📌 আইনজীবী নাদিম মাহমুদ দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে জমি দখলের হুমকিতে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় মামলা দায়ের করেন। সুপ্রিম কোর্টের আদালত নালিশি দরখাস্তকে মামলায় রূপান্তর করার নির্দেশ দিয়েছে। আসামিদের মধ্যে ৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী নাদিম মাহমুদ দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে জমি দখলের হুমকিতে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় মামলা দায়েরের পর আদালত নালিশি দরখাস্তকে মামলায় রূপান্তর করার নির্দেশ দিয়েছে। গত ৮ সেপ্টেম্বর ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আয়েশা সিদ্দিকা আদেশ দেন যে, আগামী পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নালিশি দরখাস্তকে মামলায় রেকর্ড করতে হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আইনজীবী নাদিম মাহমুদ পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় জমি দখলের হুমকিতে মামলা দায়ের করেন
- 📌 দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের রাজেন্দ্রপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় ২৫ শতাংশ জমি দখলের চেষ্টা করা হয়
- 📌 আসামিদের মধ্যে ৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, এছাড়া অজ্ঞাতনামা ১৫-২০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ
- 📌 আদালত মামলাটিকে দণ্ডবিধি ৩৮৫, ৪২৭, ৪৪৭, ১৪৩, ১৪৭, ১৪৯, ৫০৬(২), ১২০-বি ও ৩৪ ধারায় দায়েরের নির্দেশ দিয়েছে
- 📌 পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আসামিদের কর্মকাণ্ড বন্ধ করে দিলেও তারা প্রাণনাশের হুমকি দেন
📰 বিস্তারিত
নাদিম মাহমুদের অভিযোগে বলা হয়েছে, পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। চাঁদার টাকা না দেওয়ায় তাকে ও তার পরিবারকে সম্পত্তি থেকে উচ্ছেদ এবং জমি দখলের হুমকি দেওয়া হয়। গত ১৪ আগস্ট বিকেল ৪টার দিকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের রাজেন্দ্রপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন খালপাড় এলাকায় বাদীর বাড়ির সামনে তার পথরোধ করেন ১ ও ২ নম্বর আসামির নির্দেশে ৩ থেকে ৬ নম্বর আসামি। তারা তাকে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন এবং এক সপ্তাহের মধ্যে টাকা না দিলে সম্পত্তি থেকে উচ্ছেদ ও জবরদখলের হুমকি দেন।
গত ২৮ আগস্ট বিকেল ৫টার দিকে ৭ থেকে ৯ নম্বর আসামি একইভাবে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। টাকা না দিলে তাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো এবং সম্পত্তি থেকে উচ্ছেদ করার হুমকি দেওয়া হয়। সর্বশেষ ৫ সেপ্টেম্বর দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ১ থেকে ৯ নম্বর আসামিসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১৫ থেকে ২০ জন ব্যক্তি বাদীর মালিকানাধীন জমিতে প্রবেশ করেন। তারা জমিতে গাছপালা ও মাটি কাটতে থাকেন এবং সেখানে প্রাচীর নির্মাণের চেষ্টা করেন। বাদীর পরিবারের সদস্য ও সাক্ষীরা এতে বাধা দিলে আসামিরা উত্তেজিত হয়ে মারধরের চেষ্টা করেন এবং প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করেন।
নালিশি দরখাস্তে উল্লেখ করা হয়েছে, বাদীর বাবা ও জেঠার নামে থাকা সাফ কবলা দলিলের মাধ্যমে পাওয়া জমির পরিমাণ ২৫ শতাংশ। এর মধ্যে আরএস খতিয়ান নম্বর ১৩৪৯ এবং আরএস দাগ নম্বর ৩২৪২-এর ১২ দশমিক ৫০ শতাংশ করে মোট ২৫ শতাংশ জমি রয়েছে। দলিল নম্বর ৫৬২২ ও ৫৬২০, যার তারিখ ১৭ অক্টোবর ১৯৮৮।
"আমাকে ও আমার পরিবারকে সম্পত্তি থেকে উচ্ছেদ এবং জমি দখলের হুমকি দেওয়া হয়। একদল লোক আমার জমিতে প্রবেশ করে গাছপালা ও মাটি কাটে এবং প্রাচীর নির্মাণের চেষ্টা করে। আমি পুলিশের কাছে গেলে তারা আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেন।" — নাদিম মাহমুদ
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের রাজেন্দ্রপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন খালপাড় এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আইনজীবী নাদিম মাহমুদ, ম্যাজিস্ট্রেট আয়েশা সিদ্দিকা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ শতাংশ জমি, ৫ লাখ টাকা চাঁদা, ৯ জন পরিচিত আসামি, ১৫-২০ জন অজ্ঞাতনামা আসামি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!