে রঙিন করে দিয়েছেন। পৌরসভায় নির্বাচনের খবর না থাকলেও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পোস্টার-ব্যানার টাঙিয়ে পরিবেশবান্ধব নিষিদ্ধ স্থানে গাছের ক্ষতি করছে তারা। পরিবেশবাদীরা প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মাদারীপুর পৌরসভা নির্বাচনের তারিখ বা তফসিল এখনো ঘোষণা করা হয়নি, কিন্তু সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীরা শহরে পোস্টার-ব্যানার টাঙিয়ে পরিবেশের ক্ষতি করছে
- 📌 জেলা প্রশাসক বাসভবনের সামনে, বাসস্ট্যান্ড, শিল্পকলা একাডেমি, সদর উপজেলা পরিষদ, গণপূর্ত বিভাগসহ শহরের বিভিন্ন স্থানে পোস্টার-ব্যানার টাঙানো হয়েছে
- 📌 পোস্টার-ব্যানারে সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন: অ্যাডভোকেট মো. জামিনুর হোসেন মিঠু, অ্যাডভোকেট রেজাউল করিম রেজা, মর্তুজা আলম ঢালী, মিজানুর রহমান মুরাদ, রফিকুল ইসলাম মাতুব্বর, নজরুল ইসলাম লিটু, সাইদুল ইসলাম লাবলু হাওলাদার, অহিদুজ্জামান খান অহিদ, আবদুল্লাহ আল মামুন চৌধুরী, কাজী কাওসার প্রমুখ
- 📌 পরিবেশবাদী সংগঠন ফ্রেন্ডস অব নেচারের সদস্য শাখাওয়াত হোসেন মামুন বলেছেন, শহরজুড়ে শুধু ব্যানার আর পোস্টার দেখে মনে হয় বিজ্ঞাপনের শহর। গাছে পেরেক দিয়ে পোস্টার লাগানোর ফলে গাছের ক্ষতি হচ্ছে
- 📌 মাদারীপুর পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার আবু আহমেদ ফিরোজ ইলিয়াস জানান, বেশ কয়েকবার অভিযান চালিয়ে পোস্টার-ব্যানার অপসারণ করা হলেও আবার টাঙানো হয়
📰 বিস্তারিত
মাদারীপুর পৌরসভা নির্বাচনের কোনো তফসিল ঘোষণা না হলেও সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীরা শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পোস্টার-ব্যানার টাঙিয়ে পরিবেশের ক্ষতি করছে। পরিবেশবাদীদের দাবি, এসব পোস্টার-ব্যানারে শহরের সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে এবং গাছের ক্ষতি হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, জেলা প্রশাসকের বাসভবনের সামনে, নতুন ও পুরোনো বাসস্ট্যান্ড এলাকা, জেলা শিল্পকলা একাডেমির সামনে, সদর উপজেলা পরিষদের সামনে, গণপূর্ত বিভাগের সামনেসহ শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে টাঙানো হয়েছে পোস্টার-ব্যানার। এমনকি শহরের গাছেও পেরেক মেরে পোস্টার ব্যানার টাঙানো হয়েছে।
পোস্টার-ব্যানারে সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট মো. জামিনুর হোসেন মিঠু, অ্যাডভোকেট রেজাউল করিম রেজা, মর্তুজা আলম ঢালী, মিজানুর রহমান মুরাদ, রফিকুল ইসলাম মাতুব্বর, নজরুল ইসলাম লিটু, সাইদুল ইসলাম লাবলু হাওলাদার, অহিদুজ্জামান খান অহিদ, আবদুল্লাহ আল মামুন চৌধুরী, কাজী কাওসার প্রমুখ।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে সম্ভাব্য এক প্রার্থী বলেন, অনেকেই পরিচিতির জন্য নিজের পোস্টার বা ব্যানার টাঙিয়েছেন। তাই আমিও প্রচার ও পরিচিতির জন্য টাঙিয়েছি। যদি প্রশাসন তা অপসারণ করে আর কেউ যদি না টাঙায়, তাহলে আমিও এই কাজ থেকে বিরত থাকব।
গণপূর্ত বিভাগের পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়া রাকিব হাসান নামে এক পথচারী বলেন, দেয়ালটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি অফিস গণপূর্ত বিভাগের। অথচ দেখে বোঝার উপায় নেই। মনে হচ্ছে, বিজ্ঞাপন দেওয়ার স্থান। সরকারি অফিসের দেয়ালে এভাবে কেউ বিজ্ঞাপন দিতে পারে তা আমার বোধগম্য নয়।
মাদারীপুর সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী নবীন হাসান বলেন, শহরের চারপাশেই বিভিন্ন নেতাদের রঙিন ব্যানার পোস্টারে ভরা, যা দেখতে মোটেও ভালো লাগে না। নির্বাচনের কোনো কার্যক্রম এখনো শুরু হয়নি। এখনই এই অবস্থা। প্রশাসনের উচিত অভিযান চালিয়ে এসব নামানো।
জেলার পরিবেশবাদী সংগঠন ফ্রেন্ডস অব নেচারের সদস্য শাখাওয়াত হোসেন মামুন বলেন, শহরজুড়ে শুধু শুধু ব্যানার আর পোস্টার। দেখে যেন মনে হয় বিজ্ঞাপনের শহর। তা ছাড়া বিভিন্ন গাছে পেরেক দিয়ে পোস্টার লাগানোতে গাছের ক্ষতি হচ্ছে। এগুলো অপসারণে প্রশাসনের এগিয়ে আসা উচিত।
মাদারীপুর পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার আবু আহমেদ ফিরোজ ইলিয়াস বলেন, বেশ কয়েকবার অভিযান চালিয়ে পোস্টার-ব্যানার অপসরণ করা হয়েছিল। জেলা প্রশাসনও অভিযান চালিয়ে অপসারণ করেছিল। কিন্তু অপসারণ করার কয়েক দিন যেতেই আবার তাঁরা পোস্টার-ব্যানার লাগায়। খুব শিগগিরই আবার এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
"এই অবস্থা দেখে মনে হয় বিজ্ঞাপনের শহর। গাছের ক্ষতি হচ্ছে। প্রশাসনকে এগিয়ে আসতে হবে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মাদারীপুর শহর (জেলা প্রশাসক বাসভবন, বাসস্ট্যান্ড, শিল্পকলা একাডেমি, সদর উপজেলা পরিষদ, গণপূর্ত বিভাগ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শাখাওয়াত হোসেন মামুন (ফ্রেন্ডস অব নেচার), খোন্দকার আবু আহমেদ ফিরোজ ইলিয়াস (পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা), রাকিব হাসান (পথচারী), নবীন হাসান (শিক্ষার্থী), সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০+ (প্রার্থীদের সংখ্যা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!