📅 ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ঢাকা এক্সপ্রেসওয়েতে মরদেহ উদ্ধার: সুপারভাইজার ও হেলপার স্বীকারোক্তি, চালককে চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর

ঢাকা এক্সপ্রেসওয়েতে মরদেহ উদ্ধার: সুপারভাইজার ও হেলপার স্বীকারোক্তি, চালককে চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে ইসমাইল হোসেনের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় সুপারভাইজার ও হেলপার স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। বাসচালক সোহেল রানাকে চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে। মামলায় নিহতের ছেলে বাদী হিসেবে মামলা দায়ের করেছেন

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে ইসমাইল হোসেনের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় গ্রেফতার বাসের সুপারভাইজার সাজু লস্কার ও হেলপার মাহবুব আলম মনির আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এদিন (৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকার পৃথক দুই মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। অন্যদিকে, বাসচালক সোহেল রানার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে ইসমাইল হোসেনের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় সুপারভাইজার সাজু লস্কার ও হেলপার মাহবুব আলম মনির স্বীকারোক্তি দিয়েছেন।
  • 📌 বাসচালক সোহেল রানাকে চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।
  • 📌 মরদেহের শরীরে আঘাতের চিহ্ন ছিল এবং নাক, মাথা ও ডান হাতের কব্জি সাদা স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় পাওয়া যায়।
  • 📌 নিহতের ছেলে মো. হাসান বাদী হয়ে বনানী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
  • 📌 মরদেহের সঙ্গে থাকা পাঁচ লাখ টাকা এবং গ্রামের বাড়ি থেকে নিয়ে আসা কোনো মালামাল পাওয়া যায়নি।

📰 বিস্তারিত

৬ সেপ্টেম্বর রোববার ঢাকার পৃথক দুই মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সুপারভাইজার সাজু লস্কার ও হেলপার মাহবুব আলম মনিরের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। এ সময় তারা স্বেচ্ছায় জবানবন্দি দিতে সম্মতি জানান। পরে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় তাদের জবানবন্দি রেকর্ডের আবেদন করেন বনানী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নজরুল ইসলাম তালুকদার।

এদিন তিন আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। সোহেল রানার সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছিল, কিন্তু আদালত চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৪ সেপ্টেম্বর ভোর সাড়ে চারটার দিকে জামালপুর থেকে গাজীপুরের উদ্দেশে রওনা দেন ইসমাইল হোসেন। তিনি বাসে পাঁচ লাখ টাকা এবং বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য নিয়ে চড়েন।

বাবা আসছেন জানতে পেরে তার ছেলে মো. হাসান গাজীপুরের জিরানী বাসস্ট্যান্ডে অপেক্ষা করতে থাকেন। তবে বাবার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে ফোন করলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। সকাল ১০টা পর্যন্ত অপেক্ষা করে হাসান বাসায় ফিরে যান। দুপুর ১২টার দিকে বনানী থানা থেকে প্রতিবেশী মন্টুকে ফোন করে ইসমাইল হোসেনের মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি জানানো হয়। পরে মরদেহের ছবি দেখে বাবাকে শনাক্ত করেন হাসান।

মরদেহের শরীরে আঘাতের চিহ্ন ছিল এবং নাক, মাথা ও ডান হাতের কব্জি সাদা স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় পাওয়া যায়। বনানী থানার আওতাধীন ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাকলী থেকে কুড়িলগামী অংশের ১৭৯ ও ১৮০ নম্বর পিলারের মধ্যবর্তী স্থানে ইসমাইলের মরদেহ পড়ে ছিল। তবে তার সঙ্গে থাকা পাঁচ লাখ টাকা এবং গ্রামের বাড়ি থেকে নিয়ে আসা কোনো মালামাল পাওয়া যায়নি।

"মরদেহের শরীরে আঘাতের চিহ্ন ছিল এবং নাক, মাথা ও ডান হাতের কব্জি সাদা স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় পাওয়া যায়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে (কাকলী থেকে কুড়িলগামী অংশ), বনানী থানা, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইসমাইল হোসেন, মো. হাসান, সাজু লস্কার, মাহবুব আলম মনির, সোহেল রানা, নজরুল ইসলাম তালুকদার, আরিফুল ইসলাম, আলবিরুনী মীর, মো. ছিদ্দিক আজাদ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ সেপ্টেম্বর, ৪ সেপ্টেম্বর, ৪ টা, ১০ টা, ১২ টা, ১৭৯ ও ১৮০ নম্বর পিলার, ১৬৪ ধারা, ৪ দিনের রিমান্ড

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖