📌 গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২-এ হত্যা মামলার আসামি রাজু আত্মহত্যা করে। পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জের বাসিন্দা রাজু শৌচাগারের দরজায় গামছা পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন। মৃত ঘোষণা হওয়ার পর ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়
গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২-এ হত্যা মামলার আসামি রাজু আত্মহত্যা করে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে কারাগারের শৌচাগারের দরজায় গামছা পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন তিনি। পরবর্তীতে কারারক্ষীরা তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে বেলা সাড়ে ৩টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জের ভাউলাগঞ্জ গ্রামের বাসিন্দা রাজু আত্মহত্যা করে গলায় ফাঁস দেন
- 📌 রাজু হত্যা মামলার আসামি ছিলেন, কারাগার-২-এর শৌচাগারে আত্মহত্যা করেন
- 📌 মৃত ঘোষণা হওয়ার পর ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়
- 📌 আত্মহত্যার ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে
📰 বিস্তারিত
গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২-এর সিনিয়র জেল সুপার হালিমা আক্তার জানান, আত্মহত্যার ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার বিকেলে। রাজু শৌচাগারের দরজায় গামছা পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন। পরবর্তীতে ডিউটিরত কারারক্ষীরা তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
রাজু পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জের ভাউলাগঞ্জ গ্রামের আয়নাল হকের ছেলে। সিনিয়র জেল সুপার হালিমা আক্তার জানান, ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
"বৃহস্পতিবার বিকেলে কারাগার-২ এর শৌচাগারের দরজার সঙ্গে গামছা পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন রাজু। পরবর্তীতে ডিউটিরত কারারক্ষী তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেন। সেখানে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে বেলা সাড়ে ৩টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাজীপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২, শৌচাগার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাজু (আত্মহত্যা করা আসামি), হালিমা আক্তার (সিনিয়র জেল সুপার)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ নভেম্বর (ঘটনার তারিখ), ৩:৩০ (মৃত ঘোষণা সময়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!