📅 ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:৪৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গ্যাস সরবরাহের সংকটে মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আশাবাদ

👥 উল্লেখিত ব্যক্তিত্ব: তারেক রহমান তারেক রহমান
গ্যাস সরবরাহের সংকটে মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আশাবাদ

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে শিল্প-কারখানাসহ গ্যাস সরবরাহ এক-দেড় মাস আগের অবস্থায় ফিরে আসবে। তিনি ব্যবসায়ী ও গণমাধ্যমের সহযোগিতার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, বিদ্যুৎ-জ্বালানি সংকটের দীর্ঘমেয়াদি সমাধান নিশ্চিত করতে সরকার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে

ঢাকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিল্প-কারখানাসহ গ্যাস সরবরাহের সংকটের দীর্ঘমেয়াদি সমাধান নিয়ে সচিবালয়ে ব্যবসায়ী ও গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। তিনি মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা থেকে গ্যাস সরবরাহের অবস্থা এক-দেড় মাস আগের মতো স্বাভাবিক হয়ে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে** শিল্প-কারখানাসহ গ্যাস সরবরাহের অবস্থা এক-দেড় মাস আগের মতো স্বাভাবিক হবে বলে প্রধানমন্ত্রী আশাবাদ জানান
  • 📌 **দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের দুর্ঘটনা** ছিল গ্যাস সংকটের মূল কারণ, যা ইতোমধ্যে সমাধান করা হয়েছে
  • 📌 **২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে** তৃতীয় ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে
  • 📌 **৬ মাসে সংকট সমাধান সম্ভব নয়** — প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া এই সমস্যা দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে নিরসন করা যাবে
  • 📌 **ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনীতির ক্ষতির আশঙ্কা** মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রী ব্যবসায়ী ও গণমাধ্যমের সহযোগিতার আহ্বান জানান
  • 📌 **২০৩৪ সালের এক ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির লক্ষ্য** পূরণের জন্য নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ-জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে

📰 বিস্তারিত

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে অনুষ্ঠিত আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জ্বালানি পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ব্যবসায়ী ও গণমাধ্যমের সর্বাত্মক সহযোগিতা চেয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের সহযোগিতা করবেন, যাতে আমরা আপনাদের জন্য আরও ভালো কিছু করতে পারি।’ প্রধানমন্ত্রী জানান, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করতে সরকার নির্দিষ্ট সময়সীমা ধরে কাজ করছে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে ব্যবসা-বাণিজ্যের পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিও উপকৃত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি।

গ্যাস সংকটের কারণ ব্যাখ্যা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের একটিতে দুর্ঘটনার কারণে সরবরাহ ব্যাহত হয়েছিল। তবে দুর্ঘটনাজনিত সমস্যা ইতোমধ্যে সমাধান করা হয়েছে। তিনি জানান, ‘ইনশাআল্লাহ, আগামীকাল সন্ধ্যা থেকে গ্যাসের সরবরাহ এক-দেড় মাস আগে যে অবস্থায় ছিল, সে রকম একটা অবস্থায় ফিরে আসবে।’

তৃতীয় ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের উদ্যোগ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জিটুজি ভিত্তিতে গত এক মাসে নতুন টার্মিনাল স্থাপনের প্রস্তুতি মোটামুটি সম্পন্ন হয়েছে। দ্রুতই এর কাজ শুরু হবে এবং ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনালকে গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করা সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি।

দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যেকোনো কিছু পরিকল্পনা করা এবং সেটি বাস্তবায়ন করতে সময় লাগে। জ্বালানি ও বিদ্যুতের এই সমস্যা উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া। চাইলেই ছয় মাস বা এক বছরের মধ্যে এর সমাধান করা সম্ভব নয়।’ তিনি ব্যবসায়ী নেতাদের সামনে সরকারের পরিকল্পনা ও সময়সীমা তুলে ধরেন, তবে বাস্তবায়নে সময় কিছুটা এদিক-সেদিক হতে পারে বলে উল্লেখ করেন।

ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হলে অর্থনীতিতে প্রভাব পড়বে বলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ব্যবসা ও শিল্প খাত ক্ষতিগ্রস্ত হলে তার প্রভাব দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে পড়ে। তাই জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান শুধু ব্যবসায়ীদের স্বার্থের বিষয় নয়; এটি দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।’ তিনি ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পৌঁছানোর লক্ষ্য অর্জনের জন্য নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ-জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

গণমাধ্যমকে পরিকল্পনা তুলে ধরার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গণমাধ্যমের সহযোগিতা ছাড়া সরকারের উদ্দেশ্য ও পরিকল্পনা জনগণের কাছে পৌঁছাতে পারবে না। আমরা সমস্যাগুলো আড়াল না করে খোলামেলাভাবে তুলে ধরেছি এবং কীভাবে সেগুলোর সমাধান করা হবে, সেটিও জানিয়েছি। সে জন্য হতাশ হওয়ার মতো কারণ নেই।’ তিনি ব্যবসায়ী ও গণমাধ্যমকে সরকারের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত হলে শুধু ব্যবসায়ী সম্প্রদায় নয়, পুরো দেশ উপকৃত হবে।’

"আমাদের সহযোগিতা করবেন, যাতে আমরা আপনাদের জন্য আরও ভালো কিছু করতে পারি। এতটুকু আমরা আপনাদের জানাতে চেয়েছি যে আমরা এটা নিয়ে কাজ করছি। সে জন্য হতাশ হওয়ার মতো কারণ নেই।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, সচিবালয়
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, উপপ্রেস সচিব হাসান শিপুল
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার), ১৪ সেপ্টেম্বর (সোমবার), ৬ মাস

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖