📌 আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান ই-পারিবারিক আপিল আদালত উদ্বোধনে বলেছেন, ৪৬ লাখের বেশি মামলা নিষ্পত্তি ও বিচারকদের দায়িত্বে অবহেলা মোকাবেলায় সরকার কাজ করছে। তিনি প্রযুক্তি ব্যবহার বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ডিজিটাল পদ্ধতির মাধ্যমে বিচারব্যবস্থাকে আরও দক্ষ ও আস্থাজনক করার আহ্বান জানিয়েছেন
বিচারব্যবস্থাকে মানুষের আস্থার জায়গায় পরিণত করতে সরকারের নতুন উদ্যোগের অংশ হিসেবে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বিচারপ্রক্রিয়ায় প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার ও ন্যায়বিচারের দ্রুতগতির পথে অগ্রসর হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ঢাকায় ই-পারিবারিক আপিল আদালতের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেছেন, দেশে বর্তমানে ৪৬ লাখেরও বেশি মামলা বিচারাধীন রয়েছে, যা বিচারকদের ওপর অমানবিক চাপ সৃষ্টি করছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৪৬ লাখের বেশি মামলা বিচারাধীন থাকায় বিচারকদের ওপর চাপ কমাতে সরকার কাজ করছে বলে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানান।
- 📌 বেলা ১১টার পর থেকে দুপুর ২টার মধ্যে আদালতের কার্যক্রম শেষ করে যাওয়া বিচারকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দেন তিনি।
- 📌 কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার বাড়ানোর মাধ্যমে বিচারব্যবস্থাকে আরও দক্ষ ও আস্থাজনক করার আশা প্রকাশ করেন আইনমন্ত্রী।
- 📌 ই-বেইল বন্ড চালু হয়েছে এবং ডিজিটাল হাজিরা নিশ্চিতকরণের ব্যবস্থা চলছে বলে জানান তিনি।
- 📌 আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ইতোমধ্যে ডিজিটাল হাজিরার ব্যবস্থা চালু হয়েছে বলে আইনমন্ত্রী উল্লেখ করেন।
📰 বিস্তারিত
বিচারব্যবস্থাকে মানুষের আস্থার জায়গায় পরিণত করতে হলে সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে — এই কথা বলেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ডিজিটাল প্রযুক্তি বিচারব্যবস্থার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিচার বিভাগকে প্রযুক্তিগতভাবে আরও দক্ষ হতে হবে। আইনমন্ত্রী জানান, তরুণ বিচারকদের এআই ও ডিজিটাল প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে সক্ষম এবং তারা বিচারব্যবস্থায় এ প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করবেন।
বিচারকদের দায়িত্ব পালনের বিষয়ে আইনমন্ত্রী উল্লেখ করেন, কিছু বিচারকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, তারা বেলা ১১টার পর থেকে দুপুর ২টার মধ্যে আদালতের কার্যক্রম শেষ করে যান। তিনি বলেন, এমন দায়িত্বে অবহেলার ঘটনা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট বিচারকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আইনমন্ত্রী আরও জানান, ইতোমধ্যে ই-বেইল বন্ড চালু করা হয়েছে এবং এর সুফল জনগণ পেতে শুরু করেছে। ডিজিটাল মাধ্যমে সাক্ষ্য গ্রহণ ও হাজিরা নিশ্চিত করার বিষয়েও কাজ করার চিন্তাভাবনা চলছে। তিনি জানান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ইতোমধ্যে কোনো কোনো আসামির ক্ষেত্রে ডিজিটাল হাজিরার ব্যবস্থা চালু হয়েছে। নির্ধারিত তারিখে আসামিরা কারাগারে অবস্থান করলেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার মাধ্যমে তাঁদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হচ্ছে। পরে আদালত ডিজিটাল পদ্ধতিতে তাঁদের হাজিরা নিশ্চিত করছেন।
"ন্যায়বিচারকে মানুষের আস্থা ও ভরসার জায়গায় পরিণত করতে হলে সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে। বর্তমান সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডিজিটাল খাত বড় চ্যালেঞ্জ। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিচার বিভাগকে প্রযুক্তিগতভাবে আরও দক্ষ হতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৬ লাখ (বিচারাধীন মামলা), ১১ টা (বেলা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!