📅 ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৪১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ট্রাইব্যুনাল মৃত্যুদণ্ড: মানবতাবিরোধী অপরাধে হানিফসহ চার নেতাকে দণ্ডিত

ট্রাইব্যুনাল মৃত্যুদণ্ড: মানবতাবিরোধী অপরাধে হানিফসহ চার নেতাকে দণ্ডিত

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 সারাবাংলা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মানবতাবিরোধী অপরাধে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় কুষ্টিয়ায় ছয়জন হত্যার মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ মাহবুবুল আলম হানিফকে মৃত্যুদণ্ড এবং অন্য তিন নেতাকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছে। ২৯ অক্টোবর রায় ঘোষণা করা হয়

২৯ অক্টোবর ঢাকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ মাহবুবুল আলম হানিফসহ চার নেতাকে মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত করে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় মাহবুবুল আলম হানিফকে মৃত্যুদণ্ড এবং কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সদর উদ্দিন খান, সাধারণ সম্পাদক আজগর আলী ও আতাউর রহমান আতাকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মাহবুবুল আলম হানিফকে মৃত্যুদণ্ড এবং সদর উদ্দিন খান, আজগর আলী ও আতাউর রহমান আতাকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়া হয় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায়।
  • 📌 ২৯ অক্টোবর দুপুর ১২টায় ট্রাইব্যুনাল-২ রায় ঘোষণা করে। বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী নেতৃত্ব দেন।
  • 📌 ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দমনে কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় চার নেতার বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ ছিল।
  • 📌 ১৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য এবং অতিরিক্ত প্রমাণাদি দাখিলের পর রায় ঘোষণা করা হয়।
  • 📌 মামলায় চিপ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম এবং স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী আমির হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

📰 বিস্তারিত

২৯ অক্টোবর দুপুর ১২টায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী নেতৃত্বাধীন প্যানেল রায় ঘোষণা করেন। বিচারপতি মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর প্যানেলের অন্য সদস্য ছিলেন।

মামলায় অভিযোগ ছিল জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধ। প্রথম অভিযোগে বলা হয়, মাহবুবুল আলম হানিফ ২০২৪ সালের জুলাই মাসে বিভিন্ন বৈঠকে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে উসকানি দিয়েছিলেন। তিনি ২৯ জুলাই জাতীয় প্রেসক্লাবে দেওয়া বক্তব্যে আন্দোলনকারীদের ‘জামায়াত’, ‘সন্ত্রাসী’ ও ‘সাম্প্রদায়িক’ আখ্যা দিয়ে হত্যা-নির্যাতনের উসকানি দেন।

দ্বিতীয় অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ২৭ জুলাই কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের বৈঠকে হানিফ সর্বোচ্চ বল প্রয়োগের নির্দেশ দেন। তৃতীয় অভিযোগে ৫ আগস্ট কুষ্টিয়া শহরে ছয়জনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় চার নেতার সংশ্লিষ্টতা উল্লেখ করা হয়। নিহতদের মধ্যে ছিলেন শ্রমিক আশরাফুল ইসলাম, শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ আল মুস্তাকিন, ব্যবসায়ী বাবলু ফরাজী এবং চাকরিজীবী ইউসুফ শেখ।

মামলায় ১৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণের পর ২৩ এপ্রিল তদন্ত শেষ হয়। ২০২৫ সালের ২ নভেম্বর আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠিত হয়। ২০২৫ সালের ৫ অক্টোবর অভিযোগ দাখিল এবং পরদিন ৬ অক্টোবর আমলে নেওয়া হয়।

"আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের পরিকল্পনাকে সমর্থন করায় মাহবুবুল আলম হানিফের মৃত্যুদণ্ড এবং অন্য তিন নেতাকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (ট্রাইব্যুনাল-২), কুষ্টিয়া (ঘটনাস্থল)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মাহবুবুল আলম হানিফ, সদর উদ্দিন খান, আজগর আলী, আতাউর রহমান আতা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৯ অক্টোবর (রায় ঘোষণা), ১৯ জন (সাক্ষী), ৬ জন (নিহত)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖