📌 সুদানের সেনাবাহিনীর সামরিক বিজয় সত্ত্বেও দেশটির যুদ্ধের রাজনৈতিক সমাধান অধরাই রয়ে গেছে। রাফালি পরাজয় দেশটিকে আরও ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সংঘাতে বিভক্ত করতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন
সুদানের সেনাবাহিনী (এসএএফ) সাম্প্রতিক মাসগুলোতে উল্লেখযোগ্য সামরিক সাফল্য অর্জন করেছে। গত মাসে তারা দেশটির কেন্দ্রীয় নীল উপত্যকা থেকে পশ্চিমাঞ্চলের সাথে সংযোগকারী রণকৌশলগত সড়ক ‘সাদিরাত’-এর বেশ কয়েকটি শহর পুনর্দখল করে। এছাড়া সেনাবাহিনী দেশটির কেন্দ্রীয় অঞ্চলে রাফালি নামক আধা-সামরিক বাহিনীকে প্রতিরক্ষামূলক অবস্থানে বাধ্য করেছে। এই বিজয়ের পর সেনাবাহিনীর নেতারা এখন পুরোপুরি রাফালিকে পরাজিত করার কথা বলছেন, শুধু তাদের নিয়ন্ত্রণে রাখার কথা নয়। তবে পূর্ব সুদানের ব্লু নাইল রাজ্যে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ বিপরীত। মধ্য আগস্টে রাফালি ও তাদের মিত্র সুদান পিপলস লিবারেশন মুভমেন্ট-নর্থ (নেতা আবদুল আজিজ আল-হিলু)-এর যৌথ বাহিনী কয়েক দিনের ব্যবধানে কুরমুক ও গেইসান পুনর্দখল করে। সুদানি সামরিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, এই হামলাগুলো ইথিওপিয়া সীমান্ত থেকে চালানো হয়েছিল। এ মাসে সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রিত বেশ কয়েকটি শহরে ড্রোন হামলার ঘটনা প্রমাণ করে যে রাফালির প্রভাব দারফুরের প্রধান ঘাঁটির বাইরেও বিস্তৃত। সামরিক বিজয় ও রাজনৈতিক সমাধান সম্পূর্ণ ভিন্ন দিকে মোড় নিচ্ছে। এমনকি রাফালির পুরোপুরি পরাজয় সুদানের যুদ্ধের অবসান ঘটাতে পারবে না, বরং তা আরও ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সংঘাতে বিভক্ত হয়ে যেতে পারে।
🔴 যুদ্ধের মূল ঘটনা
- 📌 সুদানের সেনাবাহিনী সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বেশ কয়েকটি শহর পুনর্দখল করেছে, যার মধ্যে রয়েছে সাদিরাত সড়কের গুরুত্বপূর্ণ এলাকা
- 📌 পূর্ব সুদানের ব্লু নাইল রাজ্যে রাফালি ও তাদের মিত্র বাহিনী কুরমুক ও গেইসান শহর পুনর্দখল করেছে
- 📌 ইথিওপিয়া সীমান্ত থেকে পরিচালিত হামলায় রাফালির প্রভাব দারফুরের বাইরেও বিস্তৃত হয়েছে বলে সামরিক সূত্রগুলো জানিয়েছে
- 📌 বিশ্লেষকদের মতে, সামরিক বিজয় সত্ত্বেও রাজনৈতিক সমাধান অধরাই রয়ে গেছে
📰 বিস্তারিত
সুদানের সেনাবাহিনী (এসএএফ) সাম্প্রতিক মাসগুলোতে উল্লেখযোগ্য সামরিক সাফল্য অর্জন করেছে। গত মাসে তারা দেশটির কেন্দ্রীয় নীল উপত্যকা থেকে পশ্চিমাঞ্চলের সাথে সংযোগকারী রণকৌশলগত সড়ক ‘সাদিরাত’-এর বেশ কয়েকটি শহর পুনর্দখল করে। এছাড়া সেনাবাহিনী দেশটির কেন্দ্রীয় অঞ্চলে রাফালি নামক আধা-সামরিক বাহিনীকে প্রতিরক্ষামূলক অবস্থানে বাধ্য করেছে। এই বিজয়ের পর সেনাবাহিনীর নেতারা এখন পুরোপুরি রাফালিকে পরাজিত করার কথা বলছেন, শুধু তাদের নিয়ন্ত্রণে রাখার কথা নয়। তবে পূর্ব সুদানের ব্লু নাইল রাজ্যে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ বিপরীত। মধ্য আগস্টে রাফালি ও তাদের মিত্র সুদান পিপলস লিবারেশন মুভমেন্ট-নর্থ (নেতা আবদুল আজিজ আল-হিলু)-এর যৌথ বাহিনী কয়েক দিনের ব্যবধানে কুরমুক ও গেইসান পুনর্দখল করে। সুদানি সামরিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, এই হামলাগুলো ইথিওপিয়া সীমান্ত থেকে পরিচালিত হয়েছিল। এ মাসে সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রিত বেশ কয়েকটি শহরে ড্রোন হামলার ঘটনা প্রমাণ করে যে রাফালির প্রভাব দারফুরের প্রধান ঘাঁটির বাইরেও বিস্তৃত।
সামরিক বিজয় ও রাজনৈতিক সমাধান সম্পূর্ণ ভিন্ন দিকে মোড় নিচ্ছে। এমনকি রাফালির পুরোপুরি পরাজয় সুদানের যুদ্ধের অবসান ঘটাতে পারবে না, বরং তা আরও ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সংঘাতে বিভক্ত হয়ে যেতে পারে। যুদ্ধের রাজনৈতিক সমাধান খুঁজে পাওয়া ক্রমশ কঠিন হয়ে পড়ছে। কারণ যুদ্ধের কেন্দ্রবিন্দু ক্রমেই ভেঙে পড়ছে।
এসএএফ-এর নেতৃত্বাধীন রাফালিবিরোধী জোটের মধ্যে রয়েছে দারফুরের বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠী, যারা ২০২০ সালের জুবা শান্তি চুক্তির মাধ্যমে সেনাবাহিনীতে একীভূত হওয়ার কথা ছিল। তবে তারা তাদের সামরিক স্বায়ত্তশাসন হারাতে রাজি নয়, যা তাদের রাজনৈতিক প্রভাবের ভিত্তি। সেনাবাহিনীর সহকারী প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী জেনারেল ইয়াসির আল-আত্তা গত মার্চ মাসে ঘোষণা করেছিলেন যে সেনাবাহিনী জনপ্রিয় প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলিকে নিয়ন্ত্রণ ও একীভূত করার ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। তবে এখন পর্যন্ত তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ দেখা যায়নি।
"জনপ্রিয় প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলিকে নিয়ন্ত্রণ ও একীভূত করার জন্য আইন ও কাঠামো প্রণয়নের কাজ শুরু হয়েছে"
"জনপ্রিয় প্রতিরোধ"
"আমরা যদি এইভাবে চলতে থাকি, তাহলে এই অর্ধ-স্বায়ত্তশাসিত মিলিশিয়া, উপজাতীয় জোট এবং স্বেচ্ছাসেবকরা পরবর্তী বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়াবে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সুদান
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবদুল আজিজ আল-হিলু, ইয়াসির আল-আত্তা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: মধ্য আগস্ট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!