📅 ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:১৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গাজীপুরে প্রেমিকের বিয়ের চাপে নারীর লাশ স্যুটকেসে ভরে ডোবায় ফেলা, তিনজন গ্রেপ্তার

গাজীপুরে প্রেমিকের বিয়ের চাপে নারীর লাশ স্যুটকেসে ভরে ডোবায় ফেলা, তিনজন গ্রেপ্তার

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গাজীপুরের জয়দেবপুরে প্রেমিকের বিয়ের চাপে নারীর লাশ স্যুটকেসে ভরে ডোবায় ফেলা হয়। পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে এবং হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করেছে। নিহত নারীর নাম ডলি আক্তার (৩০)।

গাজীপুরের জয়দেবপুরে একটি ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করে পুলিশ। প্রেমিকের বিয়ের চাপে নারীর লাশ স্যুটকেস ও প্লাস্টিকের বস্তায় ভরে ডোবায় ফেলা হয়। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তিনজনকে গ্রেপ্তার করে এবং তাদের স্বীকারোক্তি থেকে হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত জানা যায়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গাজীপুরের জয়দেবপুরে প্রেমিকের বিয়ের চাপে নারীর লাশ স্যুটকেস ও প্লাস্টিকের বস্তায় ভরে ডোবায় ফেলা হয়।
  • 📌 নিহত নারীর নাম ডলি আক্তার (৩০), ময়মনসিংহের বাসিন্দা। তিনি গাজীপুরে গার্মেন্টসে কাজ করতেন।
  • 📌 প্রেমিক মিশন ইসলাম (২২) ও তার মা বানু আক্তার (৪৩) এবং বন্ধু মিজানুর রহমান (২৪) গ্রেপ্তার।
  • 📌 ৮ সেপ্টেম্বর রাতে মিশন ঘুমের ওষুধ খাওয়িয়ে ডলিকে হত্যা করে। পরে লাশটি দ্বিখণ্ডিত করে ডোবায় ফেলা হয়।
  • 📌 পিবিআই আধুনিক প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন করেছে।

📰 বিস্তারিত

গাজীপুরের জয়দেবপুরে ১১ সেপ্টেম্বর বিকেলে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশের একটি ডোবায় স্যুটকেস ও প্লাস্টিকের বস্তা ভাসতে দেখে স্থানীয় লোকজন আশঙ্কিত হয়ে পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ সেগুলো উদ্ধার করে এবং স্যুটকেস ও বস্তার ভেতর থেকে নারীর দ্বিখণ্ডিত ও অর্ধগলিত লাশ পাওয়া যায়। পিবিআই স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের সহায়তায় নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করে।

নিহত ডলি আক্তার (৩০) ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার বাদশা মিয়ার মেয়ে। তিনি গাজীপুরের জয়দেবপুরের বানিয়ারচালা এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন এবং বাঘের বাজার এলাকার একটি গার্মেন্টসে সুইং অপারেটর হিসেবে কাজ করতেন। তার প্রেমিক মিশন ইসলাম (২২) বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার সৈয়দপুর পূর্বপাড়া গ্রামের মাসকুর আলমের ছেলে। মিশনের বাসায় যান ডলি ৮ সেপ্টেম্বর রাতে। সেখানে বিয়ে নিয়ে কথা-কাটাকাটি হয় এবং মিশন কৌশলে ডলিকে ঘুমের ওষুধ খাওয়িয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেন।

মিশন লাশটি চৌকির নিচে লুকিয়ে রাখেন। পরদিন সকালে তাঁর মা বানু আক্তার লাশটি দেখতে পান। পরে লাশ গুমের পরিকল্পনায় তিনি যুক্ত হন। স্যুটকেসে লাশটি না ধরায় কোমর থেকে লাশটি দ্বিখণ্ডিত করা হয়। মিশনের বন্ধু মিজানুর রহমান (২৪) ওরফে মিল্টনকে ডেকে অটোরিকশায় করে স্যুটকেস ও বস্তা ভবানীপুরের একটি সেতুতে নেওয়া হয়। সেখান থেকে সেগুলো ডোবায় ফেলে দেওয়া হয়।

"৮ সেপ্টেম্বর রাতে মিশনের বাসায় যান ডলি। সেখানে বিয়ে নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে মিশন কৌশলে তাঁকে ঘুমের ওষুধ খাওয়ানোর পর শ্বাসরোধে হত্যা করেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: জয়দেবপুর, গাজীপুর; ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক, ভবানীপুর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডলি আক্তার (৩০), মিশন ইসলাম (২২), বানু আক্তার (৪৩), মিজানুর রহমান (২৪)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ (ডলির বয়স), ২২ (মিশনের বয়স), ৪৩ (বানু আক্তারের বয়স), ২৪ (মিল্টনের বয়স)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖