📌 হাইতির রাজধানী পোর্ট-অ-প্রিন্সের কাছাকাছি কেনস্কফ এলাকায় গ্যাং হামলায় অন্তত ৪৭ জন নিহত এবং ৫০-এর বেশি মানুষ অপহৃত হওয়ার ঘটনায় জাতিসংঘ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। এই হামলায় আরও ২২ জন আহত হন
হাইতির রাজধানী পোর্ট-অ-প্রিন্সের কাছাকাছি কেনস্কফ এলাকায় গ্যাং হামলায় অন্তত ৪৭ জন নিহত, ৫০-এর বেশি মানুষ অপহৃত এবং আরও ২২ জন আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে জাতিসংঘ জানিয়েছে। এই সহিংসতার ঘটনায় আন্তর্জাতিক মহলে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জাতিসংঘের তথ্যমতে, হাইতির কেনস্কফ এলাকায় গ্যাং হামলায় নিহত ৪৭ জন, অপহৃত ৫০-এর বেশি এবং আহত ২২ জন
- 📌 জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এই হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, "এটি হাইতির উদ্বেগজনক নিরাপত্তা পরিস্থিতির প্রতিফলন এবং গ্যাং মোকাবিলায় হাইতি ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রচেষ্টা জোরদার করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে"
- 📌 কেনস্কফের মেয়র জঁ মাসিলন জানান, সশস্ত্র ব্যক্তিরা ঘরবাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয় এবং বাসিন্দাদের হত্যা করে। তিনি অভিযোগ করেন, মার্কিন সরকার কর্তৃক বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত 'ভিভ আনসানম' গ্যাং সদস্যরা এই হামলার জন্য দায়ী
- 📌 স্থানীয় বাসিন্দা মার্ক পল জানান, তার ভাই, সৎমা, সৎবাবা ও দুই চাচাতো ভাইকে অপহরণ করা হয়েছে। তার ১৬ বছর বয়সী ভাতিজিকে ধর্ষণের পর পালিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছে
- 📌 হাইতির প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সামাজিক মাধ্যমে জানায়, "কেনস্কফকে পরিত্যাগ করা হবে না। সরকারের কর্তৃত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে, কোনো দুর্বলতা বা বিলম্ব ছাড়াই"
- 📌 একজন গ্যাং নেতা ভ্লাদিমির প্যারাইসনকে হুমকি দিয়ে বলেন, "প্যারাইসন, যদি আমাদের কোনো সদস্যের ক্ষতি হয়, আমি তাদের সবাইকে হত্যা করব"
📰 বিস্তারিত
হাইতির রাজধানী পোর্ট-অ-প্রিন্সের কাছাকাছি কেনস্কফ এলাকায় গ্যাং হামলায় অন্তত ৪৭ জন নিহত এবং ৫০-এর বেশি মানুষ অপহৃত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে জাতিসংঘ জানিয়েছে। এই হামলায় আরও ২২ জন আহত হন। জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এই হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, "এটি হাইতির উদ্বেগজনক নিরাপত্তা পরিস্থিতির প্রতিফলন এবং গ্যাং মোকাবিলায় হাইতি ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রচেষ্টা জোরদার করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে।"
কেনস্কফের মেয়র জঁ মাসিলন জানান, সশস্ত্র ব্যক্তিরা ঘরবাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয় এবং বাসিন্দাদের হত্যা করে। তিনি অভিযোগ করেন, মার্কিন সরকার কর্তৃক বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত 'ভিভ আনসানম' গ্যাং সদস্যরা এই হামলার জন্য দায়ী। তিনি বলেন, গ্যাং সদস্যরা একটি গির্জা এবং স্থানীয় জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ জঁ উইলিয়াম পাপের বাড়িতেও হামলা চালায়।
স্থানীয় বাসিন্দা মার্ক পল জানান, তার ভাই, সৎমা, সৎবাবা ও দুই চাচাতো ভাইকে অপহরণ করা হয়েছে। তার ১৬ বছর বয়সী ভাতিজিকে ধর্ষণের পর পালিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছে। তিনি বলেন, "আমাকে মৃতদেহের উপর দিয়ে দৌড়াতে হয়েছে।" অন্য এক বাসিন্দা করিওলান কেন্ডি তার চাচাতো ভাইয়ের মৃতদেহের পাশে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। তিনি রয়টার্সকে বলেন, "কেনস্কফের মানুষ ভুগছে এবং সরকার এর জন্য দায়ী।"
"এটি হাইতির উদ্বেগজনক নিরাপত্তা পরিস্থিতির প্রতিফলন এবং গ্যাং মোকাবিলায় হাইতি ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রচেষ্টা জোরদার করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কেনস্কফ, হাইতি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আন্তোনিও গুতেরেস, জঁ মাসিলন, মার্ক পল, করিওলান কেন্ডি, ভ্লাদিমির প্যারাইসন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: নিহত ৪৭ জন, অপহৃত ৫০-এর বেশি, আহত ২২ জন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!