📅 ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:১০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২: জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে মানবতাবিরোধী অপরাধে ৭ নেতাকে মৃত্যুদণ্ড, সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের রায়

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২: জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে মানবতাবিরোধী অপরাধে ৭ নেতাকে মৃত্যুদণ্ড, সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের রায়

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ জুলাই-আগস্ট ২০২৪ সালের আন্দোলনে মানবতাবিরোধী অপরাধে আওয়ামী লীগের ৭ নেতাকে মৃত্যুদণ্ড এবং তাদের সম্পত্তির অর্ধেক বাজেয়াপ্তের রায় দিয়েছে। পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করা হয় যখন তাদের কেউ উপস্থিত ছিলেন না

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ জুলাই-আগস্ট ২০২৪ সালের আন্দোলনে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের সাত শীর্ষ নেতাকে মৃত্যুদণ্ড এবং তাদের সম্পত্তির অর্ধেক বাজেয়াপ্তের রায় ঘোষণা করেছে। বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলের এই রায়ে পাঁচ আসামির সম্পত্তি বিক্রি করে পাওয়া অর্থ জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে নিহত ও আহতদের ক্ষতিপূরণে ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ জুলাই-আগস্ট ২০২৪ সালের আন্দোলনে মানবতাবিরোধী অপরাধে ৭ নেতাকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছে।
  • 📌 মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নেতাদের মধ্যে রয়েছে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেনসহ আরও পাঁচজন।
  • 📌 পাঁচ আসামির (ওবায়দুল কাদের, বাহাউদ্দিন নাছিম, মোহাম্মদ আলী আরাফাত, শেখ ফজলে শামস পরশ ও মাইনুল হোসেন খান নিখিল) সম্পত্তির অর্ধেক বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
  • 📌 বাজেয়াপ্ত সম্পত্তি বিক্রি করে পাওয়া অর্থ জুলাই ফাউন্ডেশন বা অন্য বিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ হিসেবে নিহত ও আহতদের পরিবারকে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
  • 📌 রায় ঘোষণার সময় পলাতক আসামিদের কেউ ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন না। তাদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী এম হাসান ইমাম ও ইশরাত জাহান উপস্থিত ছিলেন।
  • 📌 এই রায়ের মাধ্যমে জুলাই আন্দোলনকেন্দ্রিক সপ্তম মামলায় রায় ঘোষণা করা হয়েছে। আগে ছয়টি মামলায় মোট ৬১ জন আসামিকে সাজা দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে ১৫ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

📰 বিস্তারিত

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল জুলাই-আগস্ট ২০২৪ সালের আন্দোলনে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণা করে। প্যানেলের অপর দুই সদস্য ছিলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাত আসামির নাম হলেন: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান।

রায়ে ওবায়দুল কাদের, বাহাউদ্দিন নাছিম, মোহাম্মদ আলী আরাফাত, শেখ ফজলে শামস পরশ ও মাইনুল হোসেন খান নিখিলের সম্পত্তির অর্ধেক বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ট্রাইব্যুনাল বলেছে, বাজেয়াপ্ত সম্পত্তি বিক্রি করে পাওয়া অর্থ জুলাই ফাউন্ডেশন বা অন্য কোনো বিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট সময়ে নিহত ও আহত ব্যক্তি এবং তাদের পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ হিসেবে দিতে হবে।

জুলাই আন্দোলনের পর থেকেই এই সাত আসামি পলাতক রয়েছেন। রায় ঘোষণার সময় তাদের কেউ ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন না। পলাতক আসামিদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী এম হাসান ইমাম ও ইশরাত জাহান আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রপক্ষে প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামিম, ফারুক আহাম্মদসহ অন্য প্রসিকিউটররা ছিলেন।

বিচার প্রক্রিয়ার বিবরণে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১৮ জুন এই মামলার তদন্ত শুরু হয়। দীর্ঘ তদন্ত শেষে একই বছরের ৭ ডিসেম্বর চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। যাচাই-বাছাইয়ের পর ১৮ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়। সেদিনই ট্রাইব্যুনাল-২ অভিযোগ আমলে নেন। পরবর্তীতে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি, পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও আসামিদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী নিয়োগসহ বিভিন্ন আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

২০২৬ সালের ২২ জানুয়ারি সাত আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্য ও প্রথম সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়। গত ২ আগস্ট সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। তদন্ত কর্মকর্তাসহ রাষ্ট্রপক্ষে মোট ২৯ জন সাক্ষ্য দেন। পরে ১৭ আগস্ট যুক্তিতর্ক শেষ হলে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়।

"আসামিরা সমন্বিতভাবে নির্দেশ, প্ররোচনা ও উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন। নেতাকর্মীদের রাজপথে নেমে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান এবং সহিংসতার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। এসব কর্মকাণ্ডের ফলে হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও ব্যাপক সহিংসতার ঘটনা ঘটে, যা মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে প্রসিকিউশন উল্লেখ করেছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী, ওবায়দুল কাদের, এম হাসান ইমাম, গাজী এম এইচ তামিম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ (মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নেতা), ৫ (সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত আসামি), ২৯ (সাক্ষী), ১৫ (সেপ্টেম্বর), ২০২৪ (আন্দোলনের বছর)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖