📌 চাঁপাইনবাবগঞ্জে স্বর্ণ ছিনতাইয়ের মামলায় পুলিশ কনস্টেবল জাকির হোসেনকে দুই দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। স্বর্ণকার মোহাম্মদ আলী স্বীকার করেছেন যে তিনি কনস্টেবলের সহযোগিতায় স্বর্ণ ছিনতাই করেছিলেন। পুলিশের তদন্তে জাকিরের ফোন রেকর্ড ও ভ্রমণ প্যাটার্ন প্রকাশ পেয়েছে
চাঁপাইনবাবগঞ্জে স্বর্ণ ছিনতাইয়ের মামলায় পুলিশ কনস্টেবল জাকির হোসেনকে আদালত দুই দিনের রিমান্ডে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। মঙ্গলবার আদালতে শুনানির পর এই রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে মামলার সাথে জড়িত আসামি মোহাম্মদ আলী স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন, যার কারণে জাকিরের বিরুদ্ধে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চাঁপাইনবাবগঞ্জে স্বর্ণ ছিনতাইয়ের মামলায় পুলিশ কনস্টেবল জাকির হোসেনকে আদালত দুই দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।
- 📌 স্বর্ণকার মোহাম্মদ আলী স্বীকার করেছেন যে তিনি কনস্টেবলের সহযোগিতায় ৪০ ভরি স্বর্ণ ছিনতাই করেছিলেন।
- 📌 পুলিশের তদন্তে জাকিরের ফোন রেকর্ডে দেখা যায়, ৮ আগস্ট রাত ২টা থেকে ২টা ৪৪ মিনিট পর্যন্ত তিনি তার চাচাতো ভাই মশিউর রহমানের সাথে ২৮ মিনিট কথা বলেছিলেন।
- 📌 স্বর্ণ ছিনতাইয়ের পর জাকির ১০ দিনের ছুটি নিয়ে গ্রামে চলে যান, পরে পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার করা হয়।
- 📌 মোহাম্মদ আলীর বাড়ি থেকে সাড়ে ২০ ভরি স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়েছে, বাকি ২০ ভরি স্বর্ণ জাকিরের কাছে থাকার কথা জানিয়েছেন তিনি।
📰 বিস্তারিত
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একরামুল হোসাইন জানান, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জাকির হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেছিলেন। কিন্তু আদালত শুনানির পর দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে দিয়েছে। ওসি জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কারাগার থেকে জাকির হোসেনকে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
স্বর্ণ ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে গত ৮ আগস্ট বিকেলে কালীতলা ব্রিজ এলাকায়। পুলিশের তদন্তে দেখা যায়, জাকির হোসেন ৯ আগস্ট ভোররাতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে রাজশিয়ার দুর্গাপুর উপজেলার শ্যামপুরে যান। সকাল ৬টা ৪০ মিনিটে তিনি আলীপুর গ্রামে এবং ৮টা ২০ মিনিটে পাচুবাড়ি গ্রামে অবস্থান করেন। এরপর তিনি বাগমারার গঙ্গানারায়ণপুর গ্রামে সকাল ৮টা ৪২ মিনিটে ছিলেন। পরে তিনি মোহনপুরের বাকশিমইল ও সইপাড়া হয়ে তানোর উপজেলা সদরে যান এবং সকাল ১০টার মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ফিরে আসেন।
মোহাম্মদ আলী স্বীকার করেছেন যে, তিনি তার শ্যালক নিঝুমের ৪০ ভরি স্বর্ণের চালানটি চাঁপাইনবাবগঞ্জে নিয়ে যান। পুলিশি অভিযানের নামে এই স্বর্ণ ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য তিনি কনস্টেবল জাকিরকে ঠিক করেছিলেন। তিনি আরেক ব্যবসায়ীর হাতে স্বর্ণ তুলে দেওয়ার পর জাকির হোসেন তার এক বন্ধুকে নিয়ে ওই স্বর্ণ ছিনতাই করেন।
"তাঁর শ্যালক নিঝুমের ৪০ ভরি স্বর্ণের চালানটি তিনিই চাঁপাইনবাবগঞ্জে নিয়ে যান। পুলিশি অভিযানের নামে এই স্বর্ণ ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য তিনিই কনস্টেবল জাকিরকে ঠিক করেছিলেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চাঁপাইনবাবগঞ্জ, কালীতলা ব্রিজ, রাজশিয়ার দুর্গাপুর উপজেলা, আলীপুর গ্রাম, পাচুবাড়ি গ্রাম, বাগমারার গঙ্গানারায়ণপুর গ্রাম, মোহনপুরের বাকশিমইল ও সইপাড়া, তানোর উপজেলা সদর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জাকির হোসেন, মোহাম্মদ আলী, একরামুল হোসাইন, নিঝুম, মশিউর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০ ভরি (স্বর্ণ), ৮ আগস্ট, ২টা ২ মিনিট থেকে ২টা ৪৪ মিনিট, ২৮ মিনিট (ফোন কথা), ৯ আগস্ট, ৬টা ৪০ মিনিট, ৮টা ২০ মিনিট, ৮টা ৪২ মিনিট, ১০ দিনের ছুটি, সাড়ে ২০ ভরি (স্বর্ণ উদ্ধার), ২০ ভরি (বাকি স্বর্ণ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!