📌 চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএনপির কর্মসূচিতে সংঘর্ষে প্রকাশ্যে অস্ত্র প্রদর্শন করে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের হাতে থাকা অস্ত্রগুলো উদ্ধার করা যায়নি, তবে পুলিশ রিমান্ডের মাধ্যমে জিজ্ঞাসাবাদের চেষ্টা চালাচ্ছে
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কর্মসূচির সময় সংঘর্ষে প্রকাশ্যে অস্ত্র প্রদর্শন করে তিনজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এই তিনজন অস্ত্রধারীকে সীতাকুণ্ড থানার কর্মকর্তারা সোমবার রাতে গ্রেপ্তার করেন। তবে তাদের হাতে থাকা অস্ত্রগুলো উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মো. সাদেক আলী (২৮), কামরুল হাসান (৪৩) ও মো. হানিফ (৩৪)কে সীতাকুণ্ডে সংঘর্ষে অস্ত্র প্রদর্শনের জন্য গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
- 📌 গ্রেপ্তার করা তিনজন অস্ত্রধারীর হাতে ছিল ১টি একনলা বন্দুক, ১১টি ছুরি, ৩টি কিরিচ, ১টি দা ও ১৫টি লাঠি।
- 📌 পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, কামরুলের হাতে ছিল শুটার গান এবং হানিফের হাতে পিস্তল।
- 📌 সিরাজুল ইসলাম (২৮) নামের আরেকজন অস্ত্রধারী এখনও গ্রেপ্তার হননি।
- 📌 হানিফকে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে এবং তার প্রকৃত অস্ত্র উদ্ধারের জন্য পুলিশ চেষ্টা চালাচ্ছে।
- 📌 ১ সেপ্টেম্বর সীতাকুণ্ড পৌর সদরে সংঘর্ষে তিনটি মিনিবাস ভাঙচুর এবং ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে।
📰 বিস্তারিত
সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিনুল ইসলাম প্রথম আলোকে জানান, সংঘর্ষের সময় প্রকাশ্যে অস্ত্র প্রদর্শন করে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে তাদের হাতে থাকা অস্ত্রগুলো উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। সাদেককে চট্টগ্রামের মিরসরাই থেকে, কামরুলকে চাঁদপুর থেকে এবং হানিফকে সলিমপুর ইউনিয়নের জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় গ্রেপ্তার করা হয়।
ওসি বলেন, ঘটনার দিন সাদেক আলী ও সিরাজুল ইসলামের ছবি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল। সাদেককে গ্রেপ্তার করা হলেও সিরাজুল ইসলাম এখনও গ্রেপ্তার হননি। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, কামরুলের হাতে ছিল শুটার গান এবং হানিফের হাতে পিস্তল। এছাড়াও হানিফের বহন করা ব্যাগেও অস্ত্র থাকার সন্দেহ পুলিশের।
ওসি আরও জানান, সংঘর্ষের সময় ব্যবহৃত অস্ত্রগুলো উদ্ধার করার চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, ‘অস্ত্রধারীদের হাতে যে অস্ত্র ছিল, সেগুলো উদ্ধার করা যায়নি। কামরুলের শুটার গান এবং হানিফের পিস্তল ছিল। তবে গ্রেপ্তার করা ব্যক্তিরা তাদের অস্ত্রগুলো হাত বদল করেছেন।’
হানিফকে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং তার প্রকৃত অস্ত্র উদ্ধারের জন্য রিমান্ড চেয়েছে পুলিশ। আদালত তাঁকে দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে। ওসি বলেন, গ্রেপ্তার করা ব্যক্তিরা বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরী বা কাজী মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের অনুসারী কিনা তা জানাতে রাজি হননি।
"পুলিশ কোনো ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বা অবৈধ অস্ত্রের প্রদর্শন কোনোভাবেই বরদাশত করবে না। অপরাধী যে দলের, যে গ্রুপের বা যে রাজনৈতিক পরিচয়ই ব্যবহার করুক না কেন, কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. সাদেক আলী (২৮), কামরুল হাসান (৪৩), মো. হানিফ (৩৪), ওসি মো. মহিনুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১টি একনলা বন্দুক, ১১টি ছুরি, ৩টি কিরিচ, ১৫টি লাঠি, ২ দিনের রিমান্ড
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!