📌 হাইকোর্ট মোহাম্মদ আসিফ বনাম রাষ্ট্র মামলায় রায় দিয়েছে যে আইনজীবীর ভুলের কারণে মোক্কেলকে ক্ষতির শিকার হতে দেওয়া যাবে না। বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামান ও তামান্না রহমান খালিদীর বেঞ্চ মামলাটি পুনর্বিচারের জন্য অধস্তন আদালতে ফেরত পাঠিয়েছে
হাইকোর্ট আইনজীবীর ত্রুটির কারণে মোক্কেলকে ক্ষতির শিকার হতে দেওয়া যাবে না বলে রায় দিয়েছে। মোহাম্মদ আসিফ বনাম রাষ্ট্র মামলায় বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামান ও তামান্না রহমান খালিদীর বেঞ্চ ২৮ অক্টোবর রায় দিয়েছেন। রায়ে বলা হয়েছে, মামলার আরজি প্রস্তুত করার সময় আইনজীবীর ত্রুটি মোক্কেলের কোনো দায়িত্বে পরিণত হয়নি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 হাইকোর্ট মামলায় আইনজীবীর ভুলের কারণে মোক্কেল মোহাম্মদ আসিফের ভোগান্তি হওয়া উচিত নয় বলে রায় দিয়েছে
- 📌 ২০১৭ সালের ১৫ জুন ঢাকার যুগ্ম জেলা জজ আদালতে মামলা খারিজ হওয়ার পর মোহাম্মদ আসিফ ২০১৮ সালে হাইকোর্টে ফাস্ট আপিল দায়ের করেন
- 📌 ৬৭.৪০ শতাংশ জমির পরিবর্তে ৫৮.৬৮ শতাংশ জমি ভুলবশত কাজী সালাহউদ্দিনের নামে রেকর্ডভুক্ত হওয়ার বিষয়টি আইনজীবী উপস্থাপন করেননি
- 📌 ১৯৫২ সালের ১৮ জুন, ১৭ সেপ্টেম্বর ও ২৮ আগস্ট তারিখে রেজিস্ট্রিকৃত পাট্টা দলিলের মাধ্যমে জমি কাজী আবু সাঈদের হস্তান্তর করা হয়েছিল
- 📌 ১৯৮৯ সালের ৩১ মে রেজিস্ট্রিকৃত কবলা দলিলের মাধ্যমে মোহাম্মদ আসিফের কাছে ৬৭.৬৪ শতাংশ জমি হস্তান্তর করা হয়েছিল
📰 বিস্তারিত
হাইকোর্টের রায়ে বলা হয়েছে, মামলার আরজি প্রস্তুত করার সময় আইনজীবীর ত্রুটি মোক্কেলের কোনো ভূমিকা ছিল না। এতে মোক্কেলের (বাদী) ভোগান্তি হওয়া উচিত নয়। রায়ে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, উভয় পক্ষকে তাদের নিজস্ব আরজি সংশোধন করার এবং প্রয়োজনীয় সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপনের সুযোগ দিয়ে মামলাটি পুনর্বিচারের জন্য অধস্তন আদালতে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, মোহাম্মদ আসিফ ৬৭.৪০ শতাংশ জমির ওপর স্বত্ব ঘোষণা চেয়ে মামলা দায়ের করেছিলেন। বাদীর দাবি অনুযায়ী, ওই জমিটি প্রসন্ন কুমার বসু ও অন্যান্যদের ছিল এবং সিএস খতিয়ান নম্বর ২৭১৫-এ সঠিকভাবে রেকর্ড করা হয়েছিল। তবে, আরএস খতিয়ানে সর্বমোট ৬৭.৪০ শতাংশ জমির পরিবর্তে কেবল ৫৮.৬৮ শতাংশ জমি কাজী সালাহউদ্দিনের নামে ভুলবশত রেকর্ডভুক্ত হয়।
মামলার আরজিতে আইনজীবী আরএস খতিয়ানে ৬৭.৪০ শতাংশ জমির পরিবর্তে মাত্র ৫৮.৬৮ শতাংশ জমি কাজী সালাহউদ্দিনের নামে ভুলবশত রেকর্ডভুক্ত হওয়ার বিষয়টি সঠিকভাবে উপস্থাপন করেননি। গুরুত্বপূর্ণ এই বিষয়গুলো আইনজীবীর দৃষ্টি থেকে এড়িয়ে যাওয়ায় মোহাম্মদ আসিফ এ মামলায় ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। যার ফলশ্রুতিতে ২০১৭ সালের ১৫ জুন ঢাকার যুগ্ম জেলা জজ আদালতে মামলাটি খারিজ হয়ে যায়।
"মামলার সার্বিক তথ্য-উপাত্ত এবং রেকর্ডের নথিপত্র বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, উভয় পক্ষকে তাদের নিজ নিজ আরজি সংশোধন করার এবং প্রয়োজনে অতিরিক্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপনের সুযোগ দিয়ে যদি মামলাটি পুনর্বচারের জন্য বিচারিক আদালতে ফেরত পাঠানো হয়, তবেই ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ আসিফ, বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামান, বিচারপতি তামান্না রহমান খালিদী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৭.৪০ শতাংশ, ৫৮.৬৮ শতাংশ, ২০১৭ সালের ১৫ জুন, ২০১৮
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!